Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts

জেনে নিন,পুরুষের প্রতি নারীর দুর্বলতার কারণ !


সঙ্গীর হাত ধরুন, তাকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান। কিছু পুরুষালি গুণ নারীকে আকর্ষণ করে, পুরুষের প্রতি দুর্বল করে তোলে। তা সব সময় উচ্চতা, গায়ের রং বা বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়। কাঙ্‌ক্িষত পুরুষের মাঝে আরও বিশেষ কিছু খোঁজেন তারা। বিষয়টা পুরোপুরিই মনো-দৈহিক। শরীর তো আছেই, সঙ্গে অবশ্যই থাকতে হবে আবেগ-অনুভূতিও।
নারীর হূদয় জয়ে সফল হতে হলে এসব পুরুষালি গুণের চর্চায় মনোযোগী হতে পারেন আজ থেকেই। পড়ুন এমন ছয়টি গুণের কথা-
ফিটফাট থাকুন
নারীরা দীর্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস’াপন করছেন। আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তারা ভাবেন, যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে?
সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কাটা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।
নিজের রুচি তুলে ধরুন
দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো হতে হবে বিষয়টা মোটেও এমন নয়। আর যদি একটার সঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যান্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো, সেই ব্র্যান্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ। তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখুন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।
আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরুষদের পছন্দ করেন না।

রসবোধ থাকাটা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্‌ক্িষত পুরুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। পারে।


হিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে থাকার মতো যথেষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনমরা টাইপ সঙ্গী তাদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। তাই নিজে হাসুন, তার মুখেও হাসি ফোটান। তবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আঘাত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক নারীই এটা রীতিমতো অপছন্দ করেন। আর যে পুরুষ হাসিমুখে নিজের ভুল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তার প্রতি নারীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বিষয়ে আমরা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখুন।মুখে হাসি ফোটান
তাকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান
নারীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত হতে চান যে তাকে কেউ ভালোবাসছেন, তার খেয়াল রাখছেন। তার হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একসঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা-হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধরা, রাস্তা পেরোনোর সময় তার খেয়াল রাখার মতো কাজগুলোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়। কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তার হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।
ও চোখে চোখ পড়েছে যখনই
তার চোখে চোখ রেখে তাকান। মিষ্টি করে একবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তার চোখে তাকালে একজন নারী যে অনুভূতি পান তার তুলনা করা দুষ্কর। আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে হতে পারে তার। আর মাঝেমধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জরুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে।

জেনে নিন, বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করে তোলে আপনার যেসব বিষয়গুলো !


কখনো ভেবে দেখেছেন কি, আপনার কোন বিষয়গুলো বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে আকর্ষণ করে? একজন নারীর চোখে পুরুষের কোন বিষয়গুলো আকর্ষণীয় বা একজন পুরুষ নারীদের কোন ব্যাপারটিকে ভালোবাসেন? নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কিছু ব্যাপার আছে, যেটা বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে আকর্ষণ করবেই করবে। চিনে নিন সেই ব্যাপারগুলো এবং আরেকটু বাড়িয়ে তুলুন নিজের আকর্ষণ।
যেকোনো মানুষের কাছেই অন্য মানুষের সবচাইতে আকর্ষণীয় ব্যাপারটি হচ্ছে হাসি। আপনি কত সুন্দর করে আর সহজ ভাবে হাসতে পারেন, সেটাই বাড়ায় আপনার আকর্ষণ।
পোশাক যেমনই হোক, সেটা যদি হয় পরিপাটি ও পরিছন্ন, তাহলে তা বিপরীত লিঙ্গের কাছে আপনার আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে বহুগুণে।
সুন্দর বাচনভঙ্গী একটি দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে কারো জন্যই। আপনি যদি সুন্দর করে কথা বলতে জানেন, তাহলে বিপরীত লিঙ্গের মন জয় করা কোন বিষয়ই না।
উচ্চতা একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার বৈকি। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে লম্বা মানুষের প্রতি অধিক আকর্ষণ বোধ করে

মোটা-চিকন যাই হোক না কেন, দেহের সুন্দর শেপ বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করবেই করবে।
অন্যের সাথে আপনার ব্যবহার কেমন, এটা কিন্তু বিপরীত লিঙ্গের মানুষেরা খুব খেয়াল করেন। কারণ তারা সেটা দেখেই বোঝার চেষ্টা করেন যে আপনি মানুষটা কেমন। তাই সুন্দর ব্যবহার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।
◘আপনার শিক্ষাগত যোগ্য, পেশা, শখ ইত্যাদি ব্যাপারও কিন্তু বিপরীত লিঙ্গের কাছে খুবই আকর্ষণের একটা জায়গা।
শুনতে অদ্ভুত শোনালেও এটা খুবই সত্য যে আপনার পরিবারও বা পারিবারিক অবস্থাও বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করে।
আপনি কাদের সাথে মেশেন, আপনার বন্ধুরা কেমন, বন্ধু মহলে আপনার অবস্থান কী ইত্যাদি ব্যাপারগুলোও বিপরীত লিঙ্গ খুব আগ্রহ নিয়েই লক্ষ্য করে থাকেন।
চোখ হচ্ছে মনের আয়না। বলাই বাহুল্য যে চোখের আবেদন অপরিসীম। সুন্দর চোখের একজন মানুষ সকলকেই আকর্ষণ করতে পারেন।

ছেলেমেয়েদের গোপন চ্যাটিং কোড!



ছোট থেকেই কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ট্যাব হাতে নিয়ে বড় হচ্ছে এখনকার টিনেজ প্রজন্ম। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পড়ালেখার পাশাপাশি নিষিদ্ধ বিষয়গুলোর দিকেও তাদের ঝুঁকে পড়ার সুযোগ থাকে।   এক্ষেত্রে অভিভাবকরা হয়তো জানতেও পারছেন না যে, কম্পিউটারে পড়ালেখার পেজের পাশে ছোট্ট একটি চ্যাট বক্সে সন্তানটি যৌনতা, মাদক নিয়ে অবলীলায় কথা বলে চলেছে। অভিভাবকদের শব্দ পরিচিতি জ্ঞান যদি কেবলমাত্র LOL বা LMK পর্যন্ত থাকে, তাহলে এখনই সাবধান হওয়া প্রয়োজন।   সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় সিএনএন প্রায় ২৮টি ‘কোড ল্যাঙ্গুয়েজ’ খুঁজে পেয়েছে, যা রীতিমতো ভয়ংকর। যদি আপনার সন্তান, আপনার উপস্থিতিতেই এ ধরনের কোডে কথা বলেন, তাহলে বুঝবেন বিপদ আসন্ন। অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে সন্তান ভয়ানক ক্ষতির দিকে যেতে পারে। জেনে নিন সেই ২৮টি কোডের ল্যাংঙ্গুয়েজ। 

1. IWSN - I want sex now 
2. GNOC - Get naked on camera 
3. NIFOC - Naked in front of computer 
4. PIR - Parent in room 
5 CU46 - See you for sex 
6. 53X - Sex 
7. 9 - Parent watching 
8. 99 - Parent gone 
9. 1174 - Party meeting place 
10. THOT - That hoe over there 
11. CID - Acid (the drug) 
12. Broken - Hungover from alcohol 
13. 420 – Marijuana 14. POS - Parent over shoulder 
15. SUGARPIC - Suggestive or erotic photo 
16. KOTL - Kiss on the lips 
17. (L)MIRL - Let`s meet in real life 
18. PRON - Porn 
19. TDTM - Talk dirty to me 
20. 8 - Oral sex 
21. CD9 - Parents around/Code 9 
22. IPN - I`m posting naked 
23. LH6 - Let`s have sex 
24. WTTP - Want to trade pictures? 
25. DOC - Drug of choice 
26. TWD - Texting while driving 
27. GYPO - Get your pants off 
28. KPC- Keeping parents clueless   

