Showing posts with label কম্পিউটার ট্রাবলশুটিং. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার ট্রাবলশুটিং. Show all posts

কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট নিলে যা করবেন ভিডিও টিউটোরিয়াল

computer automatic reboot problem Solved

কম্পিউটারে জরুরী কোনো কাজ করার সময় যদি কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয় তাহলে বিরক্তির শেষ থাকে না আবার বারবার পিসি রিস্টার্ট নিলে পিসিতে কাজ করাও সম্ভব হয় না এর ফলে জরুরী ফাইল নষ্ট হয়েও যেতে পারে।
বারবার পিসি রিস্টার্ট নেবার কারণ না জানার চেষ্টা করে কিংবা সমস্যার সমাধান না করে জোর করে পিসি অন রাখার চেষ্টা করলে হার্ডওয়্যার পুড়ে যাওয়াসহ অনেক বড় ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। নিচে কিছু সম্ভাব্য সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।


  • কুলিং সিস্টেমে সমস্যা

প্রসেসরের কুলিং সিস্টেম যদি কাজ না করে কিংবা প্রসেসর প্রয়োজনমত ঠাণ্ডা না হয়ে ওভারহিট হলে পিসি রিস্টার্ট নেয় সেক্ষেত্রে কুলিং সিস্টেমটি পরিবর্তন করতে হবে।


  • পাওয়ার সিস্টেমে সমস্যা

পাওয়ার সিস্টেম হতে মেইনবোর্ডে প্রয়োজনীয় পাওয়ার বা বিদ্যুৎ না পেলে পিসি রিস্টার্ট নেয় এক্ষেত্রে আপনার পিসির পাওয়ার সিস্টেমটি পরিবর্তন করে দেখুন।


  • অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা

অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিলে বা অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করলে পিসি রিস্টার্ট নেয় এক্ষেত্রে মাই My Computer-এ ডান ক্লিক করে properties থেকে Advanced tab /Start up and Recovery /Settings অপশনে যেয়ে System Failure অপশনের অর্ন্তগত Automatically Restart অপশন থেকে টিক চিহ্ণ উঠিয়ে ok করুন।


  • ভাইরাসের আক্রমণ

ভাইরাসের কারণেও পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । এজন্য পিসিতে একটি ভালো মানের এ্যন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন এবং ব্যবহৃত এ্যন্টিভাইরাসটি সবসময় আপডেটেড রাখুন।


  • হার্ডওয়্যার সমস্যা

নতুন কোনো হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করলে এবং সেটি পিসির সাথে অসামাঞ্জস্য হলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে। পুরোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে ক্রুটি দেখা দিলে পিসি অহেতুক রিস্টার্ট নিতে পারে। এজন্য হার্ডওয়্যারের সংযোগ স্থান এবং হার্ডওয়্যার চেক করে দেখুন ঠিক আছে কি না।


  • নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টল

নতুন সফটওয়্যার, গেমস ইনস্টল করার কারণে পিসি রিস্টার্ট নেয়। পিসির কনফিগারেশনের সাথে যদি সফটওয়্যার বা গেমস সাম্যঞ্জস্যপূর্ন না হয় তাহলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রোগ্রাম ইনস্টল করার সময় ভালো করে দেখে নিন ঐ প্রোগ্রাম চালনার জন্য পিসির কি কনফিগারেশন প্রয়োজন।


  • হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর

হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর থাকলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে। ব্যাড সেক্টরের কারনে হার্ডডিস্ক ডাটা রিড করতে পারে না এর ফলে পিসি হ্যাং অথবা রিস্টার্ট হতে পারে। এজন্য হার্ডডিস্ক ইউটিলিটি দিয়ে ব্যাড সেক্টরজনিত সমস্যা দূর করতে পারেন।


  • মাদারবোর্ডে সমস্যা

যদি এর পরও পিসি রিস্টার্ট নিতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার পিসির মেইনবোর্ডে কোনো সমস্যা আছে। সেক্ষেত্রে দ্রুত আপনার পিসির মাদারবোর্ডটি পরিবর্তন করুন।

না পারলে ভিডিও দেখুন 



পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


ফোল্ডার হিডেন সমোস্যা ও সমাধান ।

আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যবহারকারীই অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকেন। আর উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ভাইরাস। মূলতঃ ভাইরাস আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। ভাইরাস ছাড়া আপনি চলতেই পারবেন না। তাই ভাইরাস থেকে আপনাকে দূরে দূরে থাকতে হবে। কিন্তু আমরা যতই ভাইরাস থেকে দূরে থাকি, ভাইরাস তো আমাদের ছাড়ে না। অসাধানতার বশতঃ বা যে কোন কারণে ভাইরাস আমাদের কম্পিউটারে প্রবেশ করে। যাক এখন কাজে আসি, ভাইরাসের কারণে আপনার 

কম্পিউটারের ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেলে কী করবেন? ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেলে আমরা বেশ বিপাকে পড়ি। আবার দেখুন ভাইরাসের কারণে উক্ত হিডেন হওয়া ফাইল বা ফোল্ডারগুলো সার্চ করেও পাওয়া যায় না। কী উপায় ফিরিয়ে আনতে! কোন চিন্তাই নেই সমস্যা যেহেতু আছে, সমাধানও আছে।

নিচের উপায়গুলো দেখুনঃ

উপায় ১ : Control Panel >>> Folder Options এ যান। এখানে Tools মেনু ট্যাবে Show hidden files and folders এবং Hide protected operating system files আনচেক করুন। এবার Advanced Options >>> Search hidden files and folders চেক করুন। এখন দেখবেন হিডেন ফাইলগুলো দেখা যাবে।

 উপায় ১ ভিডিও


এবার আসুন ভাইরাসের কারণে হিডেন অপশন ডিজেবল হলে কী করবেন? তখন তো হিডেন অপশন কাজ করবে না। হিডেন অপশন এনাবল এবং আনচেক করতে পারবেন একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে। এর নাম এট্রিবিউট চেঞ্জার এবং এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে এর ইনস্টল করুন।


