Showing posts with label শিল্প ও সাহিত্য. Show all posts
Showing posts with label শিল্প ও সাহিত্য. Show all posts

পুড়ছে মানুষ, জ্বলছে দেশ কী চমৎকার বাংলাদেশ !



একাত্তর ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেলো টয়লেট টিস্যুতে’ স্লোগানটা বহু বছর আগে ব্লগে প্রথম দেখেছিলাম চমকে উঠেছিলাম আজ এতো বছর পরও মনে পড়ে, প্রথমবার দেখে সেদিন কেমন থমকে গিয়েছিলাম মনে হয়েছিলো এর জের বহুদূর টানতে হবে বাংলাদেশকে একটা গোষ্ঠীর চিন্তার প্রকাশ যদি এমন হয়, এবং তা সমাজের শিক্ষিত অংশের মাঝে সমাদৃতও হয়, তবে তার পরিণতি কারো জন্য ভালো হওয়ার কথা না হয়ওনি।

বাঙালীর এ আনন্দ-উল্লাস দেখে মনে পড়ে বইয়ে পড়া গহীন অরণ্যের আদিম নরখাদক জংলী গোষ্ঠীর উল্লাসের কথা আগুনে পোড়ানো হচ্ছে কিছু নারী আর শিশুকে। তাদের চামড়া পুড়িয়ে আগুন আরো ভেতরে যাচ্ছে, জ্বালাচ্ছে চুল পুড়ছে, হাত পুড়ছে, পা পুড়ছে শ্মশানের পাশে যেমন গন্ধ পাওয়া যায়, সেই মাংসপোড়া গন্ধ ভাসে বাতাসে আর তাদের চারপাশ ঘিরে ফেসবুকের জঙ্গলে উল্লাসে হৈ হৈ করে নাচছে, লাফাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আপ্লুত বাঙালীর দল আদিম সেই উল্লাস, খাদ্য জুটছে তাদের প্রতিহিংসাপরায়ণ অন্ধ মনের যেখানে পুড়ছে মানুষ, পুড়ছে দেশ, পুড়ছে মানবতা, পুড়ছে স্বাধীনতা।

একাত্তরের চেয়ে মানবতা অনেক বড় একটা বিষয় আর কয়েক জেনারেশন পর একাত্তর স্রেফ অতীতের একটা ঘটনা হয়ে যাবে কয়েকশ বছর পরে থাকবে বই এর পাতায় কিন্তু পৃথিবীর শেষ মানুষটা বেঁচে থাকা পর্যন্ত মানবতা একটা দরকারী বিষয় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী একাত্তরে মানবতার তোয়াক্কা করেনি বলেই তারা এতো ঘৃণিত।

কয়েক বছর ধরে যে অবিচার আর অমানবিকতা চলে আসছে, তাতে মানুষের আর বিচার হয় না পুলিশ যাকে ইচ্ছা তাকে ধরে নির্বিকার খুন করে ফেলতে পারে, ছাদ থেকে ফেলে দিতে পারে, গুম করতে পারে, কোন বিচার নাই যা ইচ্ছা খুন ধর্ষন চালিয়ে যেতে পারে, কোন সমস্যা নাই বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে কুপিয়ে মারা সবার সামনে উঁচু গলায় তার পরিবারকে জানিয়ে দেয়, সমস্যা হবে না কোন গ্রেফতার টেফতার এগুলো ফরমালিটিজ নারী শিশুদেরকে পুড়িয়ে মারার পর সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হাসিমুখে বলতে পারে, এটা নিছক দুর্ঘটনা।

সমসাময়িক বাংলাদেশে মানবতার এ দুর্দশা শুরু হয়েছিলো আঠাশে অক্টোবরে পল্টনে লগি-বৈঠার সেই ঘটনায় যেদিন হাসিনার নির্দেশের ফলে মানুষকে আর মানুষের সম্মান দেয়া হয়নি পশুর মতো পিটিয়ে মারা হয়েছে, প্রকাশ্য দিবালোকে এবং তার কোন বিচার হয়নি সে ঘটনার মানসিক প্রভাব ছিলো সুদূর প্রসারী।

একবার ভাবুনতো আমাদের লালসার আগুনে পুড়ছে শত মানুষ পুড়ছে বিশ্বাস  পুড়ছে মানবতা..প্রাণভয়ে নিজের বাড়িঘর ছেড়ে পালাচ্ছে নারী-পুরুষ-শিশু চোখে ভাসছেনা একাত্তরের নির্মমতার সেই ছবি ?…পাকিস্তানি হায়েনাদের বর্বরতার কথা ?