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

জেনে নিন, যে সব ভাবনা সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়



সম্পর্কটি ভালোবাসার হোক কিংবা বন্ধুত্বের, প্রেমের হোক কিংবা দাম্পত্যের, বন্ধুদের সাথে হোক কিংবা ভাইবোনের সাথে, অফিস কলিগদের সাথে হোক কিংবা অন্য কারো সাথে- কিছু ভাবনা এমন আছে, সেগুলো যদি আপনার মাঝে থাকে তাহলে যে কোন সম্পর্ক নষ্ট হতে বাধ্য।
ওকে আমার কথাই শুনতে হবে
আপনি সম্পর্কে তার মা, বাবা, ভাই, বোন, স্বামী, স্ত্রী যাই হয়ে থাকুক না কেন বাস্তবতা এটাই যে একজন মানুষ কখনোই আপনার সব কথা শুনবে না। জোর করে শোনানোর চেষ্টা করতে গেলেই সম্পর্কে ভাঙন অনিবার্য।
আমি ছাড়া আর কাউকে গুরুত্ব দেয়া চলবে না
পৃথিবীতে কেউই কেবল একজন মানুষের সাথে বেঁচে থাকতে পারে না। একেকজনের গুরুত্ব একেক রকম। একলাই দখল নিয়ে রাখতে চাইলে সম্পর্কে তিক্ততা চলে আসবে।
এতটা ভালোবাসা পাবার যোগ্য সে নয়
ও দেখতে সুন্দর নয়, তবুও আমি ওকে এত ভালোবাসি। কিংবা, ওর এই যোগ্যতা সেই যোগ্যতা নেই, তবুও আমি ওকে এতটা মূল্য দেই- এমন ভাবনা অনেকের মনেই এসেছে থাকে। বিশেষ করে প্রেম বা দাম্পত্যে। এসব ভাবনা সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়।
আমি ওর চাইতে সেরা
মানুষ যখন নিজেকে কারো চাইতে সেরা মনে করে, সেটার প্রভাব একদিন না একদিন সম্পর্ক তিক্ত করে দিতে বাধ্য।
ওকে নিয়ে অন্যের সামনে গেলে লজ্জায় পড়তে হয়
নিজের স্বামী-স্ত্রী/ প্রেমিক-প্রেমিকাকে নিয়ে অনেকেই এই দ্বিধায় ভুগে থাকেন। অনেকে নিজের সন্তান কিংবা মা-বাবাকে নিয়েও। যদি সকলের সামনে প্রিয়জনকে ভালোই না বাসতে পারেন, তবে সেটা আর কীসের ভালোবাসা হলো?
ও কখনোই ঠিক কাজটি করে না
একজন মানুষের সব কাজই যদি আপনার ভুল মনে হয়, তাহলে সম্পর্ক টিকবে কীভাবে?
সব দোষ ওর
সব দোষ একজনের ওপরে চাপিয়ে দেয়ার প্রবণতা কখনো সম্পর্ক ভালো থাকতে দেয় না। যে কোন সম্পর্কে দোষ ও গুণ দুজনের মিলিয়েই থাকে।
সব সময় আমিই ঠিক
একজন মানুষ কখনোই একলা শতভাগ ঠিক হতে পারেন না। কখনো আপনি ঠিক হবেন, কখনো অন্য মানুষ। নিজেকে সর্বদা ঠিক ভাবা মানুষদের সাথে কারো সম্পর্কই সুন্দর থাকে না।

যে ৭ ধরনের মানুষকে বিয়ে করার আগে বেশী ভাবা উচিৎ !



বিয়ে, পুরো মানবজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড় সামাজিক মাধ্যম। কিন্তু, মাঝে মধ্যে এই মাধ্যমকিরও অস্তিত্ব বুমকির মুখে পড়ে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক অনেক সময় শুরুতে মধুর বলেও পরে তিক্ততায় পরিণত বয়। আপাতদৃষ্কিতে, বিয়ের পূর্বে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যে সকল সম্পর্ককে মনে বয় বিয়ে করার জন্য সবচেয়ে ভালো ববে, কিছুদিন পর দেখা যায় সেগুলোতে সবচেয়ে বেশী গড়মিল ছিল। তেমনই কিছু সম্পর্কের প্রতি ব্যাকটু দৃষ্কিপাত করা যাক।
সবপাঠীঃ
বিয়ের আগে সবচেয়ে সুখকর দাম্পত্য জীবনের পূর্বাভাস দেয় সবপাঠী। কিন্তু সত্যি কথা বলতে, বেশীরভাগই ক্ষেত্রেই তা পরিণত বয় দুঃখের ঝড়ো বাওয়ায়। এর অন্যতম কারণ বলো সমবয়স। প্রকৃতিগত কারণেই মেয়েদের সাংসারিক-মানসিক পরিপক্কতা সচরাচর আগে বয় ছেলেদের থেকে। তাই যে সময়ে ব্যাকজন মেয়ে ঘরের ড্রয়িংরুমের সোফাটা কেমন ববে, তা নিয়ে চিন্তা করেনা, তখন ব্যাকজন ছেলে চিন্তা করেনা, এবারের ব্যলন ডিওরটা রোনাল্ডো মেসি পাবে। এছাড়াও ব্যাকজন ছেলের স্বাবলম্বী বতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন বয়, সে সময়ে দেখা যায় অন্যান্য অনেক মেয়েই সন্তানের মা বয়ে গিয়েছে। যার কারণে, যে মেয়েকি সবপাঠীকে বিয়ে করেনাছে বা করবে তাকে বতে বয় অনেক ধৈর্যশীল। ইয়ার্কিও ব্যাককি ব্যাপার, যদিও সবার জন্য প্রযোজ্য নয়, তবুও বল, সবপাঠী বওয়ার কারণে বিয়ের আগেই দুজনের মধ্যে অনেক বেশী জানাশোনা বয়ে যায়, যা বিয়ের পর আকর্ষন ধরে রাখার বিরুদ্ধে কাজ করেনা।
ঘনিষ্ট বন্ধু বা বান্ধবীর বোন বা ভাইঃ
বিয়ের আগে এমন সম্পর্ক থাকলে খুব বেশী করেনা ভাবা উচিৎ। বন্ধু বা বান্ধবীর সাথে আপনার টাক্লু মনের মিল থাকতেই পারেনা, কিন্তু তাই বলে, এইটা ভাবা ভুল যে তার উ র্ব শী বোন বা ভাই এর সাথেও আপনার টাক্লু মনের মিল ববে। কারণ, ব্যাক ব্যাককি মানুষ ব্যাক ব্যাককি সত্ত্বা, রক্তের সম্পর্ক সবসময় মনের প্রতিফলন ঘটায় । ইয়ার্কিও ব্যাককি বিষয়, বিয়ের আগে আপনার টাক্লু বন্ধু বা বান্ধবীকি কিন্তু বিয়ের পরে শুধু আপনার টাক্লু ইয়ার্কি সেই আগের মত বন্ধু বা বান্ধবী থাকে । সে এখন আপনার টাক্লু স্ত্রী বা স্বামীর ভাই অথবা বোনও। ইয়ার্কি বন্ধু বা বান্ধবীর সাথে এমন অনেক ব্যাপার শেয়ার করা বয় যা অন্যদের সাথে সম্ভব নয়, যার ফলে অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্কি বয়, যার প্রভাব দাম্পত্য জীবনে গিয়ে পড়ে।
রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় স্বজনঃ
এই সম্পর্ককির মধ্যে সবচেয়ে বেশী বিয়ে বয়ে থাকে, যেমন চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুপাতো ভাইবোন। এই সম্পর্কে মানসিক অসুবিধার চেয়ে জিনগত কিছু সমস্যা দেখা যায় বেশী। বিশেষ করেনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে। সবচেয়ে বেশী যে বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করতে বয় সেকি বলো, যদি কখনও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক বেশী খারাপ বয় তখন সেকি ইয়ার্কি দুইকি জীবনের মধ্যে থাকে , ক্যান্সারের মতো তা সমস্ত আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে
সম্পূর্ণ অপরিচিতঃ
ব্যাকজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের সাথে বিয়ের মত এমন ব্যাককি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যাওয়ার আগে অন্তত কয়েকশবার ভাবনা চিন্তা করা উচিৎ। শুধু ক্ষণিকের দেখায় বয়তো বা ভালো লাগতে পারেনা, কিন্তু দুজনের মধ্যে যদি অতীতে এমন কিছু থাকে যা ভবিষ্যতে সংসারের জন্য বুমকি স্বরূপ, তবে সে সম্পর্কে যাওয়ার চেয়ে বোধ বয় যাওয়াই ভালো। বিয়েতো ইয়ার্কি জামা কাপড় কেনা , যে এখন ব্যাকটা কিনলেন, দুইদিন পর পছন্দ বলো , কাউকে ব্যববার করতে দিয়ে আবার উর্বশি ইয়ার্কিেকটা কিনে আনলেন। নিজ ধর্মের বাইরে বিয়ে করাঃ সত্যি কথা বলতে, সবচেয়ে বেশী ঝামেলা সব্য করতে বয় এইরকম বিয়ের ক্ষেত্রে। দুইজনের পরিবারই বাতে গোনা দুই ব্যাকটা ঘটনা বাদে কখনই মেনে নেয় । স্বামী-স্ত্রীকে সারাজীবন কাটাতে বয় আত্মীয়-স্বজনদের সান্নিধ্য ছাড়া।