এখন যে ফোল্ডারের এট্রিবিউট পরিবর্তন করতে চান তার উপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করুন। এবার Change Attributes এ ক্লিক করুন। Folder Properties ট্যাব থেকে System, Hidden আনচেক করে Ok করুন। তাহলেই ফোল্ডার অপশন্সের হিডেন অপশন এনাবল হবে। এখন Show hidden files and folders এবং Hide protected operating system files চেক করুন এবং OK করে বেরিয়ে আসুন।

উপায় ২ : স্টার্ট মেনু থেকে রানে যান এবং লিখুন cmd. তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে। এখন আপনার ড্রাইভে প্রবেশ করুন। এজন্য যে ড্রাইভ উক্ত ড্রাইভের নামে লিখুন, যেমনঃ ড্রাইভ E হলে E: লিখে এন্টার দিন, তাহলে ড্রাইভে প্রবেশ করবে।

এবার attrib -s -r -h -a /s /d লিখে এন্টার করুন। তাহলে আপনার হিডেন হওয়া ফোল্ডার বা ফাইল ফিরে আসবে।
 
বিশ্লেশণঃ
attrib = attribute, s = system file, r = read only, h = hidden, a = archive,
/d = directory, /s = sub directory



পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


ডিলিট না হওয়া যে কোনো ফাইল ডিলিট করুন সহজে ভিডিও টিউটোরিয়াল

How to delete files and folders that cannot be deleted

এই টিউনে আপনাদের জন্য রয়েছে , কিভাবে COMPUTER এর মধ্যে ডিলিট না হওয়া যে কোনো ফাইল ডিলিট করবেন সহজে COMPUTER এ ভাইরাস বা নানা সমস্যার কারণে অনেক সময় ইচ্ছা থাকা সত্বেও অনেক ফাইল মোছা যায় না বিশেষ করে ভাইরাস আক্রান্ত ফাইল মুছতে সমস্যা হয় এ রকম সমস্যা থেকে সমাধান।

বিস্তারিত ভিডিওতে


পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


কম্পিউটার হার্ডডিস্ককে ডিটেক্ট Detect করছে না সমাধান সমুহ জেনে নেই

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের এ ধরনের সমস্যায় প্রায়ই পড়তে হয়৷ বিভিন্ন কারণে কম্পিউটারে পাওয়ার দেওয়ার পর হার্ডডিস্ককে কম্পিউটার ডিটেক্ট করতে পারে না৷ 

সমস্যার সম্ভাব্য কারণসমূহ:





১. ভালোভাবে লক্ষ্য করুন হার্ডডিস্কের সাথে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাই থেকে আসা পাওয়ার কর্ডটি ঠিকমতো সংযুক্ত আছে কি-না৷

২. হার্ডডিস্কটির সাথে মাদার বোর্ডের আইডিই বাস ক্যাবল দ্বারা সঠিকভাবে সংযুক্ত আছে কি-না৷

৩. হার্ড ডিস্কের জাম্পার সেটিং ঠিক আছে কিনা ? এক্ষেত্রে হার্ডডিস্কের জাম্পার দুইভাবে সেট করা যায় একটি মাস্টার সেটিং অন্য স্লেভ সেটিং৷

৪. হার্ড ডিস্কটি মাদারবোর্ডের সাথে প্রাইমারি না সেকেন্ডারি হিসেবে সংযুক্ত নিশ্চিত হোন৷

৩ ও ৪ নং কনফিগারেশরনের জন্য যদি একই সেটিংসে একাধিক IDE Device (CD ROM, HDD) থাকে তবে তা পাওয়া নাও যেতে পারে- যেমন দেখা গেল যে একটি HDD ও একটি CD Rom উভয়েই Secondary master হিসেবে কনফিগার করা৷ এক্ষেত্রে দুটি Device-এর কোনো একটি নাও পাওয়া যেতে পারে৷

৫. BIOS-এ IDE অটো ডিটেক্ট অপশনটি ডিজেবল থাকলে তা ৪টি IDE ডিভাইসের জন্য এনাবল করতে হবে নতুবা ম্যানুয়ালি HDD কে ডিটেক্ট করিয়ে দিতে হবে৷

আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি।সবার সামনে আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।সবাই ভাল থাকবেন আর আমাদের সাথেই থাকুন।ধন্যবাদ সবাইকে। 




CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


Laptop হটাত বন্ধ হবার কিছু কারন ও সম্ভাব্য সমাধান

Laptop চলতে চলতে হঠাত্ বন্ধ হয়ে গেলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। Laptop হঠাত্ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ার এ সমস্যা খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট পিসি ম্যাগের প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা এ ক্ষেত্রে আতঙ্কিত না হয়ে করণীয় সম্পর্কে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

ল্যাপটপে কাজ করার সময় বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়, তবে যখন কাজের সুবিধার পরিবর্তে ল্যাপটপ অসুবিধা তৈরি করে তখন বিরক্তি লাগে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সবার আগে জানার প্রয়োজন পড়ে ঠিক কী কারণে ল্যাপটপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আর এরকম ঘটতে থাকলে ল্যাপটপ নিয়ে কী করা যায় সে বিষয়গুলো। ল্যাপটপ যাতে হঠাত্ বন্ধ হয়ে না যায় সেক্ষেত্রে কয়েকটি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।

কেন বন্ধ হচ্ছে Laptop?
Laptop হঠাত্ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে তিনটি পরিচিত কারণ রয়েছে। এ তিনটি কারণে মূলত আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ তিনটি ঘটনায় Laptop বন্ধ হয়ে গেলে তা নিজে সমাধান করা সহজ।