৫২ থেকে ৭১ পর্যন্ত লক্ষকোটি মানুষের সমষ্টিগত প্রচেষ্টার ফসল এই স্বাধীনতা আজ কেনো বারবার কলংকিত হচ্ছে ? আমার পাশের মানুষটি যদি আমার কাছে নিরাপদ থাকতে না পারে- তাহলে কেমন স্বাধীনতা এটি?  

আমি বিজয় দেখিনি, জন্মেই শুনেছি স্বাধীন দেশ স্বাধীন দেশ অনুভূতিটা সব সময় শিহরণ জাগাত আমরা স্বাধীন তাইতো সব সময় ভাবতাম, আমাদের কেউ কিছু বলার সাহস রাখে না। অথচ যখন বড় হই, নিজের কাছে স্বাধীনতার পুরো অর্থ পাল্টে যেতে থাকে নিসত্দব্ধ হৃদয়ের চারপাশে ভীড় জমায় স্পষ্ট কত গুলো প্রশ্ন আমরা কি আজও স্বাধীন হতে পেরেছি।

নব্য জালে জাতিকে বেধে করি দুর্নীতির চাষ গড়বো সোনার বাংলা আমরা দেখাই স্বপ্ন এক রাশ।



আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি Salute You Bangladesh


তুমি মিশ্রিত লগ্ন মাধুরীর জলে ভেজা কবিতায় আছো সরোয়ার্দী,শেরেবাংলা, ভাসানীর শেষ ইচ্ছায় তুমি বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুনে জ্বলা জ্বালাময়ী সে ভাষন তুমি ধানের শীষে মিশে থাকা শহীদ জিয়ার স্বপন, তুমি ছেলে হারা মা জাহানারা ঈমামের একাত্তরের দিনগুলি তুমি জসীম উদ্দিনের নকশী কাথার মাঠ, মুঠো মুঠো সোনার ধুলি, তুমি তিরিশ কিংবা তার অধিক লাখো শহীদের প্রান তুমি শহীদ মিনারে প্রভাত ফেরীর, ভাই হারা একুশের গান।
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি, জন্ম দিয়েছ তুমি মাগো, তাই তোমায় ভালোবাসি। আমার প্রানের বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি প্রানের প্রিয় মা তোকে, বড় বেশী ভালোবাসি।
তুমি কবি নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা উন্নত মম্ শীর তুমি রক্তের কালিতে লেখা নাম, সাত শ্রেষ্ট বীর তুমি সুরের পাখি আব্বাসের, দরদ ভরা সেই গান তুমি আব্দুল আলীমের সর্বনাশা পদ্মা নদীর টান।
তুমি সুফিয়া কামালের কাব্য ভাষায় নারীর অধিকার
তুমি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের, শাণীত ছুরির ধার তুমি জয়নুল আবেদীন, এস এম সুলতানের রঙ তুলীর আঁচড় শহীদুল্লাহ কায়সার, মুনীর চৌধুরীর নতুন দেখা সেই ভোর।
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি, জন্ম দিয়েছ তুমি মাগো, তাই তোমায় ভালোবাসি। আমার প্রানের বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি প্রানের প্রিয় মা তোকে, বড় বেশী ভালোবাসি।
তুমি মিশ্রিত লগ্ন মাধুরীর জলে ভেজা কবিতায় তুমি বাঙ্গালীর গর্ব, বাঙ্গালীর প্রেম প্রথম ও শেষ ছোঁয়ায়, তুমি বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুনে জ্বলা জ্বালাময়ী সে ভাষন তুমি ধানের শীষে মিশে থাকা শহীদ জিয়ার স্বপন তুমি একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে বেজে উঠ সুমধুর, তুমি রাগে অনুরাগে মুক্তি সংগ্রামের সোনা ঝরা সেই রোদ্দুর তুমি প্রতিটি পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধার অভিমানের সংসার তুমি ক্রন্দন, তুমি হাসি, তুমি জাগ্রত শহীদ মিনার।
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি, জন্ম দিয়েছ তুমি মাগো, তাই তোমায় ভালোবাসি। আমার প্রানের বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি প্রানের প্রিয় মা তোকে, বড় বেশী ভালোবাসি।