বিয়ের আগে প্রেম ভালবাসা বতেই পারেনা। তবে, অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় প্রেমিক প্রেমিকা ভালবাসা করলেও বিয়ে ইয়ার্কি বয় । সম্পর্কের ভাঙ্গন ধরে। কিছুদিন পর দুজন দুই দিকে চলে যায়, অনেকসময় নতুন সম্পর্ক বয়। আবার উর্বশি কিছুদিন পর মনে বয়, , পূর্বজনই বোধবয় ভালো ছিল। এইক্ষেত্রে ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো মে পরিচিত বিশ্ববরেণ্য তার উ র্ব শীকা জনি ডিপ এর ব্যাকটা বিখ্যাত উক্তি আছে উর্বশী- “যদি তোমার প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকা এবং বর্তমান প্রেমিক-প্রেমিকা থেকে কাউকে বেছে নিতে বলা বয় তবে সবসময় দ্বিতীয়জনকে বেছে নিও। কারণ, প্রথমজন যদি তোমার জন্য উপযুক্তই বতো তবে, তুমি দ্বিতীয়জনের কাছে কখনও যেতে ”।প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকাঃ
আপনার টাক্লু চেয়ে খুব বেশী ধনী বা গরিব কাউকেঃ
এই ধরণের সম্পর্কের বিয়ে, টক সিনেমায় বেশী দেখা যায়। যদিও বাস্তবে অনেক কম, তবুও এই রকম বিয়ে করার আগে ছেলে বা মেয়ের অনেক বেশী চিন্তা করা উচিৎ। অর্থনৈতিকভাবে দুই পক্ষই ভারসাম্যে থেকে যদি কোন উর্বশী ব্যাকপক্ষ মাত্রাতিরিক্ত অবস্থাসম্পন্ন বয় তবে সেটা চিকনর ভাগ ক্ষেত্রেই মনোকষ্টের কারণ বয়। যে পক্ষের অবস্থা ভালো তাদের মধ্যে ব্যাকটু অবংকারবোধ এবং অন্য পক্ষের মধ্যে বীনমন্যতা দেখা দিতে পারেনা। স্বামী-স্ত্রী বয়তোবা নিজেদের মধ্যে এগুলো মিটমাট করেনা ফেলতে পারেনা, কিন্তু আত্মীয়স্বজনেরা অনেক সময় খোটা দিতে পিছপা বয় ।
মিডিয়া ব্যক্তিত্বঃ
আমাদের সবারই স্বপ্নের য়ক বা য়িকা কমচিকন থাকে। তাদের মধ্যে কেউ বা টক সিনেমায় অভিনয় করেনান, কেউ গান গায়, কেউ চে, কেউ কেউ আবার উর্বশি অন্যের পন্যের জন্য করেনা মডেলিং। কেউ বয়তো বা লেখালিখি করেনা, কেউবা করেনা সিনেমা পরিচালনা। এসকল স্বপ্নের মানুষগুলোর সাথে বাস্তব জীবনে সম্পর্কে যাওয়ার আগে ব্যাকটা জিনিস মাথায় রাখা উচিৎ, আপনার টাক্লু মতো ইয়ার্কিও অনেকের স্বপ্নেই কিন্তু উনি আছে উর্বশীন। তাই বিয়ের পরে, ওনার পেশাগত কারণে আপনার টাক্লু প্রতি সময় কম দেওয়া বা ইয়ার্কিও অনেকের সাথে কথা বলা, বিভিন্ন স্থানে যাওয়া, এই বিষয়গুলো যদি আমি মেনে নিতে পারেনান, তবে স্বপ্নের মানুষকে স্বপ্নেই রেখে দিন। বাস্তবে ইয়ার্কি ধরতে যাবেন । অবশ্য ব্যতিক্রম সবক্ষেত্রেই আছে উর্বশী। তাই যদি মানিয়ে নিতে পারেনান তবে, কোন উর্বশী কিছুই কোন উর্বশী সমস্যা । আমরা উর্বশী কিম এআছাড় খানে সমাজে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন স্তরের মানুষের জীবন থেকে যে তথ্য বা উপাত্ত পেয়েছি তার উ র্ব শী উপরেই লেখার চেষ্টা করেনাছি। আমরা চাই, প্রতিকি দাম্পত্য জীবন বোক সুখময়, আনন্দময় এবং মধুময়। তাই, দাম্পত্য জীবন শুরু করার আগে ব্যাকটু ভেবে দেখুন এই বিষয়গুলি।

যে বিষয় গুলো জানিয়ে দেবে আপনি ভুল মানুষকে ভালোবেসেছেন !


প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক আজকাল আর বিয়ে পর্যন্ত গড়ায় না অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। তারপরও একজন সুস্থ স্বাভাবিক মনমানসিকতার মানুষ যখন সম্পর্কে জড়ান, তখন পছন্দের মানুষটির সাথে বিয়ের স্বপ্ন নিয়েই জড়ান। কেউই চান না তার সম্পর্ক ঠুনকো কাঁচের মতো ভেঙে যাক।
কিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন একজন ভুল মানুষকে নির্বাচন করে ফেলেন নিজের জন্য, ভুল মানুষকে ভালোবেসে ফেলেন। আর তখন সেই সম্পর্ক ভেঙে ফেলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। কিন্তু কী করে বুঝবেন আপনার পছন্দ করা মানুষটি ভুল একজন? আজ জেনে নিন কিছু ব্যাপার যা বলে দেবে আপনি ভুল মানুষকে ভালোবেসেছেন।
১) তিনি ভাবেন, তিনি যা চাইবেন তা তাৎক্ষণিক হতে হবে
‘আমার চাই, আমার এখুনি চাই, আমি চেয়েছি তা হতেই হবে’ এই ধরণের মনমানসিকতার মানুষ সম্পর্কের জন্য ভুল মানুষ। কারণ এই ধরণের মানুষেরা কখনোই কম্প্রোমাইজ করতে পারেন না এবং চান না। ফলে সম্পর্কে খুব সমস্যার সৃষ্টি হয়। সুতরাং এমন মানুষ থেকে দূরে থাকুন।
২) তার মনোযোগ পাবার জন্য আপনার অনেক বেশি কষ্ট করতে হয়
দুজনের সমান আকর্ষণ এবং সমান আগ্রহের মাধ্যমে যে সম্পর্কের সৃষ্টি হয় তা একেবারে পারফেক্ট একটি সম্পর্ক। যদি দেখেন আপনার তার মনোযোগ পাওয়ার জন্য অনেক কিছু করতে হচ্ছে তখন বুঝে নেবেন সেই সম্পর্কে শুধু আপনিই আছেন, তিনি নেই। এইধরনের সম্পর্কে ধরে রেখে কষ্ট বাড়িয়ে লাভ নেই একেবারেই।
৩) তিনি অতিরিক্ত মাত্রায় ডমিনেটিং স্বভাবের
যারা অনেক বেশি ডমিনেটিং স্বভাবের হয়ে থাকেন তারা কখনোই সঙ্গীকে প্রাপ্য সম্মান দিতে পারেন না। এই ধরনের মানুষের সাথে সম্পর্ক সুখের হয় না। সুতরাং সাবধান।

জীবন সঙ্গী হিসেবে যাকে নির্বাচন করবেন তাকে নিশ্চয়ই বিয়ে করার পরিকল্পনা থাকে। কিন্তু যদি দেখেন তিনি আপনার বন্ধু ও পরিবারের সাথে মিশতে পারছেন না তখন বুঝে নেয়া উচিত তিনি আপনার জন্য নন। কারণ হতে পারে বিয়ের পর আপনাকে আপনার বন্ধু ও পরিবার একেবারে ছেড়ে দিতে হবে।৪) তিনি আপনার বন্ধু বা পরিবারের সাথে মিশতে পারেন না
৫) তিনি খুব কম সময়েই আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন
আপনার কোনো কথাতেই তার মনোযোগ নেই। তিনি আপনার সাথে দু মিনিট বসে ভালোমতো কথাও বলেন না, শুধু নিজের ধ্যানেই মগ্ন থাকেন। এই ধরণের মানুষের সাথে সময় কাটানো অনেক কষ্টের।
৬) আপনি তাকে নিজের জীবনসঙ্গী হিসেবে এখনো চিন্তা করতে পারেন না
যখন ভবিষ্যতের কথা ভাববেন তখন কি একটিবারের জন্যও মনে হয় তার কথা? যদি তার সকল দোষগুণ একেবারে দূর করে দিয়ে ভাবেন তাহলে কী উত্তর পান ভেবে দেখুন তো। যদি মনে করেন তার সকল দোষ আপনি ভুলতে পারবেন না, তাহলে সেই সম্পর্কে না থাকাই ভালো।
৭) আপনি নিজের খুশিটা বিসর্জন দিচ্ছেন বারবার
তাকে খুশি রাখতে গিয়ে কি হারিয়ে ফেলছেন নিজের খুশি? তার কথা চিন্তা করে এমন কিছু করছেন যা আপনার স্বত্বাকে মেরে ফেলছে দিনের পর দিন? তাহলে সত্যিই আপনি ভুল মানুষ নির্বাচন করেছেন। এই সম্পর্ক থেকে দূরে সরে যাওয়াই উত্তম।
৮) তার আপনার কোনো কিছুর প্রতি আর আগ্রহ নেই
আপনি কী করছেন, কী করলেন, কোথায় আছেন এইধরনের সাধারণ খোঁজ খবরগুলো কি তিনি নেন? যদি তা না নিয়ে থাকেন তাহলে আপনার প্রতি তার আসলেই কোনো আগ্রহ নেই। আর এমন একজন মানুষের সাথে জীবন কাটানো সম্ভব নয় কোনোমতেই।

যে কাজগুলো ঝগড়ার পর সম্পর্ক মধুর করে তুলে !


সম্পর্কে থাকলে দুজনের মধ্যে ঝগড়া, কথা কাটাকাটি বা তর্ক হতেই পারে। এটি খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। কিন্তু সমস্যা তখনই শুরু হয় যখন দুপক্ষ তা ধরে নিয়ে বসে থেকে অনেকটা সময় পার করে দেন। বুকের ভেতর অভিমান জমিয়ে রেখে কষ্ট পেতে থাকেন। এবং এভাবেই দূরত্বের সৃষ্টি হতে থাকে সম্পর্কে। তাই ঝগড়ার পর সম্পর্ক আবার নতুন করে মধুরতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে দুজনকেই। এতে করে দুজনের প্রতি স্রদ্ধাও বাড়বে এবং সম্পর্কও হবে দীর্ঘস্থায়ী।
১) ব্যাপারটি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা
যতো ধরে বসে থাকবেন ততোই সম্পর্কে এর খারাপ প্রভাব পড়তে থাকবে তাই ধরে নিয়ে বসে থাকার মনোভাব বাদ দিন। ঝগড়া যে ব্যাপারটি নিয়েই হোক না কেন তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন সেখানেই। এর রেশ টেনে পড়ে আবার ঝগড়া বাঁধিয়ে ফেলার কোন অর্থ হয় না।
২) দুজনে যে মধুর সময় একসাথে কাটিয়েছেন তা মনে করুন
ঝগড়ার পর মনে হতেই পারে আপনার সঙ্গী আপনাকে একেবারেই ভালোবাসেন না, তার সাথে জড়িয়ে আপনি জীবনে সুখ পেলেন না ইত্যাদি ধরণের কথা। কিন্তু দুজনের একসাথে কাটানো মধুর স্মৃতি মনে করে দেখুন। এইধরনের আজেবাজে কথা মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে নিমেষেই। এতে করে ঝগড়ার পরও মনের মানুষটির সাথে সম্পর্কে টানাপোড়ন সৃষ্টি হবে না।
৩) ভুল যারই হোক দুজনেই দুজনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন
হতে পারে যেকোনো একজনের জন্য আপনাদের মধ্যে ঝগড়া হচ্ছে অথবা দুজনের ভুলের কারণেই, তাই ভুল যারই হোক না কেন সম্পর্কে পুনরায় মধুরতা আনতে দুজনেই দুজনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন। কারণ ভুল যারই হোক না কেন ঝগড়া দুজনেই করেছেন। এতে করে দুজনের মনে দুজনের জন্য নতুন করে ভালোবাসার সৃষ্টি হবে।