প্রথম কারণ: বাহ্যিক
Laptop বন্ধ হওয়ার প্রথম কারণ হচ্ছে বাহ্যিক। Laptop থেকে নির্গত অতিরিক্ত তাপের কারণে Laptop গরম হয়ে এটা ঘটতে পারে। ল্যাপটপের ভেতর ধুলা জমে বা ল্যাপটপ থেকে বাতাস বের হতে না পারলে ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। ল্যাপটপে টানা গেম খেলা, ভিডিও চালানো বা দীর্ঘক্ষণ কাজ করা হলে ল্যাপটপের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং ল্যাপটপ গরম হয়ে যায় যা ল্যাপটপ হঠাত্ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

দ্বিতীয় কারণ: অপর্যাপ্ত মেমোরি
মানুষের মস্তিষ্কের মতোই ল্যাপটপের RAM-এ বিভিন্ন তথ্য ও প্রোগ্রাম চালু থাকে। RAM-এর ক্ষমতার অতিরিক্ত চাপ পড়লেই বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। এতে ল্যাপটপের গতি কমে যায়। এমনকি প্রসেসরের ওপর চাপ পড়লেই Laptop বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি ব্লু স্ক্রিন এর মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

তৃতীয় কারণ: সফটওয়্যার সম্পর্কিত
বায়োসের সমস্যা থেকে শুরু করে সফটওয়্যার বাগ, ম্যালওয়্যার ও ভাইরাসের কারণেও ল্যাপটপ হঠাত্ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

দ্রুত কী ব্যবস্থা নেবেন?
Laptop হঠাত্ হঠাত্ বন্ধ হয়ে যেতে দেখলে এর কারণ যাই হোক না কেনো সব সময় প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন।

১. প্রথমত যে প্রোগ্রামটির কারণে সমস্যা দেখা দিচ্ছে সেটা বন্ধ করে দিন। যদি একটি প্রোগ্রাম চালু থাকার সময় ল্যাপটপে সমস্যা দেখা যায় তবে সে প্রোগ্রামটি বন্ধ করলেই সমস্যা সাময়িক সমাধান হয়ে যায়। তবে অনেক ক্ষেত্রে প্রোগ্রামটি বন্ধ করতে গিয়েও সমস্যা দেখা যায়। প্রোগ্রাম যদি আনরেসপনসিভ বা বন্ধ হতে না চায় তবে Task Manager-এ গিয়ে তা বন্ধ করে দিতে পারেন। আবার Ctrl+Alt+Del চেপেও প্রোগ্রামটি বন্ধ করা যায়। এ ছাড়াও Ctrl+Alt+Esc চেপেও প্রোগ্রাম বন্ধ করতে পারেন।

২. যদি প্রোগ্রাম কোনোভাবেই বন্ধ করা না যায় তবে তখন শক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। অধিকাংশ ল্যাপটপের ক্ষেত্রে বেশ কিছুসময় ধরে পাওয়ার বাটন চেপে ধরে রেখে Laptop বন্ধ করে দিতে হবে। সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশিক্ষণ পাওয়ার বাটন চেপে রাখলে পাওয়ার বন্ধ হয়ে যায়। এতেও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তবে বিদ্যুত্ সংযোগ সরিয়ে ফেলুন এবং ব্যাটারি খুলে ফেলুন।

৩. দ্বিতীয় ধাপটি হচ্ছে Laptop কতটুকু গরম হয়েছে তা পরীক্ষা করা। হাতে স্পর্শ করেই ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করতে পারবেন। তবে সরাসরি হাত দিয়ে পরীক্ষার সময় অবশ্যই সচেতন থাকবেন যাতে হাত পুড়ে না যায়। ল্যাপটপ থেকে বাতাস বের হতে কোনো সমস্যা হচ্ছে কী না বা ধুলা জমেছে কিনা পরীক্ষা করে দেখুন।

সারাইখানা
Laptop অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার সমস্যা সাধারণত ধুলো পরিষ্কার করলেই সেরে যায়। অনেক ক্ষেত্রে ল্যাপটপের ফ্যান বা হিট সিঙ্ক ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় করণীয়গুলো ইন্টারনেটে সার্চ দিলেই নানা টিউটোরিয়াল থেকে জেনে নিতে পারবেন। তবে নিজে ল্যাপটপ খোলার ঝুঁকি নিতে না চাইলে অবশ্যই পেশাদার সারাইখানায় নিয়ে সমস্যা সমাধার করে নিতে পারবেন।

ল্যাপটপের মেমোরি সমস্যা সমাধান করতে হলে আপনার ল্যাপটপে মেমোরি দখল করেছে কোন প্রোগ্রাম তা বের করুন। টাস্ক ম্যানেজারের ‘প্রসেস’ ট্যাব থেকে আপনি আপনার ল্যাপটপের চলমান প্রসেসগুলো জানতে পারবেন। কোনো প্রোগ্রাম চালু না করে আপনি কোন প্রোগ্রাম কতটুকু জায়গা নিয়েছে তা দেখে নিতে পারবেন। যদি কোনো প্রোগ্রাম চালু না থাকা অবস্থায় অনেক বিশাল জায়গা ব্যবহূত হচ্ছে দেখায় তবে সমস্যা রয়েছে বলেই ধরে নিতে হবে। যদি ফিজিক্যাল মেমোরির বেশির ভাগ খালি থাকে তবে সর্বশেষ ব্যবহূত প্রোগ্রামটি আবার চালু করে দেখতে পারেন। এভাবে ব্যবহূত অ্যাপ্লিকেশনগুলো কতটুকু মেমোরি ব্যবহার করছে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। উইন্ডোজ মেমোরি ডায়াগনস্টিক টুল থেকে মেমোরি টেস্ট দিয়েও এ পরীক্ষা চালাতে পারেন। যদি জায়গার স্বল্পতা দেখায় তবে অবশ্যই আপনাকে কিছু প্রোগ্রাম আন ইনস্টল করে জায়গা ফাঁকা করতে হবে। মেমোরি দখল করে এমন অপ্রয়োজনীয় ফাইল, প্রোগ্রাম সরিয়ে ফেলুন এবং হার্ডড্রাইভে অধিকতর ফাইল সংরক্ষণ করুন। ল্যাপটপে র্যাম বাড়ান এবং মেমোরি উন্মুক্ত রাখুন।