ফেরি দেখো রক্তাক্ত ২১ শে আগস্টের মর্মান্তিক ছবি



২১ শে আগস্ট ২০০৪
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের ইতিহাসের আরেকটি কলঙ্কজনক ও রক্তাক্ত দিন এটি। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। ৩০ বছর পর সেই আগস্ট মাসেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা করা হয়। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালে ২১ শে আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে নারকীয় এই গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমা-গ্রেনেড হামলা ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগ এক সমাবেশের আয়োজন করে। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ট্রাকের ওপর স্থাপিত মঞ্চে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনা তার বক্তব্য শেখ করার পর পরই বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে অতর্কিতে চারিদিক থেকে গ্রেনেড এসে পড়তে থাকে।

ওই সময় মঞ্চে উপবিষ্ট দলের জাতীয় নেতারা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে মানববর্ম রচনা করে সভাপতি শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে সেদিন শুধু গ্রেনেড হামলাই চালানো হয়নি, তিনি যখন গাড়িতে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করছিলেন, তখনও তাকে লক্ষ্য করে গাড়িতে গুলি চালানো হয়েছিলো।

সেই দিনের সেই চিত্র ছিল ইতিহাসের নারকীয় গঠনা গুলোর মধ্যে একটি অল্পের জন্য যদি ও শেখ হাসিনা রক্ষা পেয়েছিলেন কিন্তু চারিদিকে মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়ে গিয়েছিল সেই দিন বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আমার চোখের সামনে এখনো ভেসে উঠে লাশের সারি, আহত মানুষের আত্তচিত্কার, একটু বেচে থাকার আকুতি।

এই বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় ৪শ’ জন আহত হন। আহতদের অনেকেই চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন তাদের কেউ কেউ আর স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাননি।

আমরা বীর বাঙ্গালীর জাতি।


প্রতিবেদকঃ সোহেল রানা
বগুড়া।
......................................................
আমরা বীর বাঙ্গালীর জাতি।
অনেক গর্ব করার মত একটা মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দিয়ে গেছেন আমাদের মহান পূর্বপুরুষেরা, মহান বাঙ্গালী মুক্তিযোদ্ধারা।

দুই লাখের অধিক মা-বোনের সম্মান হারানোর বেদনা, আর তিরিশ লাখ শহীদের রক্তে ভেজা এই পবিত্র ভুমিতে আমরা বসবাস করি।
কোন প্রতিদানেই তাদের ঋণ আমরা কোনদিন শোধ করতে পারবো না।

১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধাদের স্বপ্ন ও মুক্তিযুদ্ধের সুফল বাস্তবায়নে বর্তমান তরুন প্রজন্মের অর্থাত- শাহবাগের প্রজন্ম চত্ত্বরের তরুনদের প্রতিবাদী ও জাগ্রত মনোভাব ২য় বারের মতো যুদ্ধ ঘোষনা করেছিল  ।

আমি অত্যন্ত সাধারণ একজন মানুষ হিসাবে খুব বিনয়ের সাথে একটি প্রশ্ন রাখতে চাই।
শাহবাগের প্রজন্ম চত্ত্বরে তরুনদের  আসলেই কি দেশ থেকে রাজাকার মুক্ত করার  উদ্দেসে দার করানো হয়ে ছিলো।

গঠনমূলক কমেন্ট আশা করছি।

গার্মেন্টস কর্মী চুমকি



বক্ষদেশকে চাপা দিতে কামিজের নিচের ছোট জামাটার একটা ফিতে বেরিয়ে গেছে দূর্বল মলিন খয়েরী দেহ থেকে। খেয়াল করা হয়নি, দোকানদারের সঙ্গে আলুপটলের দরদাম করতে ব্যস্ত থাকা সোহেল গার্মেন্টসের কর্মী ১৭ বয়সী মেয়েটার !