জোরাজুরি করে কোনো কিছুই হয় না এই কথা মনে রাখবেন। যদি সঙ্গী আপনার মতো চিন্তা না করতে পারেন তবে আপনি তাকে জোর করে নিজের মতো করে ভাবতে বাধ্য করতে পারবেন না। তিনি যখন সহজ হবেন তখনই তার সাথে কথা বলে বিষয়টি মিমাংসা করে নিন। নতুবা নতুন করে ঝগড়ার সূচনা হবে।
৪) জোর করে কিছুই করবেন না
৫) মনে করুন আপনারা একে অপরকে কতোটা ভালোবাসেন
আপনি নিজেও জানেন আপনারা একজন আরেকজনকে কতোটা ভালোবাসেন। তাই সামান্য ঝগড়ার কারণে হুটহাট রাগের মাথায় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন না। এবং সব চাইতে বড় বিষয় ইগো ধরে বসে থাকবেন না। সম্পর্কে ইগো ধরে বসে থাকলে সেই সম্পর্ক সুখের হয় না এবং দীর্ঘস্থায়ীও হয় না। ভুল করলে ক্ষমা চেয়ে নিন। প্রকাশ করুন একে অপরের প্রতি ভালোবাসা।
৬) অন্যরকম কিছু করুন মনের মানুষটির জন্য
ঝগড়ার পর মনের মেঘ দূর করে ফেলার জন্য এমন কিছু করুন সঙ্গীর জন্য যা নিমেষেই মুখে হাসি ফুটিয়ে দেবে। রাতে ঝগড়া হয়েছে? সকালে একটি ভালোবাসাপূর্ণ ম্যাসেজ পাঠিয়ে দিন সঙ্গীকে। অথবা সকালে ঝগড়া করেছেন তাহলে মিটিয়ে ফেলার জন্য সারপ্রাইজের ব্যবস্থা করে ফেলুন সঙ্গীর জন্য।

ভালোবাসা সম্পর্কে যে অদ্ভুত বিষয়গুলো আপনার একেবারেই অজানা


প্রথম দেখায় প্রেম বা শুধুমাত্র তাকিয়ে থাকলে কি আপনি সম্পূর্ণ অপরিচিত একজনের প্রেমে পড়ে যেতে পারেন তা কি আপনি জানেন? অথবা আপনি জানেন কি নারীরা কেন নিজের প্রেমিক/স্বামীর দিকে অন্য নারীর দৃষ্টি একেবারেই পছন্দ করতে পারেন না? আসলে প্রেম ভালোবাসা সম্পর্কে আমরা অনেকেই অনেক কিছু জানি না। 

প্রেম যদিও হৃদয় থেকে নয় মস্তিষ্ক থেকে আসে তারপরও এর সাথে অদ্ভুতভাবে জড়িত আমাদের হৃদপিণ্ড। জানতে চান প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কে অদ্ভুত কিছু অজানা বিষয়? চলুন তবে দেখে নেয়া যাক আমাদের আজকের ফিচার। জেনে নেয়া যাক ভালোবাসা সম্পর্কে কিছু অদ্ভুত সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার।

১) নারীরা যে কারণে হাস্যউজ্জ্বল পুরুষ পছন্দ করেন সকলেই জানেন নারীরা এমন পুরুষ পছন্দ করেন যারা অনেক বেশি হাস্যউজ্জ্বল। কিন্তু কেন? কৌতুকরস বোধ বা হাস্যরস বোধের সাথে বুদ্ধিমত্তা এবং সততার একটি যোগাযোগ থাকে। সেকারণে নারীরা হাস্যউজ্জ্বল এবং কৌতুকরস বোধ পূর্ণ পুরুষ বেশি পছন্দ করেন।করেন।

২) হাসিখুশি মানুষের প্রতি মানুষ প্রেমে পড়ে থাকেন গবেষণায় দেখা যায়, মানুষ সাধারণত এমন একজনের প্রেমে পড়েন যিনি অনেক বেশি হাসিখুশি থাকেন এবং হাসিখুশি ভাবে জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন। এর কারণ হচ্ছে হাসিখুশি থাকা ব্যাপারটি অনেকটা ছোঁয়াচে ধরণের হয়ে থাকে। 

৩) মেয়েরা যে কারণে নিজের প্রেমিক বা স্বামীর দিকে অন্য কোনো মেয়ের তাকানো পছন্দ করেন না মেয়েরা নিজের প্রেমিক বা স্বামীর দিকে অন্য কোনো মেয়ে তাকালে অনেক বেশি ঈর্ষান্বিত হয়ে যান কেন জানেন? কারণ, সাইকোলজিস্টগণ বলেন, নারীরা একজন পুরুষকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় মনে করেন যখন তার দিকে অন্য নারীরা তাকান। 

৪) প্রতিটি সম্পর্কে ১ বার অন্তত ভাঙন আসে প্রতিটি সম্পর্কে ১ বার ভাঙন আসে যখন সম্পর্কটি ৩ মাস কিংবা ৬ মাস পর্যন্ত গড়ায়। যদি এই ভাঙন দুজনে মিলে ঠিক করে নিতে পারেন তবে তা দীর্ঘমেয়াদী হয় নতুবা সেখানেই দুজনের পথ আলাদা হয়ে যায়। 

৫) হৃদয় ভাঙার ব্যাপারটি শারীরিকভাবে সত্য অনেকেই বিচ্ছেদের ব্যাপারটিকে মজা করে বলে থাকেন ‘হৃদয় ভেঙে যাওয়া’। কিন্তু সত্যিকার অর্থেই কিন্তু হৃদয় ভেঙে যায় বিচ্ছেদ হলে। গবেষণায় দেখা যায় ব্রেকআপ, ডিভোর্স বা ভালোবাসার মানুষটির কাছ থেকে দূরে যাওয়া হৃদপিণ্ডে প্রচণ্ড প্রদাহ এবং ব্যথার সৃষ্টি করে। ডাক্তারগণ এর নাম দিয়েছেন ‘ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম’।

৬) প্রথম নজরে প্রেম সত্যিকার অর্থেই হয় প্রথম দেখায় প্রেম এবং কারো দিকে তাকিয়ে থাকলে প্রেমে পড়ার বিষয়টি সত্যিকার ভাবেই রয়েছে। সাইকোলজিস্টগণ বলেন কারো দিকে একটানা তাকিয়ে থাকা বা প্রথম দেখায় অনেক বেশি আকর্ষণ বোধ করার ব্যাপারটি আমাদের মস্তিষ্কের কাজ। আমরা খুব আগ্রহ নিয়ে কারো দিকে তাকালে আমাদের দেহে ‘ফেনাইলথেলামাইন’ নামক একটি কেমিক্যালের নিঃসরণ ঘটে যার ফলে আমাদের মস্তিষ্ক তার প্রতি আকর্ষণবোধ করে।

৭) চোখের আড়াল হলে মনের আড়াল হওয়ার ব্যাপারটি সঠিক চোখের আড়াল হলে মনের আড়াল হওয়ার ব্যাপারটিরও সত্যতা পাওয়া যায়। সাইকোলজিস্টগন বলেন আমরা শুধুমাত্র তখনই একজনের প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণ বোধ করি যখন অনেকটা সময় কাছাকাছি কাটিয়ে দেয়া হয়। কারো প্রতিদিন চোখের সামনে থাকা এবং শারীরিক ভাবে পাশে থাকা মনের ওপর প্রভাব ফেলে যা দূরে চলে গেলে অনেকাংশে দূর হয়ে যায়।

কীভাবে বুঝবেন ছেলেটি বিয়েতে আগ্রহী, নাকি শুধুই প্রেমে ?