ল্যাপটপে যদি সফটওয়্যার জনিত সমস্যা হয় তবে দুটি উপায়ে সমাধান করা যেতে পারে। একটি হচ্ছে সিস্টেম রিস্টোর পদ্ধতি। সিস্টেম টুলস ফোল্ডার থেকে সিস্টেম রিস্টোর করে ল্যাপটপকে একেবারে প্রথম থেকে চালু করা যায়। দ্বিতীয় সমাধান হচ্ছে ল্যাপটপের ড্রাইভার আপডেট ও ভাইরাস স্ক্যান।

ল্যাপটপের ব্যাটারি আয়ু বাড়ানোর পরামর্শ
ল্যাপটপে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন অথচ এমন সময়ে দেখলেন ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ায় হঠাত্ বন্ধ হয়ে যেতে পারে ল্যাপটপ। অধিকাংশ ল্যাপটপে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা যায়। খুব বেশি কাঠখঢ় না পুড়িয়েও কয়েকটি ছোট পরামর্শ মেনে চললে ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানো সম্ভব।

ব্রাইটনেস (Brightness) কমাতে পারেন
মুঠোফোনের মতো ল্যাপটপের ডিসপ্লে অতিরিক্ত চার্জ ব্যবহার করে ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দেয়। তাই ডিসপেস্নর ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখতে পারেন। এ ছাড়া কিবোর্ডের ব্যাকলাইট বন্ধ করে রাখুন।

ইউএসবি (USB) সাবধানতা
ইউএসবির মাধ্যমে ল্যাপটপে যুক্ত করা এক্সটার্নাল পণ্য ল্যাপটপের ব্যাটারি থেকে চার্জ গ্রহণ করে। ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে কাজ শেষ হলেই এক্সটার্নাল ডিভাইসগুলো সরিয়ে ফেলুন। ইউএসবি থেকে ভাইরাস ল্যাপটপে আসতে পারে। তাই ইউএসবি ব্যবহারে সতর্ক থাকুন। ব্যবহারের আগে স্ক্যান করে নিন।

Laptop ঠান্ডা রাখুন
ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হলে এর ভেতরের পাখা দ্রুত ঘুরতে থাকে, যা ব্যাটারি থেকে অতিরিক্ত চার্জ ব্যবহার করে। তাই ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হওয়া ঠেকাতে ল্যাপটপ কুলার ব্যবহার করতে পারেন। ল্যাপটপ স্ট্যান্ডবাই মোডে রাখার চেয়ে হাইবারনেট মোডে রাখুন।

পাওয়ার প্ল্যান সেট আপ
উইন্ডোজনির্ভর ল্যাপটপগুলোতে পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস বিল্ট ইন থাকে। এই পাওয়ার প্ল্যান থেকে সুবিধামতো অতিরিক্ত চার্জ গ্রহণ করে, এমন বিষয়গুলো বন্ধ করে রাখতে পারেন।

পেশাদারদের কাছে যাবেন কখন?
ল্যাপটপের সমস্যা সমাধানের এ সাধারণ উপায়গুলো যখন ব্যর্থ হবে তখনও হতাশ হওয়া কোনো কারণ নেই; আছে, আর দুটি পথ খোলা রয়েছে আপনার সামনে। একটি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন গুগলে অনুসন্ধান করা। ল্যাপটপের মডেল নম্বর ও সমস্যার কথা লিখে গুগলে সার্চ দিন। আপনার ল্যাপটপের সমস্যা জানিয়ে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বরাবার মেইল করতে পারেন। যে প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ল্যাপটপ কিনেছেন তাদের সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন।

যখন আর কোনো উপায়ই কাজে আসবে না তখন কম্পিউটার মেরামতের দোকান বা সারাইখানার খোঁজ করবেন। আপনার আশে পাশে পরিচিত অনেক কম্পিউটার সারাইখানাই পাবেন, যেখানে হঠাত্ হঠাত্ বন্ধ হয়ে যাওয়া ল্যাপটপ সমস্যা নিয়ে অনেকে যান। এসব সারাইখানায় অনেক বড় সমস্যা দেখিয়ে প্রচুর অর্থ দাবি করে। ল্যাপটপ সারাই করার খরচ সর্বনিম্ন এক হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয়। ল্যাপটপের সামান্য সমস্যায় অনেককেই বিপর্যস্ত হতে দেখা যায়, সমস্যা সমাধানের সামান্য কিছু কৌশল জানা থাকলে 






CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


computer hang ওয়া প্রোগ্রাম বন্ধ করে ফেলুন সহজেই

আমরা যখন কম্পিউটার চালাই তখন অনেক সময় দেখা যায় যে কোন একটা প্রোগ্রাম হ্যাং হয়ে গেল।



এই সমস্যা হতে উদ্ধার হওয়ার জন্য আমরা টাস্ক ম্যানেজারের কাছে সাহায্য চাই। কিন্তু আপনি খুব সহজে এক ক্লিকে বন্ধ করতে পারবেন আপনার হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রাম। 





এর জন্য প্রথমে ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করুন এবং new তে গিয়ে Shortcut সিলেক্ট করুন তাহলে আপনার শর্টকাট এর লোকেশন (Location) জানতে চাইবে। সেখানে নিচের লেখাটি কপি করে পেস্ট করে Next বাটনে ক্লিক করুন।

taskkill.exe /f /fi “status eq not responding”

শর্টকাটটির পছন্দমত একটি নাম দিন এবং ফিনিশ বাটনে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার দেওয়া নামে একটা শর্টকাট তৈরী হয়েছে আপনার ডেস্কটপে এখন থেকে কোন প্রোগ্রাম হ্যাং হলে শুধু এখানে একবার ডাবল ক্লিক করুন। বন্ধ হয়ে যাবে আপনার হ্যাং হওয়া প্রোগ্রাম। 



CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


পিসির ড্রাইভ Virus এর জন্য open না হলে যা করবেন

how-to-remove-virus-from-hard-drive
প্রায়ই দেখা যায় ভাইরাসের (Virus) কারনে আপনার পিসির ড্রাইভ (Hard Drive) যেমন- C,D,E,F মাউসের ডাবল ক্লিকে open করতে যাচ্ছেন তখন open With অপশন আসছে অথবা error মেসেজ দেখাচ্ছে হঠাৎ এ ধরনের সমস্যা আপনার জন্য সত্যি বেশ একটা বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায় সাধারনত এই ঘটনাটা ঘটে autorun ভাইরাস অ্যাটাক এর দরুন তাই আমাদের পিসির C,D,E,F বা এই জাতীয় ড্রাইভগুলো যখনই open করতে চাই আমরা ব্যর্থ হয়ে থাকি আবার অনেক সময় দেখা যায় আপনার ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বা পেনড্রাইভে অটোরান (autorun.inf) ফাইল রান করছে  সেগুলো Delete করতে যাচ্ছেন কিন্তু Delete হচ্ছে না।

তাই আজকে দেখব কিভাবে এটার একদম সহজ সমাধান করতে পারবেন ।

নিচে সহজ সমাধানগুলো দেয়া হল 

  • প্রথমে windows menu+R প্রেস করে Run এ যান তারপর cmd টাইপ করুন (দেখবেন কম্যান্ড প্রমট ওপেন হয়েছে) ।


  • এবার টাইপ করুন “cd\” তার পরে এন্টার চাপুন। (কোটেশন দিবেন না)
  • এবার আপনার ভাইরাস আক্রান্ত ড্রাইভ এর নাম দিন , যদি D ড্রাইভ হয় তাহলে D: লিখে ইন্টার দিন ।
  • এবার টাইপ করুন ” attrib -r -h -s autorun.inf ”


  • তারপর টাইপ করুন ” del autorun.inf ”

এখন দেখুন আপনার পিসির হার্ড ড্রাইভ ডাবল ক্লিকে(Double Click) ওপেন না হওয়ার সমস্যাটি ঠিক হয়ে গেছে। এভাবে ইচ্ছে করলে আপনি আপনার ফ্ল্যাশ ড্রাইভ থেকেই autorun.inf ফাইল Delete করতে পারবেন। 



CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


ল্যাপটপ এর জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারের পদ্ধতি

ল্যাপটপ একটি অতি প্রয়োজনীয় ডিভাইস। পোর্টাব্যলিটি এবং শক্তিশালী স্পেসিফিকেশনের কারণে এখন পর্যন্ত এই ডিভাইসটি টেক গিকদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরেই রয়েছে। 

এই ডিভাইসটি যেহেতু সচরাচর আমরা ঘরের বাইরেও ব্যবহার করে থাকি তাই ডিভাইসটি দীর্ঘ দিন ব্যবহারের পর এর ভেতরে অনেক প্রকার ময়লা জমে যায়। ল্যাপটপ এর ভিতরে ময়লাগুলো মূলত এর কুলিং ফ্যান, ভেন্টিলেটর এবং হিট স্কিনেই বেশি পরিমাণে জমে, যার ফলে এটি ল্যাপটপ এর কুলিং সিস্টেমকে তার কাজ পরিপুর্ন ভাবে করতে বাঁধা প্রদান করে। ফলাফল স্বরূপ ল্যাপটপ টির কুলিং সিস্টেম শতভাগ কাজ করতে না পারায় ডিভাইসটি অল্প ব্যবহারেই অনেক বেশি গরম হয় যায়।

ল্যাপটপ এর ক্ষেত্রে কুলিং সিস্টেম কাজ করাটা বেশ গুরুত্বপুর্ন। কেননা, ল্যাপটপডিভাইসের বডি সাধারণত অনেক কম স্পেসের হয়ে থাকে এবং এর জন্য হার্ডওয়্যার গুলো উত্তপ্ত হয়ে সহজেই ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও, কুলিং ফ্যানে ময়লা জমার কারণে সেই ফ্যানটির ঘুরতে বেশি ইলেক্ট্রিক সোর্সের প্রয়োজন পরে যার ফলে দ্রুত ড্রেইন হয় ল্যাপটপ এর ব্যাটারিও! বুঝতেই পারছেন, এইটুকু ময়লাই আপনার কতটুকু ক্ষতি করতে সক্ষম!  তাই, আজকের টিউটোরিয়ালটিতে ল্যাপটপ এর ময়লা কীভাবে পরিষ্কার করতে হয় – এ সম্পর্কে আমি আপনাদের যথাযত গাইড চেষ্টা করতে চেষ্টা করব।
আমি এই ল্যাপটপ এর  ময়লা পরিষ্কারের মিশনকে দু’টি ভাগে ভাগ করছি,
১। আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ টি খুলতে সক্ষম হন
২। আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ টি খুলতে অপারগ হন
চলুন তাহলে, শুরু করা যাক।

১। আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ টি খুলতে সক্ষম হন

বর্তমান সময়ের অধিকাংশ ল্যাপটপ এর বিল্ড আর্কিটেকচার এমন ভাবে প্রস্তুত করা হয় যাতে করে একজন ব্যবহারকারী এটি পুরোপুরি খুলতে সক্ষম না হয়; এখন এর পিছে ম্যানুফ্যাকচার প্রতিষ্ঠানের কোন লজিকটি কাজ করে আমি জানিনা। হয়তো তারা ‘সেফটি’ দেখেন, আর নয়তো ‘বিসনেস’!! তো যাই হোক, এর ফলে সমস্যার পরিমাণই বেশি হয়। কেননা, ল্যাপটপ টি পুরোপুরি পরিষ্কার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
খেয়াল করে দেখুন, আপনার ল্যাপটপ এর  নিচে একটি প্যানেল আছে (একের বেশিও থাকতে পারে) এবং সেই প্যানেলটি ল্যাপটপ এর আপার বডির সাথে অনেক গুলো স্ক্রু দ্বারা যুক্ত। সাবধানে স্ক্রু গুলো খুলে নিচের প্যানেলটি খুলে ফেলুন। যদি আপনার কাছে প্রসেসটি কঠিন মনে হয় তবে আপনি অনলাইনে আপনার ডিভাইসটি খুলতে হয় সে সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন। এছাড়াও কিছু কিছু ল্যাপটপ এর  সাথে স্পেশাল ‘সার্ভিস ম্যানুয়াল’ থাকে। যদি আপনার ল্যাপটপ এর সার্ভিস ম্যানুয়ালটি আপনার কাছে থেকে থাকে তবে সহজেই আপনারল্যাপটপ টি আপনি খুলতে পারবেন।

ল্যাপটপ এর জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারের পদ্ধতি






মনে রাখবেন, অনেক ম্যানুফ্যাকাচারার প্রতিষ্ঠানেই এমন নিয়ম রয়েছে যে একজন ব্যবহারকারী নিচের প্যানেল খুললেই সেই ডিভাইসটির ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে, তাই প্রথমে নিশ্চিত হয়ে নিন। এবার ধরে নিচ্ছি আপনার ল্যাপটপ টি আপনি খুলে ফেলেছেন, এখনঃ-
১। প্রথমে স্ক্রু গুলো গুছিয়ে এক স্থানে রাখুন।

২। এমন কোন জায়গায় কাজ করুন যে যায়গাটুকু ময়লা হলে সমস্যা হবেনা।

৩। একটি ব্লোয়ারের সাহায্যে এমন ভাবে ব্লো করুন যাতে করে ল্যাপটপ এর  ময়লাগুলো আরোও ভিতরে না ঢুকে ল্যাপটপ এর ভেন্টিলেটর দিয়ে বের হয়ে যায়।

৪। আপনি যদি ব্লোয়ারের সাহায্যে ল্যাপটপ এর কুলার ফ্যানটিকের পরিষ্কারের উদ্দেশ্যে বেশি দ্রুত স্পিন করান তবে এটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই খেয়াল করে পরিমাণ মত প্রেসার দিন কুলার ফ্যানে। সবথেকে ভালো হয় যদি আপনি কুলার ফ্যানটিকে বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ব্লোয়ার দিয়ে হালকা হালকা ব্লাস্ট দিতে পারেন।
এভাবেই আপনি আপনার ল্যাপটপ টিকে শতভাগ না হলেও ভালোই ময়লা মুক্ত করতে সক্ষম হবেন।
** মনে রাখবেন, কমদামী ব্লোয়ার গুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফিক্সড পাওয়ারের হয়ে থাকে ফলে ওগুলো দিয়ে ল্যাপটপ এর ময়লা পরিষ্কার করাটা রিস্কি হতে পারে। তাই ব্লোয়ার ব্যবহারের সময় যেগুলোতে আপনি পাওয়ার অ্যাডজাস্ট করতে পারবেন সেগুলোই ব্যবহার করতে চেষ্টা করুন। আর সবচাইতে ভালো হয় আপনি যদি কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করতে পারেন, এর অপর নাম ‘ক্যানড এয়ার’।

ল্যাপটপ এর জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারের পদ্ধতি





২। আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ টি খুলতে অপারগ হন

আগেই বলেছি আধুনিক ল্যাপটপ গুলোর বিল্ড আর্কিটেকচার সম্পর্কে। কিন্তু, ম্যানুফ্যাকচারার চাক বা না চাক, ময়লা তো ল্যাপটপ এর ভিতরে জমবেই। আর এজন্যে আপনার কিছু সমস্যারও সম্মুখীন হতে হবে। যদিও, এই পদ্ধতিতে খুব অল্পই ময়লা পরিষ্কার করা সম্ভব… তবুও চলুন, জেনে নেই।
১। ক্যানড এয়ারের মাধ্যমে আপনি আপনার ভেন্টিলেটর টার্গেট করে বাতাসের ব্লাস্ট দিন। এতে করে সব ময়লা পরিষ্কার না হলেও ভেন্টিলেটর , কুলিং ফ্যান এবং আরও কিছু ময়লা কিছুটা হলেও পরিষ্কার হবে।
২। আগেও বলেছি, কুলিং ফ্যান বেশি দ্রুত স্পিন করলে তা ড্যামেজ হতে পারে।
৩। কীবোর্ডের উপর দিয়ে ব্লাস্ট দিন। অনেক ডিভাইসের কীবোর্ড লেয়ারর নিচে একটা নিরাপত্তা স্তর থাকেনা, বা কিছু ফাঁক ফোঁকর থাকে।
৪। ব্যাটারী খুলে, ব্যাটারী প্যানেলে কোন ছিদ্র থাকলে তা টার্গেট করে ভেন্টিলেটরের দিকে এয়ার ব্লাস্ট করুন। তাতে কিছুটা ময়লা পরিষ্কার হবে।
এভাবে বেশি ডাস্ট পরিষ্কার হবেনা কিন্তু অবশ্যই কুলিং ফ্যান এবং ভেন্টিলেটর পরিষ্কার হওয়ায় আপনার ল্যাপটপ এর কুলিং সিস্টেম ভালো কাজ করবে।

শেষ কথাঃ

আপনার ল্যাপটপ টির যদি খুব দ্রুতই ওভারহিটিং এর সমস্যা থাকে এবং আপনি পরিষ্কার করতে অপারগ হন তবে আপনার উচিৎ বিলম্ব না করে প্রোফেশনালদের সার্ভিস গ্রহণ করা, কেননা ছোট ছোট সমস্যাই বড় কোন দূর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ভালো থাকুন