চুমকি লক্ষ্য করেনি ঠিকই কিন্তু শিকারের আশায় বসে থাকা কিছু শকুন, কুকুর ঠিকই খুঁজে নিয়েছে ওই লজ্জাটুকু ! পাশ থেকে কিছু উত্ত্যপ্ত বাণী শুনে মেয়েটার যখন হুশ হলো, লজ্জায় তখন মাথা নিচু হয়ে গেছে । পৃথিবীতে নিজেকে তখন একলা একটা মানুষ মনে হচ্ছে, চারপাশে সব অন্য গ্রহের মানুষ ... ও শুধু একা !

এতোগুলো চোখ ছোট্ট একটা মেয়ের লজ্জাটুকুকে এভাবে গিলে খাচ্ছে! চুমকির মনে হয় এই মুহূর্তে আত্নহত্যা করতে পারতাম !!

এতো লজ্জা নিয়ে বেঁচে থাকা যায়না । ঘৃণাভরা চোখদুটো উপরে তুলতে পারেনা ও ... ছোট ছোট পায়ে দ্রুত হেঁটে কোনমতে সেদিনের মত বাঁচার চেষ্টা করে চুমকি ... পেছন থেকে ভদ্র ঘরের ছেলেদের অভদ্র ভাষার কিছু শব্দ ক্ষতবিক্ষত করে প্রতিটা অনুভূতি !

কই গাড়ি থেকে নামা টপ জিন্স পরা উগ্র ওই ধনীর দুলালীদের তো কেউ বিরক্ত করেনা !

কি দোষ চুমকির ? গরীব ঘরের মেয়েদের কি দেহে যৌবন আসতে নেই?

বুক থেকে একবার ওড়না সরে গেলে বাবাও ইদানিং অন্য দৃষ্টিতে তাকায় ।
বাবার চোখে রাস্তার সেএইসব ছেলেদের চাহনীর মিল দেখে চুমকি !
দোকানে গেলে ষাট বছরের আব্দুল চাচাও বিচ্ছিরি কথা না বলে ছাড়েনা !
লোভ দেখায় কতকিছুর ...

গার্মেন্টসে সুপারভাইজার গায়ে হাত দেয়া ছাড়া কথা বলেনা আজকাল। হাতটা ভিতরেও চলে যেতে চেষ্টা করে বারবার !

সহ্য করতে পারেনা চুমকি এসব নোংরামি! ঘেন্না ধরে গেছে মানুষের প্রতি, ঘেন্না ধরে গেছে এই পোঁড়া দেহের প্রতি !

সাধারণ একটা মেয়ের মত চুমকিও স্বপ্ন দেখে ; স্বপ্ন দেখে স্বপ্নের রাজপুত্রের যে দেহের দিকে না তাকিয়ে মুখটা উচুঁ করে ধরে বলবে , " চুমকি তুমি এত সুন্দর কেন ? আমি ভালোবাসি তোমাকে চুমকি! "

চুমকি লজ্জায় লাল হবে , বিশ্বাস করবে, ভালোবাসবে, হাত ধরে রাখবে চিরজীবন ...

স্বপ্ন ভেঙে যায় , চারিদিকে শুধু লোলুপ কিছু দৃষ্টি দেখতে পায় চুমকি । যে দৃষ্টিতে ভালোবাসা নেই, আছে শুধু নোংরামি আর ঘৃণা ..

ছোটবেলায় মনের ভেতরে ভালোবাসার জন্য যে আলাদা একটা কক্ষ বরাদ্দ হয়েছিল ; ঘৃণা, লজ্জা আর নোংরামিতে সে ঘরের দরজাটা বন্ধ হয় চিরতরে ।

পুরুষজাতিকে ঘৃণা করে যায় সারাটাজীবন। পরিবারের কথায় বিয়ে করে যে অচেনা মানুষটিকে তাকেও ভালোবাসতে পারেনা কোনদিন ; সেটা বুঝতেও পারেনা !

ভালোবাসাহীন একটা মানুষ বেঁচে থাকে শেষ বিদায়ের অপেক্ষায় ..

চুমকিরা একদিন হারিয়ে যায় কিন্তু ওদের মনের খবরটা কোনদিন কেউ করেনা, কেউ না ...



ভালো লাগলে শেয়ার করুন...