প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর সময় প্রত্যেকেই ভাবেন তাদের সম্পর্কটিতে আসবে সুখের একটি পরিনতি। একটি সঠিক এবং ভালো প্রেমের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বিয়ে অবধি গড়ায়। কিন্তু সব ভালোবাসার সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়াতে পারে না। এর মধ্যে হতে পারে দুজন দুজনকে বুঝতে পারার সমস্যা, পারিবারিক বা সামাজিক নানা ঝামেলা ইত্যাদি। কিন্তু সব চাইতে কষ্টের যে ব্যাপারটি ঘটে তা হলো একপক্ষের ধোঁকা।
অনেক সময়েই দেখা যায় একটি ছেলে একটি মেয়েকে শুধুমাত্র প্রেমিকা রূপে পছন্দ করেন, কিন্তু তাকে বিয়ে করতে চান না। সত্যি বলতে কি, ছেলেরা প্রেমিকা হিসেবে যে ধরণের মেয়ে খুঁজে থাকেন, বিয়ে করার জন্য তেমন মেয়ে চান না। ফলে মেয়েরা অনেক সময় নিজের প্রেমিককে বিয়ে করতে চাইলেও তার প্রেমিকটি পিছিয়ে আসেন। তখন মেয়েটি পড়ে যান নানান সমস্যায়। কীভাবে বুঝবেন আপনার প্রেমিক বিয়েতে আগহী নাকি শুধুই প্রেমে? এই পার্থক্য আচার আচরণ এবং কাজের মাধ্যমেই প্রকাশ পায়। দরকার শুধু বুঝে নেয়ার।

কথাবার্তার ধরণ

যিনি আপনার সাথে শুধুমাত্র প্রেমের সম্পর্ক রাখতে চাইবেন তিনি কখনোই ভবিষ্যতের কথা বলতে চাইবেন না। বললেও অনেক ভাসা ভাসা এক ধরণের কথা বলবেন। কোনো ধরণের কমিটমেন্টে যেতে চাইবেন না। তিনি চাইবেন চলতে থাকুক সম্পর্ক, পরে দেখা যাবে কী করা যায়।
অপরপক্ষে যিনি চাইবেন আপনাদের সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়াক, তিনি আপনাকে নিয়ে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করবেন। নিজে থেকেই কীভাবে কথা এগিয়ে নিয়ে আসা যায় তা চিন্তা করে আপনাকে বলবেন।

ঝগড়ার ধরণ

যে কোনো সম্পর্কে ঝগড়া একটি সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে ঝগড়ার ধরণ এবং ঝগড়ার বিষয়বস্তু। যিনি আপনাকে প্রেমিকা হিসেবেই দেখবেন তিনি সব সময় আপনার ওপরে থাকতে চাইবেন। তখন দুজনের ঝগড়া হবে খুব সামান্যতেই। ছোটোখাটো যে কোনো ব্যাপারে। তিনি মেনে নিতে পারবেন না আপনার মুখে মুখে উত্তর দেয়া বা আপনার রাগ।
কিন্তু যিনি আপনাকে বিয়ে করার কথা চিন্তা করবেন তিনি আপনাকে বোঝার চেষ্টা করবেন। তিনি জানতে চাইবেন আপনার রাগের আসল কারণ এবং তিনি আপনার কোনো কথা ধরে নিয়ে বসে থাকবেন না। মোট কথা তিনি মেনে নিতে পারবেন আপনাকে।

আপনার সৌন্দর্য নিয়ে তার চিন্তা

যিনি আপনাকে একজন প্রেমিকা হিসেবে পেতে চাইবেন তিনি আপনার সৌন্দর্যের দিকটা বেশি করে লক্ষ্য রাখবেন। আপনাকে কোন দিন দেখতে ভালো লাগেনি বা আপনার কোন পোশাকে আপনাকে খ্যাত লাগে তাই তার কাছে মুখ্য বিষয় থাকবে। কারণ ছেলেরা প্রেমিকা হিসেবে অনেক স্মার্ট এবং সুন্দরী খুঁজে থাকেন।
যিনি আপনাকে বিয়ে করতে চাইবেন তার কাছে আপনি যেমনই থাকুন না কেন তার মধ্যেই স্নিগ্ধতা খুঁজে পাবেন। আপনি কী চিন্তা করেন সেটা তার কাছে মুখ্য থাকবে। আপনাকে আজকে মোটা বা বাজে দেখাচ্ছে কিনা তা নিয়ে তিনি মোটেই চিন্তিত থাকবেন না।

পরিচিতি পাওয়া

যিনি শুধুমাত্র আপনার প্রেমিক হিসেবেই নিজেকে দেখতে চান তার কাছে আপনার পরিবার, আপনার বন্ধুবান্ধব কোনো কিছুই মুখ্য ব্যাপার নয়। তিনি কারো সাথে পরিচিত হতে চাইবেন না। এমনকি নিজের বন্ধুবান্ধবের সার্কেল এবং পরিবারের সাথে আপনার পরিচয় করাবেন না।
যার চিন্তা আপনাকে নিয়ে সংসার করার তিনি চাইবেন বিয়ের পর আপনি যাতে তার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সাথে মিলে চলতে পারেন। আর সেজন্যই তিনি আগে থেকেই সকলের সাথে আপনাকে বিনা দ্বিধায় পরিচয় করিয়ে দিতে পারবেন।

আপনার পছন্দ অপছন্দ

প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে সব চাইতে বেশি ঝগড়া হয় নিজেদের পছন্দ অপছন্দ নিয়ে। বিশেষ করে একজন প্রেমিক কখনোই তার প্রেমিকার পছন্দ অপছন্দের কথা মাথায় রাখতে পারেন না যদি না তিনি সম্পর্কের ব্যাপারে সিরিয়াস হন। কথার মাঝে অপ্রাসঙ্গিক কিছু বলে প্রেমিকার কথা শুনতে চান না একেবারেই।
যিনি আপনাকে বিয়ে করতে চাইবেন তিনি সব সময় চাইবেন আপনার পছন্দ অপছন্দের গুরুত্ব দিতে। আপনি কি বলছেন, আপনি কি বলতে চাইছেন তার প্রতি তিনি খুব ভালো নজর রাখবেন।

কী ভাবে বুঝবেন মেয়েটি আপনার সাথে প্রেম করতে আগ্রহী !



নারী-পুরুষের পরস্পরকে ভালো লাগবে, কাছে আসা হবে, প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। তবে কথায় বলে না, নারীর মন স্বয়ং দেবতারাও বোঝেন না! ঘটনা আসলে অনেকটাই সত্য। নারী কী ভাবছেন আর কী চাইছেন, সেটা অনেক পুরুষের জন্যই বুঝে ওঠা অত্যন্ত কষ্টকর। কীভাবে বুঝবেন কোন মেয়ে আপনার সাথে প্রেম করতে আগ্রহী কিনা? কিংবা কোন মেয়ে আপনার প্রেমে পড়েছে কিনা? জেনে নিন ১০টি লক্ষণ।
১) পুরুষেরা যেমন প্রেমে পড়লে হুট করে বলে ফেলতে পারেন, মেয়েরা কিন্তু তেমনটা নয়। হুট করে বলার বদলে বরং তিনি ইঙ্গিত দিয়ে কথা বলবেন। যেমন, আপনি কেমন স্ত্রী চান কিংবা কেমন প্রেমিকা আপনার পছন্দ ইত্যাদি প্রশ্ন করবেন বারবার।
২) বিয়ে করতে চান, জীবনে সেটল হতে চান, এমন স্বামী চান বা নিজের সংসার এমন চান ইত্যাদি গল্প অনেক বেশি করবেন সেই মেয়েটি; যিনি আপনার সাথে প্রেম করতে আগ্রহী।
৩) প্রায়ই জানাবেন যে তিনি বেশ ভালো রান্না করেন আর সকলে তার রান্নার প্রশংসাও করে। শুধু তাই না, তিনি নিজের হাতে আপনাকে এটা-ওটা তৈরি করে খাওয়াতেও আগ্রহ বোধ করবেন আর আপনি প্রশংসা করলে খুবই খুশি হয়ে যাবেন।
৪) যখন আপনার সাথে দেখা হবে, তিনি খুব পরিপাটি হয়ে ও সেজেগুজে আসবেন। আর আপনি একটু তাকালে বা প্রশংসা করলে লজ্জায় লাল হবেন।
৫) আপনি তাকে ফোন করলে বেশিরভাগ সময়ই দেরি না করেই কল রিসিভ করবেন আর তাকে অনেক উচ্ছসিত শোনাবে স্বাভাবিকের তুলনায়।
৬) আপনি ও আপনার জীবনের ব্যাপারে তিনি অনেক প্রশ্ন করবেন, নিয়মিত খোঁজ খবর নেবেন। আপনি খেয়েছেন কিনা, সব ঠিক আছে কিনা ইত্যাদি তুচ্ছ ব্যাপারেও তার অনেক আগ্রহ থাকবে।
৭) আপনার সংস্পর্শে তিনি নার্ভাস আচরণ করবেন যার সাথে মিশে থাকবে অনেকটা মিষ্টি লজ্জা।
৮) আপনার সাথে সময় কাটাতে তিনি সর্বদাই আগ্রহী হবেন। এবং শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও তিনি আপনার জন্য সময় বের করে নেবেন।
৯) আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী এবং আপনার আর্থিক বিষয়ে তিনি জানতে আগ্রহী থাকবেন।
১০) নিজের পরিবার ও বন্ধুদের সাথে আপনাকে পরিচয় করিয়ে দিতে তিনি আগ্রহী হবেন।

জেনে নিন, দীর্ঘ দাম্পত্য রক্ষার সহজ উপায় !