Windows 7 এর একটি সমস্যা ও সমাধান

অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যাবহার কারী-ই windows 7 ব্যাবহার করেন। কিন্তু windows 7 ব্যবহারকারী দের এমন একটি সমস্যায় পরতে হয় যেটি অনেকেই জানেনা। যারা লিমিটেড ইন্টারনেট ব্যাবহার করেন তারা যদি মডেম সংযুক্ত অবস্থায় কম্পিউটার রিস্টার্ট দেন তাহলে দেখবেন ওপেন হওয়ার সময় কিছু ফাইল আপডেট হচ্ছে। এভাবে যতবার রিস্টার্ট দিবেন ততবার-ই আপডেট হচ্ছে। এক সময় দেখবেন যে আপনার মডেমের ইন্টারনেট প্যাকেজ শেষ হয়ে গেছে। রিস্টার্টের সময় যে ফাইলগুলো আপডেট হয় সেগুলো কোন কাজেই আসেনা। তাই এ সমস্যা সমাধান করতে প্রথমেই আপনাকে কম্পিউটারের কন্ট্রোল প্যানেল- এ যেতে হবে। সেখানে উইন্ডোজ আপডেট নামক ফাইল এ যেতে হবে। বাম পাশে চেঙ্গ সেটিংস্‌ নামক অপশন এ ক্লিক করুন। তখন ইম্পরট্যান্ট আপডেট নামক একটি প্যানেল- এ কতগুলো অপশন পাবেন। আপনি নেভার আপডেট অপশন- এ ক্লিক করলেই এই সমস্যায় পড়বেন না।


আপনার পিসি স্লো পারফর্ম করে ?


এই আধুনিক যুগে সার্বক্ষণিক প্রয়োজনে আমরা নির্ভরশীল আমাদের কম্পিউটারটির উপর – সকালে বা বিকালে, রাতে-বিরাতে, সময়ে কি অসময়ে! আর অপরিহার্য এই প্রয়োজন, এই কম্পিউটারটি যখন বেশ কিছু সময় ব্যবহারের ফলে বা কোন কারনে স্লো পারফর্ম করে, তা বিরক্তির কারন হয়ে দাড়ায় যে কারোই।


আবার দেখা যায়, ঠিক যে সময় খুব প্রয়োজনীয় একটি কাজ করছেন আপনার পিসিতে, বা কোন একটি প্রমান সাইজের প্রোগ্রাম রান করছেন তখন কম্পিউটার কমান্ড প্রসেস করতে অনেক সময় নিচ্ছে, অনেক ধীর হয়ে গেছে পিসি। এমন সমস্যার মুখে মেজাজ বা মাথা ঠাণ্ডা রাখা খুবই অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তাই মন-মর্জিকে শান্ত রাখতে হলে, আপনার পিসিকেও রাখতে হবে Healthy & Fast।
আর এ জন্যই প্রথমে জেনে নেয়া প্রয়োজন আপনার কম্পিউটারকে ধীর করে দেয়ার পিছনে সাধারনত কি কি কারণগুলো দায়ী :
  • দুর্বল Processor এবং অপর্যাপ্ত RAM
  • Bad Sector সহ হার্ডডিস্ক
  • অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করে RAM ও হার্ডড্রাইভ অতিরিক্ত ভারী করে রাখা
  • কম্পিউটার যদি ভাইরাস, ট্রোজান ও স্পাইওয়ার দ্বারা আক্রান্ত হয়
  • অ্যান্টি-ভাইরাস ও ভুল ডিভাইস ড্রাইভার ইন্সটল্ড থাকা
এই টিপিক্যাল কারণগুলো সচরাচর পিসিকে স্লো করে দেয়, তবে কিছু জটিলতর সমস্যাও এর জন্য দায়ী হতে পারে। তবে, এই সাধারন সমস্যাগুলো কিভাবে ডিল করবেন, কিভাবে সমাধান করে পিসিকে ফাস্ট করবেন তা জেনে নেওয়াটাও জরুরী। খুব অ্যাডভান্সড কোন উপায় নয়, কিছু সহজ উপায়ে কিভাবে পিসিকে আরও ফাস্ট করবেন তা জেনে নিন –

ডি-ক্লাটার

আগেই বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো হার্ডড্রাইভ ভারী করে রাখে, RAM কেও অপ্টিমাম পারফরম্যান্স দিতে বাঁধা দেয়। তাই যে প্রোগ্রামগুলো আপনি সচরাচর বা একদমই ব্যবহার করেন না সেগুলো নির্দ্বিধায় Windows এর Control Panel থেকে Program & Features লিস্ট থেকে একে একে Uninstall/Remove করুন।

Don’t Let TEMP Tempt You

পিসির Temporary Files গুলো ডিলিট করতে হবে। আপনার পিসির Run অ্যাপ্লিকেশন থেকে TEMP রান করুন। দেখবেন, এক গাঁদা ফাইল ভর্তি TEMP নামক একটি ফোল্ডার ওপেন হয়েছে। ফোল্ডারের ভিতরের সবগুলো ফাইল Ctrl+A দিয়ে সিলেক্ট করে Shift+Delete চেপে ডিলিট করুন। ফাইলগুলো আপনি পিসির My Computer থেকে C: Drive > Windows > Temp – ফোল্ডার থেকেও বের করে ডিলিট করতে পারেন। তবে ফোল্ডারটি ডিলিট করবেন না কিন্তু!