সবারই আশা থাকে সুখী ও দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমছে এর বাস্তব উদাহরণ। বেড়ে চলছে বিবাহবিচ্ছেদের সংখ্যা। তুচ্ছ কারণে শুরু হচ্ছে সম্পর্কের টানাপোড়েন। সুখী সমৃদ্ধ ও দীর্ঘ দাম্পত্য যেন সুদূর দীপবাসী। কিন্তু বাস্তব সত্য হল, সামান্য মানসিকতার পরিবর্তনে তা আসতে পারে আপনার হাতের ছোঁয়ার নাগালেই। আসুন জেনে নেয়া যাক দীর্ঘ দাম্পত্য রক্ষার সহজ উপায়।
  • রোমান্সে হোন রঙিন

একই সঙ্গে বসবাস করছেন অথচ আপনাদের রোমান্সে পড়েছে ঘাটতি। প্রথম দিকে এর কুপ্রভাব টের না পেলেও যেদিন এ্যটোম বোম ফাটবে সেদিন টের পাবেন। বুঝবেন এর ভয়াবহতা কতো। কারণ দীর্ঘদিন আপনার সঙ্গীর শারীরিক মানসিক চাহিদার প্রতি গুরুত্বহীনতা মোটেও কাম্য নয়। এতে একে অপরের প্রতি অনাস্থা আর বিতৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয়। যৌন ও মানসিক চাহিদা মিটাতে সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত হতে পারে। ঝগড়া বিবাদ হতে পারে নিত্যদিনের সঙ্গী। তাই সঙ্গীর সঙ্গে রোমান্স করুন। তাকে সাধ্য মতো ভালো লাগা উপহার দিন। তার চাহিদা বোঝার চেষ্টা করুন।
  • পারস্পারিক মেলবন্ধন

সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগের ঘাটতি হলে ধীরে ধীরে তা সমূলে সম্পর্ককে ধ্বংস করে। সেটা জেনেই ঘাটতি হোক আর না জেনেই ঘাটতি হোক । দাম্পত্য জীবনে একে অপরের কাছে স্বচ্ছতার বিষয়টি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখা জরুরি। পেশাগত ব্যস্ততা, সন্তান লালন-পালন, শরীরচর্চা, ঘরের কাজ কিম্বা সামাজিক কাজ নিয়ে শত ব্যস্ততার মাঝেও তার জন্য কিছু সময় অবশ্যই বরাদ্দ রাখুন। মূল্যবান এ সময়টুকু ব্যয় করুন একেবারেই নিবিড় অন্তরঙ্গে। সেসময় শুধু তার গুরুত্বই বজায় রাখুন। সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলুন মন খুলে।
  • একে অপরের প্রাধান্য দেয়া

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টদের মতে, ভালোবাসার মূল্য বা গভীরতা পরিমাপ করা সম্ভব নয়। তবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আর প্রাধান্যই পারে সে সম্পর্ককে মজবুত করতে। সঙ্গীকে শ্রদ্ধা করলে বন্ধন দৃঢ় হয়। সম্পর্কের স্থায়িত্ব বাড়ে প্রাধান্য দেয়ায়। তাই যাকে আপনি বিয়ে করেছেন, অবশ্যই তাকে জীবনের অপরিহার্যের সম্মান দিন। সঙ্গীর অনুভূতি ও সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করতে শিখুন। তবে নৈতিকতার উর্ধ্বে কারও যাওয়া ঠিক নয়। অর্থাৎ দুজনেই নৈতিকতা বজায় রেখে নিজেদের সম্পর্ক ধরে রাখুন। দেখবেন দাম্পত্য আরও মধুর হয়ে গেছে।

  • অনেকের ধারণা

ছাড় দেয়ার অর্থ নিজের দুর্বলতা প্রকাশ। এ জন্য কোনো অবস্থাতেই তারা সমঝোতার পথে আসতে রাজি নন। বাস্তবতা হল, জীবনে চলার পথে সব দম্পতিকেই অসংখ্য সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কখনো দুজন দুটি ভিন্ন মতের মাঝে আপনাকে দাঁড়াতে হয়। সব সময় নিজের মতকে প্রাধান্য না দিয়ে সঙ্গীর মতামতকে ভালোমন্দের মানদণ্ডে মাপুন। দুজন মিলে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিন, যাতে আপনারা দুজনই খুশি থাকতে পারেন।ছাড় দেয়ার মানসিকতা
  • অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা

নিজেদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আপনি নির্দিষ্ট কোনো খাতে টাকা জমাতেই পারেন। গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টি আপনার সঙ্গীকে জানানোও কিন্তু সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও টাকা বিনিয়োগ করলে কিম্বা বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের টাকা ধার দেয়ার প্রয়োজন পড়লে সঙ্গীর কাছে লুকাতে যাবেন না। না হলে সঙ্গী অন্য মাধ্যমে জেনে বিচলিত হতে পারেন। আপনার ওপর থেকে তাঁর বিশ্বাস ও আস্থা হারিয়ে যেতে পারে। এতে করে অযথাই সম্পর্কে ভাঙন ধরতে পারে।
  • সঙ্গীর মন রক্ষা

বিয়ের পর শ্বশুর-শাশুড়ি কিম্বা সঙ্গীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বন্ধন দৃঢ় করার চেষ্টা করুন। কাজটি সহজ মনে হলেও আদতে বেশ কঠিন। কোনোভাবেই যদি আপনি সঙ্গীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সহজ হতে না পারেন, তাহলে অন্তত তাদের সঙ্গে আন্তরিক ব্যবহার করুন। মাঝেমধ্যে একসঙ্গে ভোজের ব্যবস্থা করতে পারেন। মনে রাখবেন, দাম্পত্য জীবনে এই আচরণ সঙ্গীর মনে ইতিবাচক ধারণা দিতে সক্ষম।

জেনে নিন, যে ধরনের মানুষের হাত ধরে চোখ বুঁজে চলা যায় !



বোধ ও বুদ্ধির সঙ্গে দায়িত্বশীলতার অনুভূতি জাগে দাম্পত্য জীবনে। এই জীবনে প্রতিটি মানুষের কর্মদক্ষতার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পাওয়া, তা ভোগ করা
এবং কর্তব্য পালনেরও সুযোগ আসে। জীবনের এই মোক্ষম সময়ে দরকার হয় একজন উপযুক্ত সঙ্গীর। যার সঙ্গে জীবনের সুখ-দুঃখের প্রতিটি মুহূর্ত পার করা যায়, বিশ্বস্ততার সঙ্গে হাত ধরে পথ চলা যায় চোখ বুঁজে। এমন একটি মনের মানুষের সন্ধান পেতে সঙ্গীর আচরণের যে দিকগুলো অবশ্যই জানতে হবে তা হলো-
  • মনকে বিচার করা

রূপ সৌন্দর্য অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু জীবনে চলার পথে এর চেয়েও জরুরি একজন ভালো মনের মানুষ। কেননা দৈহিক সৌন্দর্যের কদর শুধু চোখে, আর মনের সৌন্দর্যের কদর থাকে হৃদয়ে। যে পুরুষ একজন নারীকে কেবল সৌন্দর্যের খাতিরে ভালোবাসেন, তিনি অপেক্ষাকৃত সুন্দরীকে পেলে বর্তমান সঙ্গীকে ভুলে যাবেন নিশ্চিত। তাই সেই পুরুষ উত্তম, যিনি দৈহিক সৌন্দর্যের বাইরে মানুষ হিসেবে আপনার মনকে প্রাধান্য দিতে জানেন। শুধু আপনাকে নয়, পারিপার্শ্বিক অন্যান্যকে তিনি কতোটা গুরুত্ব দেন সেটা দেখলেও আপনার আন্দাজ করতে সুবিধা হবে।
  • সম্পর্কের সত্যতায় বিশ্বাসী

বাস্তবে এবং আবেগে সোজা সাপটা মানুষগুলো সঙ্গী হিসেবে খুবই ভালো হয়। আপনাকে সবার সামনে সম্মান দিতে কোনো কুণ্ঠা থাকে না তার। নিজের সব বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গেই আপনাকে নিয়ে আলোচনা করেন। সহধর্মীনী করে আপনার স্থান থাকে ওপরে, যা সবার সামনে এবং আড়ালে সমান থাকে।

সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে পুরুষ কথায় এবংbকাজে সৎ থাকতে ভালোবাসেন, তারা অন্তত প্রতারক নন। তার ভালোবাসার সহজ প্রকাশ থাকে। মনে জমা থাকে না কোনো ক্ষোভ, যা বলার সামনেই বলে দেন। এমন পুরুষ পেলে চোখ বুঁজে কাটিয়ে দিন জীবনের শেষ পর্যন্ত।মনের ভেতর বাহির এক
  • ভালোবাসার অস্তিত্ব শিকার

অনেকেই আছেন, যারা নিজের প্রেমিকা বা স্ত্রীকে আত্মীয় বা বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে লজ্জা পান, বা ইচ্ছা করেই এটা করেন। এই ধরণের পুরুষের সম্পূর্ণ বিপরীত মানুষটাই আসলে স্বামী বা প্রেমিক হিসাবে আদর্শ। যিনি নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকাকে কারো সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে বা নিজেদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করতে লজ্জিত বোধ করেন না।
  • পরিবারই তার সুখের ঠিকানা

যে পুরুষের সুখের একমাত্র ঠিকানা তার পরিবার অর্থাৎ স্ত্রী, পরিজন ও সন্তানকে ঘিরে। যে পুরুষ সুখ বলতে বোঝেন সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা। সবকিছুর ওপরে যার কাছে স্ত্রী-সন্তান ও পরিবার, এমন পুরুষকে পেয়ে যে কোন নারী জীবনই ধন্য হতে পারে।

জেনে নিন, যে কারণে প্রেমের সম্পর্কটি ভেঙে ফেলাই মঙ্গল !

 

৬ কারণে প্রেমের সম্পর্কটি ভেঙে ফেলাই মঙ্গল! I কিছুদিন ধরেই সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না। কথায় কথায় ঝগড়া হচ্ছে তার সাথে। আর ঝগড়া হলেই বিচ্ছিরি অবস্থা হয়ে যাচ্ছে সম্পর্কের। কথা নেই, বার্তা নেই রাস্তাঘাটে মানুষজনের সামনেই ঝগড়া করার মত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু আগে তো এমন ছিলো না সম্পর্কটা! কত মিষ্টি সম্পর্ক ছিলো আগে। ঝগড়া হওয়া দূরে থাক সারাক্ষণই কথা বলা আর হাসাহাসি করে সময়গুলো কেটে যেত। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে দুজনেই যেন আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে সম্পর্কের প্রতি। একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে সম্পর্কটি। এমন পরিস্থিতিতে না পারা যাচ্ছে সম্পর্ক রাখতে, আবার না পারা যাচ্ছে সম্পর্ক ভাঙতে!
প্রেমের সম্পর্কে যখন ভালোবাসার অস্তিত্ব থাকে না এবং নিয়মিত অশান্তি ও ঝগড়া ঝাঁটি লেগেই থাকে তখন তা ভেঙে ফেলাই ভালো এবং তা দুজনের জন্যই জরুরী। কারণ এই সম্পর্কটিকে বিয়ে পর্যন্ত গড়িয়ে নিয়ে গেলে সারাজীবন অশান্তিতে জ্বলতে হবে। তাই সময় থাকতেই সম্পর্কটিকে ভেঙ্গে ফেলে নতুন করে জীবন শুরু করা উচিত। কিন্তু সম্পর্ক ভাঙার ক্ষেত্রে অনেকেই দ্বিধাগ্রস্ত থাকে। সম্পর্ক ভাঙা উচিত হবে কিনা, কখন বোঝা যাবে সম্পর্কটা ভাঙা উচিত ইত্যাদি নানান রকম প্রশ্ন ঘোরে মনের মাঝে। জেনে নিন কোন লক্ষণ গুলো দেখা দিলে ভেঙে ফেলা উচিত আপনাদের প্রেমের সম্পর্কটি।
সম্পর্কিত আরো পোস্ট

১)বাজে ভাবে ঝগড়া ও গালাগালি
প্রেমিক-প্রেমিকার মাঝে ছোটখাটো ঝগড়া হতেই পারে। কিন্তু তা যদি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়ায় এবং খুব বাজে ভাবে ঝগড়া হয় তাহলে সম্পর্ক টিকিয়ে না রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে যদি নিয়মিত উচ্চস্বরে ঝগড়াঝাটি, মারামারি কিংবা গালা গালির মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তাহলে বুঝবেন এই সম্পর্কটি ভেঙে ফেলাই উচিত আপনার জন্য। গালাগাল করা কখনো ভালোবাসার প্রকাশ হতে পারে না।
প্রেমের সম্পর্কে যে কোনো একজনের প্রতারণা ধরা পড়লে সেই সম্পর্কটি ভেঙে ফেলাই উচিত। প্রেমিক/প্রেমিকা একবার প্রতারণা করলে তাকে আর সুযোগ দেয়াটা রীতিমত বোকামি। কারণ হাজার বার মাফ চাইলেও আপনি তাকে আর বিশ্বাস করতে পারবেন না। ফলে সম্পর্কে সন্দেহ ঢুকে যাবে এবং অশান্তি সৃষ্টি হবে। তাছাড়া যে একবার করতে পারে সে বারবার পারে।২)প্রতারণা
৩)যোগাযোগের অভাব
প্রেমের প্রথম সময় গুলোতে স্বাভাবিক ভাবেই অনেক বেশি যোগাযোগ হয়। কিন্তু ধীরে ধীরে তা কিছুটা কমে যায়। কিন্তু যোগাযোগের পরিমাণ যদি অস্বাভাবিক ভাবে কমে যায় তাহলে সেটা অবশ্যই ভেবে দেখার মত বিষয়। কারণ দুজনের সাথে দুজনের দেখা করা ও কথা বলার ইচ্ছাটা অনুভূতির ব্যাপার। তাই যোগাযোগ একেবারেই কমে গেলে বুঝে নিতে হবে দুজনের প্রতি দুজনের আগ্রহ কমে গিয়েছে। এক্ষেত্রে সম্পর্কটি টিকিয়ে না রাখাই ভালো।
৪)ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করতে দ্বিধা
দুটি মানুষ প্রেম করা মানেই এক সঙ্গে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখা। কিন্তু আপনাদের সম্পর্কটা যদি এক সঙ্গে নিশ্চিন্ত ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করার মত না হয় তাহলে সম্পর্কটাকে এগিয়ে নেয়াটা ভুল হবে।
৫)নিজেদের মধ্যে লুকোচুরি
প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে যদি যে কোনো একজন লুকোচুরি করে তাহলে সেই সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। দুজনের কাছে দুজন স্বচ্ছ না থাকলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং মনে সন্দেহের জন্ম হয়। ফলে সেই সম্পর্কটি টিকিয়ে রাখা মুশকিল হয়। সম্পর্কের ক্ষেত্রে যদি দুজন দুজনের কাছে স্বচ্ছ না থাকে তাহলে সেই সম্পর্কটি ভেঙে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
৬)একঘেয়েমী ও বিষন্নতা
প্রেমের সম্পর্কে যদি একঘেয়েমী ও বিষণ্ণতা ভর করে তাহলে সেই সম্পর্ক ভেঙে ফেলুন। কারণ এই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখলে নিজের মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 

মেয়েদের বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হওযার কারন !


বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার ফলাফল খুব বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। এতে নারীর মানসিক যন্ত্রণাই শুধু বাড়ে না, তার চরিত্র ও ব্যক্তিত্বে পড়তে পারে কলঙ্কের কালি। তবে বিবাহিত হোক না নাই হোক, কোনো পুরুষের প্রতি ভালোলাগা তৈরি হতেই পারে। কিন্তু বিবাহিত পুরুষ হলে তা সত্যিই সমস্যা। এসব ক্ষেত্রে খুব কম সময়ের মোহ বা জীবন উপভোগের সুযোগ থাকলেও ভবিষ্যতে ভালো কিছু আসেনা। তাই এমন সমস্যায় নারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা নারীদের ৭টি টিপস দিচ্ছেন। বিবাহিত পুরুষদের প্রতি মোহ জন্মালে এই টিপসগুলো সাহায্য করবে আপনাদের।
১. পরিস্থিতি অতি নাটুকে করবেন না
আকর্ষণ সহজাত প্রবৃত্তি থেকে আসে। অপরিচিত বা অল্প পরিচিত বা পরিচিত বিবাহিত পুরুষের প্রতি আপনার ভালোলাগা জন্মাতেই পারে। কিন্তু মনের এ আবেগকে রোমিও-জুলিয়েটের মতো নাটকীয় করে তুলবেন না। বিষয়টিকে এভাবে নিন, বিবাহিত পুরুষটির প্রতি যে আকর্ষণ অনুভব করছেন তা সাময়িক এবং অবিবাহিত কোনো মনের মতো পুরুষ না আসা পর্যন্ত এ আকর্ষণ থাকবে। আপনার জন্য কেউ না কেউ আছেন যার দেখা এখনো মেলেনি। তার দেখা পেলেই বর্তমানের ভালোলাগা চলে যাবে।
২. মুদ্রার ওপিঠটিই বেশি ভালো
মেনে নেওয়া গেলো যে, আপনি যে বিবাহিত পুরুষের প্রেমে পড়েছেন তিনি সুদর্শন, ব্যক্তিত্ববান, রুচিশীল পুরুষ; ঠিক যেমনটি আপনি চেয়েছেন। কিন্তু ওই মানুষটি আপনার নন, তিনি অন্য কারো একান্তজন। কাজেই আপনার একচেটিয়া ভালোবাসায় তার কাছ থেকে আপনি কিছুই পাবেন না। কাজেই যে একা মানুষটি আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন তার কাছ থেকে অন্তত ভালোবাসার প্রতিদান পাবেন আপনি।
৩. তার বাঁধনে নিজেকে জড়াতে দিবেন না
বহু পুরুষ আছেন যারা বিয়ের পরও আগের জীবনের প্রেম-ভালোবাসা বরাবরের মতোই চালিয়ে যান। এসব ক্ষেত্রে তারা স্ত্রীর কাছে আদর্শ স্বামী সেজে থাকেন, ওদিকে অন্য নারীর কাছে অসুখী বিবাহিত জীবনের নানা গল্প ফেঁদে আপনার দুর্বল মানসিকতার সুযোগ নেবে। কিন্তু দেখবেন, তার প্রতি আপনার ভালোবাসা তাকে বিবাহিত জীবন থেকে ফিরিয়ে আনবে না। কাজেই এ পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রেখে তার কাজ-কারবার খেয়াল করুন। বরং ভেবে দেখুন, যে নারী এই পুরষটিকে বিয়ে করেছেন, তিনি কতোটা ঠকছেন এবং সৌভাগ্যের বিষয় সেই নারীটি আপনি নন।
৪. নিজেকে ‘অন্য এক নারী’ বানাবেন না
বিবাহিত পুরুষ অন্য মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশা চালিয়ে গেলে বুঝতে হবে তিনি এমনই। আপনি তার কাছে স্রেফ অন্য আরেক নারী। এমন আরো অনেকজনই তার রয়েছে। আপনাকে ছাড়াও অন্য নারীর সঙ্গে তার ডেটিং বন্ধ থাকবে না। কাজেই তার কাছে নিজেকে অন্য এক নারীর পরিচয়ে পরিচিত হওয়ার সুযোগ দিবেন না।
৫. আবেগপ্রবণ আচরণকে উস্কে দিবেন না
আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে তার নানা প্রেমময় মেসেজ, খুনসুটি, বেড়াতে নিয়ে যাওয়া বা গিফট করা ইত্যাদি কাজে দুর্বল হবেন না। এসবে গুরুত্ব দিয়ে তার সুযোগ আরো বেড়ে যাবে। ভেবে দেখুন, আপনার পছন্দের বিবাহিত পুরুষটি এমন এক মানুষ যে কিনা তার স্ত্রীর সঙ্গে অনবরত প্রতারণা করে যাচ্ছে। ওই পুরুষ যদি ব্যক্তিত্ববান হন, তবে দেখবেন তিনি আপনার এই আচরণের প্রতিবাদ করছেন না এবং তিনি সরে যাবেন। কিন্তু যদি না করেন, তবে বুঝবেন আপনাকে তার শিকার বানানোর প্রক্রিয়া চলছে।
৬. আপনার মনের মতো নন
স্বল্প পরিচিত বিবাহিত পুরুষ হলে সেক্ষেত্রে আপনি অনায়াসেই এই চিন্তাটি করতে পারেন। যে কারণে তাকে ভালো লাগছে তা যে ওই মানুষটির মধ্যে সত্যিই রয়েছে, সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত নন। তিনি হয়তো স্রেফ ধোঁকাবাজ পুরুষ অথবা খুব বাজে কোনো উদ্দেশ্য ধারণ করেন অথবা এটা তার নেশা। মোটকথা, তাকে আপনি কখনোই সেরার সার্টিফিকেট দিতে পারেন না। তাকে চেনার জন্য সময় দেওয়ারও প্রয়োজন নেই। এই সময়টা আপনি অন্য আপনার স্বপ্নের পুরুষটির জন্য অপেক্ষায় ব্যয় করতে পারেন।
৭. বিবেকের সঙ্গে সততা নিয়ে বোঝাপড়া করুন
বিবাহিত কোনো পুরুষের প্রতি প্রেম জন্মানোটা অপরাধ নয়। তার ওষুধ আপনাকে ওপরের টিপসগুলোতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যদি এমন হয় যে, একের পর এক বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন আপনি, তবে নিজেকে নিয়ে চিন্তার বিষয় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্জনে নিজের বিবেকের সঙ্গে কথা বলুন। এমন কেনো হয় আপনার? দুই একাকী নর-নারী পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্বশীলতা এবং সততা নিয়ে জুটি গড়ে। আপনি কী এই দায়িত্বশীলতা এবং সততার ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে চান? তাই বিবাহিত পুরুষকেই নিরাপদ মনে হয়? যদি এমনই হয়, তবে নিজেকে নিজের কাছে পরিষ্কার করে নেওয়াটা জরুরি। সৎ, দায়িত্বশীল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ সম্পর্ক আপনাকে সেই আবেগ-অনুভূতি দিবে যার জন্য আপনি সম্পর্কে জড়ান।