হার্ডড্রাইভের ব্রিদীং স্পেইস

সবসময় চেষ্টা করবেন যাতে আপনার হার্ডড্রাইভ এর মোট স্পেস এর একটা প্রমান পরিমান ফ্রি থাকে – হার্ডড্রাইভ এর সাইজ অনুপাতে তা কম বেশী হতে পারে। তবে মিনিমাম ১০০ জিবি ফ্রি-স্পেস রাখলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়না। প্রয়োজনে নতুন হার্ডডিস্ক কিনুন, কিন্তু হার্ডড্রাইভ ওভারলোড করবেন না।

পরিষ্কার পিসি, ফাস্ট পিসি

কম্পিউটার এর প্রসেসর বা হিট সিঙ্ক ফ্যান যদি ধুলাবালি জমে ময়লা হয়ে যায়, তাহলে সিপিউ এর ভিতরে টেম্পারাচার কন্ট্রোল ডিস্টার্বড হয়। তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে প্রসেসর উত্তপ্ত হয়ে এর অপ্টিমাম পারফর্ম্যান্স ব্যহত হয়। তাই, পিসি যাতে ধীর না হয়ে যায় তার জন্য CPU Casing এর ভিতরের অংশ নিওমিত পরিষ্কার করে ধুলাবালি মুক্ত রাখুন।

Defragmentation of Disks

হার্ডড্রাইভ এর প্রতি সপ্তাহে Disk Defragment করা আবশ্যক। হার্ডড্রাইভ এর অবিন্যস্ত ফাইলগুলোকে ক্যাটাগোরাইজ করে সাজিয়ে ফ্রি স্পেস অপটিমাইজ করতে এই টুলটি খুব কার্যকরী। এই টুল ব্যবহার করতে প্রথমে My Computer এ Right Click করে Properties এ যেতে হবে। সেখানে Tools সেকশনটি সিলেক্ট করতে হবে। Tool List হতে “Defragment Now” বাটনটি ক্লিক করে যে ড্রাইভটি Defrag করতে চান সেই ড্রাইভটি সিলেক্ট করলেই কাজ সম্পন্ন!
এখন ঝটপট উপায়গুলো প্রয়োগ করে দেখুন, আপনার পিসি কতটা ফাস্ট হয়ে যায়।

শ্রেষ্ঠ কম্পিউটার টিপস ও ট্রিকস যা প্রত্যেকেরই জানা দরকার ।


কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই তাদের কম্পিউটারের দক্ষতা উন্নত করার সর্বশেষ টিপস এবং ট্রিকস জানতে চান। কিছু ব্যবহারকারী আগ্রহ দেখান না কিন্তু এই সাধারণ ট্রিকস প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য খুবই সহায়ক। এই কৌশলগুলি আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করবেনা শুধুমাত্র নীচের টিপস ও ট্রিকস অনুসরণ করতে হবে।
God Mode: এটি উইন্ডোজ হিডেন ফোল্ডার, গড মোড ফোল্ডার আপনাকে ফোল্ডারের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ প্যানেল দেয় যেখান থেকে অপারেটিং সিস্টেম সেটিংস এবং VPN সেটিংস, ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে সবকিছু অপটিমাইজ করতে পারেন। এই ফোল্ডার তৈরি করতে
  • নতুন একটি ফোল্ডার তৈরি করে রিনেম করতে হবে God Mode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C} এটি দিয়ে।
  • স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোল্ডার এর কন্ট্রোল প্যানেল আইকন পরিবর্তন করবে।
  • এখন আপনি আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর যেকোন সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন।
Problems Step Recorder: সিস্টেম এরর রেকর্ড করার একটি হ্যান্ডি টুল হল স্টেপ রেকর্ডার। কোন সমস্যা হলে কারিগরি সহায়কের সঙ্গে পরামর্শ দরকার হলে প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার আপনার সমস্যার রেকর্ড রাখবে পিসিতে। সাহায্যের জন্য সকল সমস্যার স্ক্রিনশট রাখে এটি। সমস্যা সমাধানের জন্য সাহায্যকারী ব্যক্তির কাছে তথ্য পাঠাতে সাহায্য করবে এটি। প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে
  • উইন্ডোজ বাটনে ক্লিক করে run টাইপ করুন
  • রান বক্স ওপেন হলে psr টাইপ করতে হবে এবং ok বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • এবার প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে পারবেন।
সর্বাধিক পরিচিত কি-বোর্ড শর্টকাট: পিসি সহজে চালানোর জন্য ব্যবহারকারীকে বেশী বেশী কি-বোর্ড শর্টকাট জানা দরকার। এখানে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য কিছু আবশ্যক পরিচিত কীবোর্ড শর্টকাট দেয়া হল

  • স্ক্রিনশট নিতে Alt + print screen key শুধুমাত্র একটিভ উইন্ডো ক্লিপবোর্ডে কপি করে।
  • Alt + Tab চলমান প্রোগ্রামকে সার্কেল করে।
  • চলমান কোন প্রোগ্রাম কাজ না করলে Alt + Ctrl + Delete কী প্রোগ্রাম টাস্ক ম্যনেজারের মাধ্যমে বন্ধ করতে সাহায্য করে। সরাসরি টাস্ক ম্যানেজার কাজ করতে চাইলে Ctrl + Shift + Esc।
  • Windows + D সব উইন্ডো মিনিমাইজ করতে ব্যবহার করা হয়।
  • সিস্টেম ইনফরমেশন দেখতে Window + Pause/ Break
  • সেকেন্ড ডিসপ্লে অথবা প্রজেক্টর সেট করতে Windows + P ব্যবহার করতে হবে।
  • ফাইল নেম পরিবর্তন করতে আমরা রাইট ক্লিক করি কিন্তু F2 বাটন চেপে এই কাজ সরাসরি করা যায়।
  • Windows + L অন্য প্রোগ্রামের বিরক্তি থেকে বাঁচতে।
Run Programs On Infected Pc: ভাইরাসের কারণে কোন প্রোগ্রাম চালু না হলে নাম পরিবর্তন করে .exe দিলে চালু করা যাবে।
Private Browsing Window: ব্রাউজারে আপনি কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছেন তা গোপন করতে চাইলে
  • Ctrl + Shift + N নতুন প্রাইভেট উইন্ডো গুগল ক্রোম ব্রাউজারের জন্য।
  • Ctrl + Shift + P প্রাইভেট উইন্ডো মোজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য।