যে ধরনের পুরুষেরা সুখে ভরিয়ে দিতে পারেন নারীর জীবন


 : পুরুষ বিদ্বেষী অনেক নারীই পুরুষের নামে একাধিক অভিযোগ করেন৷ তাদের মতে একজন পুরুষ আনায়াসেই নারীর জীবন নষ্ট করে দিতে পারেন৷ কিন্তু তাই বলে সব পুরুষই যে নারীকে কেবল কষ্টই দিয়ে যান তা কিন্তু একেবারেই নয়৷ একজন পুরুষ যেমন নারীকে কষ্ট দিতে পারেন আবার তেমনই একজন পুরুষই নারীর জীবন সুখে ভরিয়ে দিতে পারেন৷ জেনে নিন সেই পুরুষদের সম্পর্কে৷
• প্রথম আকর্ষণের ক্ষেত্রে অবশ্যই সৌন্দর্য একটা জরুরী বিষয়৷ কুন্তু জীবন চলার পথে যিনি সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দেননা তিনিই আদর্শ পুরুষ৷ কারণ সৌন্দর্য একেবারেই সাময়িক৷ যে পুরুষ কেবল সৌন্দর্যের কারণেই নারীকে ভালোবাসেন তিনি আরও সুন্দরী কাউকে দেখলে তার প্রেমে পড়বেন সেটাই স্বাভাবিক৷ নারীকে সুখী করতে পারেন একমাত্র সেই ধরণের পুরুষ যারা শারীরিক সৌন্দর্যের তুলনায় নারীর মানসিক সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দেন৷
• জীবনে যারা সোজা সাপটা ভাবে চলেন যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তারা তেমনই হন৷ যে পুরুষ সম্পর্কে সৎ থাকেন তাদের কাছ থেকে নারীর প্রতারিত হওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই৷ কারণ তিনি ভালোবাসলেও যেমন সহজ ভাবে বলবেন তেমনই ভালো না বাসলেও সোজা ভাবেই জানিয়ে দেবেন৷ এই ধরমের পুরুষরা মনের মধ্যে গোপন সন্দেহ লুকিয়ে না রেখে সরাসরিই আপনাকে জানাবেন৷ এমন পুরুষ ভালোবেসে যাকে বিয়ে করবেন তার সঙ্গে গোটা জীবন কাটিয়ে দেবেন৷
• বিয়ের আগে তিনি একরকম কথা বলতেন আর বিয়ের পরেই সব বদলে গেল৷ পুরুদের নিয়ে এটাই মেয়েদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ৷ তাই এক্ষেত্রে নারীকে এমন পুরুষ বেছে নেয়া প্রয়োজন যিনি ব্যক্তিগত জীবনে কথা ও কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখবেন৷ যে মানুষ দৈনন্দিন জীবন কথার সঙ্গে কাজের সামঞ্জস্য রাখতে পারেন না তিনি সম্পর্কের ভারসাম্যও বজায় রাখতে পারেন না৷
• পৃথিবীতে অনেক পুরুষ আছে যারা নিজের প্রেমিকাকে সকলেই সামনে স্বীকৃতি দিতে দ্বিধা বোধ করেন৷ এমনকি সোশ্যাল সাইটে দুজনের ছবি পোস্ট করতে লজ্জা পান৷ এই পুরুষের বিপরীত পুরুষই হলেন একেবারে আদর্শ৷ আদতে যে পুরুষ নিজের প্রেমিকাকে সকলের সামনে স্বীকৃতি দিতে পারেন না তিনি স্ত্রীকেও তার সঠিক সম্মান প্রদান করতে ব্যর্থ৷
• যে পুরুষের জীবন তার স্ত্রী বা পরিবারের মধ্যেই আবদ্ধ তিনিই আদর্শ পুরুষ৷ যে পুরুষ সুখ বলতে সকলে একসঙ্গে ভালো থাকাকে বোঝেন তিনিই নারীর জীবনে এক লহমায় সুখ এনে দিতে পারদর্শী৷ এই ধরণের পুরুষই নারীর স্বামী রূপে কাম্য৷

জেনে নিন, মেয়েদের প্রথম পছন্দ লাজুক পুরুষ কেন !


প্রথম ডেট করছেন? আপনার উল্টোদিকের পুরুষটি লাজুক বা নম্র স্বভাবের। অথবা এর আগেও ডেটিংয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে আপনার। সেখানে আপনার সঙ্গী পুরুষটি আপনাকে হাসি, মজায় মাতিয়ে রাখতেন। কিন্তু এবারের সঙ্গী এতটাই কম কথা বলেন যে আপনার সন্দেহ হচ্ছে, আপনাকে অপছন্দ করছেন উল্টোদিকের মানুষটি। এই অবস্থায় কি করবেন? কেমন ভাবে সামলাবেন এই পরিস্থিতি? আর কেনই বা একজন লাজুক পুরুষের সঙ্গে জীবনে একবার হলেও ডেট করা উচিৎ সব মহিলার?
আড্ডায় নয় দাদাগিরি
সাধারণত মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি কথা বলেন। ডেটে গিয়েও সে অভ্যাস বজায় থাকবে বৈকি! আর লাজুক ছেলেরা এক্ষেত্রে আপনাকে পুরো সুযোগ দেবেন। আপনার কথার মাঝখানে কোনও বিরতি থাকবে না। কারণ আপনার সঙ্গী পুরুষটি স্বভাব লাজুক হওয়ায় তিনি এমনিতেই কম কথা বলেন।
খাঁটি মানুষ
লাজুক ছেলেরা ডেটে গিয়ে মহিলা পার্টনারকে ইমপ্রেস করার জন্য বানিয়ে বানিয়ে কোনও কথা বলবেন না। এমনকি নিজের সম্বন্ধে মিথ্যে বলার প্রবণতাও তাদের কম। তাই ধরে নেওয়া যায় তিনি একজন খাঁটি মনের মানুষ হবেন।
কম কথায় কাজ হাসিল
যেহেতু আপনার সঙ্গী কম কথার মানুষ তাই তিনি যেটুকু বলবেন তারই বিশেষ ‘মানে’ থাকবে। আর সম্পর্কের বিষয়েও তিনি আন্তরিক অকপট হবেন এটা বলা বাহুল্য।
ভয় পেয়ো না
লাজুক পুরুষের আন্তরিক ব্যবহারেই আপনি তাকে কখনও ভয় পাবেন না। বরং তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ আহ্বানই আপনাকে তাঁর আরও কাছের করে তুলবে।
ভাল শ্রোতা
লাজুক বা কম কথার পুরুষ সবসময়ই ভাল শ্রোতা। আপনার সব কথা তিনি মন দিয়ে শুনবেন ও প্রয়োজনে পরামর্শ দেবেন। অন্তত কথা বলে সুখ পাবেন ‘গার্লস গ্যাং’।
মনোযোগের ট্যালেন্ট হান্ট
লাজুক পুরুষরা মেয়েদের বিষয়ে খুবই মনোযোগী হন। ফলে যিনি আপনাকে এত অ্যাটেনশন দিচ্ছেন, তিনি আপনার খারাপ মুডকে নিমেষে ভাল করে দিতে বাধ্য।
চিটিং
এই ধরনের ছেলেদের ওপর মেয়েরা অনেক বেশি ভরসা করতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা সম্পর্কের বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না লাজুক পুরুষ।