Showing posts with label উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস. Show all posts
Showing posts with label উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস. Show all posts

কি ভাবে আপনার পিসির ওয়েলকাম স্ক্রীন পরিবর্তন করবেন ভিডিও টিউটোরিয়াল

how to change your computer welcome screen

সবাইকে আমার সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের পোস্ট সুরু করতে যাচ্ছি আশা করি সবাই ভালো আছেন আজকে কি নিয়ে আলোচনা করবো তা হয়তো নাম দেখেই বুঝে গেছেন। আমরা যারা পিসি চালাই তাদের বেশির ভাগ মানুষেই উইন্ডোজ চালাই।

তাই সবাই এই উইন্ডোজ এর সাথে ভালো ভাবে পরিচিত আমাদের পিসি যখন ওপেন করি তখন উইন্ডোজ এর ডিফল্ট টেক্সট দেখতে পাই ওয়েলকাম আপনি চাইলে এটি পরিবর্তন করে আপনার নাম বা যেকোনো কিছু দিতে পারেন কি করে পরিবর্তন করবেন আজকে সেটাই নিয়ে আলোচনা করবো।

প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রান এ জান এরপর Regedit টাইপ করে এন্টার প্রেস করুন।

এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SOFTWARE > Microsoft > Windows NT > CurrentVersion > Winlogon এ ক্লিক করুন এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeCaption এ ডাবল ক্লিক করুন। মেসেজ এর Caption যা হবে তা টাইপ করুন।
এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeText এ ডাবল ক্লিক করুন। আপনি কি মেসেজ দিতে চান তা এর মধ্যে টাইপ করুন।

না পারলে ভিডিও দেখুন 



পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


নোটপ্যাড ব্যবহার করে 80% পার্সেন্ট গতি বাড়িয়ে নিন কম্পিউটারের

Speed Up Your Computer By 80% Using Notepad


আজ আমি আপনাদের ছোট টিপস আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি যা দিয়ে আপনি আপনার কম্পিউটারের র‍্যাম কে ক্লিন করে কম্পিউটারের গতিকে ধরে রাখতে পারবেন। এই জন্য আপনাকে দুইটি কাজ করতে হবে।

প্রথমে আপনি নোটপ্যাডের কাজ টি করার আগে নিচের এই টিপসটি অনুসরন করুন।
→ My Computer ওপেন করে Tools এ যান এবং Folder options এ ক্লিক করুন। এবার যে উইন্ডো আসবে তাতে View তে ক্লিক দিয়ে “Hide extension for known file type” টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Ok করুন।
→ এবার নোটপ্যাডের কাজ কিভাবে করতে হবে দেখে নিন —
→ প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে নোটপ্যাড ওপেন করুন
→ তাতে লিখুন mystring=(80000000) এবং ডেস্কটপে সেভ করুন RAM. Vbe নামে।

→ এবার আপনি যখনই সময় পাবেন RAM. Vbe নামের ফোল্ডার টি তে ক্লিক করে র‍্যাম কে ক্লিন করে প্রায় ৮০% গতি বৃদ্ধি করে নিন।

না পারলে ভিডিও দেখুন



পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান

How-to-make-your-pc-laptop-run-faster-4-simple-steps

বগুড়া সিটি ২৪ তে আপনাদের স্বাগতম কেমন আছেন সবাই আশাকরি ভাল যাইহোক এবার কাজের কথায় আসি আজ আপনাদের জন্য সাধারন ৩ টি টিপস  নতুনদের জন্য জানা থাকলে মাফ করবেন 

কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে, সেখানে জমা হয়ে থাকার পিসি আনাচে কানাচে থেকে সকল অপ্রয়োজনীয় ফাইল, কুকি, অপ্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রি কী, বিভিন্ন সফটওয়্যার দ্বারা সৃষ্ট টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি খুঁজে বের করে পরিস্কার করতে পারেন এর মাধ্যমে আপনি আপনার আপ্রয়জনিয় ফাইল রিমুভ করে পিসির স্পীড বারাতে পারবে খুব সহজেই।
  1. ইন্টারনেট ব্রাউজার গুলোর কুকি, টেম্প ফাইল, রিসেন্ট ফাইল সব খুব সহজেই রিমুভ করে ফেলতে পারবেন।
  2. এর মাধ্যমে আপনি আপনার পিসি টোটালি পরিস্কার পরিছন্ন করে রাখতে পারবেন এই কাজ গুলো আপনি সফটওয়্যার ছাড়াও করতে পারেন বিস্তারিত জানতে ভিডিও দেখুন আমার জানা মতে সফটওয়্যার এর চাইতে ভিডিওতে যে টিপস এটাই বেটার খোদা হাফেজ।


CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


COMPUTER এর DESKTOP এর icon থেকে shortcut চিহ্ন দুর করুন।

আসসালামু আলাইকুম আশাকরি সবাই ভালো আছেন এ পর্বে আপনাদের জন্য রয়েছে কিভাবে আপনার COMPUTERএর DESKTOP এর উপরের icon গুলো থেকে shortcut চিহ্ন দুর করবেন  তো চলুন শুরু করা যাক।

প্রথমে আপনার COMPUTER এর DESKTOP থেকে start বাটনে ক্লিক করে run এ যান এবং regedit লিখে এন্টার চাপুন। 
এবার আপনি HEKY_CLASSES_ROOT তে ক্লিক করুন। 
এরপর আপনি ctl+f চাপুন। 
তাহলে একটি সার্চ বক্স আসবে। 
এখানে যে বক্সটি এসেছে সেখানে IsShortcut লিখুন এবং এন্টার চাপুন। 
IsShortcut নামে যে ফাইলটি দেখা যাচ্ছে তা ডিলিট করে দিন। 
এভাবে আপনি বার বার সার্চ করুন এবং ডিলিট করতে থাকুন। 
যতক্ষন এই ফাইলটি পাওয়া যাবে ততক্ষন ডিলিট করুন। 
যখন এই ফাইলটি আর পাওয়া যাবেনা তখন আপনিCOMPUTER কে একবার Restart করুন।
কাজ শেষ আশা করি আপনারা কাজটি সফল ভাবে বুঝতে পেরেছেন। 

ভোর বেলায় ঘুম থেকে জাগিয়ে দিবে আপনার কম্পিউটার

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভালো আছেন যদি এমন হয়, রাত্রে ঘুমানোর সময় আপনার কম্পিউটার ঘুমাবে এবং সকালে আপনার কম্পিউটার আপনাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দিবে কেমন লাগবে বলুনতো।

এ পর্বে আপনাদের জন্য রয়েছে , কিভাবে আপনার কম্পিউটার সময়মতো আপনাকে ঘুম থেকে উঠার জন্য ডাক দিবে।
তো চলুন শুরু করা যাক।

  • প্রথমে মাইক্রোফোন এর মাধ্যমে আপনি যে কথা বলাতে চান, তা রেকর্ড করে সেভ করুন।
  • তারপর ডেস্কটপ এর উপর mouse এর right বাটনে ক্লিক করে properties এ যান।
  • এখানে screen saver/power/hibernate এ গিয়ে enable hibernation এ টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন।
  • আবার power/advance এ গিয়ে When I press the sleep এ hibernate নির্বাচন করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন।
  • যাদের keyboard এ sleep বাটন নেই, তারা when I press the power বাটনে hibernate নির্বাচন করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন।
  • এখন control panel/Scheduled tasks/add scheduled/task/next/browse এ ক্লিক করে যেখানে ভয়েসটি সেভ করেছেন, সেখান থেকে কথা নির্বাচন করে( বিকল্প হিসেবে গানও নির্বাচন করতে পারেন)
  • open/daily/next/start time এ আপনার প্রয়োজন মত সময় নির্বাচন করে next এ ক্লিক করুন।
  • আপনার কম্পিউটার এ password দেওয়া থাকলে password দিয়ে next এ ক্লিক করে open advance এ টিক চিহ্ন দিয়ে finish এ ক্লিক করুন।
  • এখন setting এ গিয়ে wake the কম্পিউটার এ টিক চিহ্ন দিয়ে ওকে করে বেরিয়ে আসুন।
  • এখন আপনি রাত্রে ঘুমানোর সময় keyboard থেকে sleep বাটন চাপুন অথবা পাওয়ার বাটন চাপুন।
দেখবেন কম্পিউটার ঘুমিয়ে গেছে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনাকে ডাকবে।

Windows 7 Restore Points তৈরি করুন

একটি চিন্তা “বিন্দু পুনরুদ্ধার” আপনার উইন্ডোজ এর একটি স্ন্যাপশট হিসাবে 7 সময় একটি সময়ে সিস্টেম কনফিগারেশন. বিন্দু পুনরুদ্ধার স্ন্যাপ যেমন তৈরি করা যেমন ইউজার ত্রুটি বা একটি সফটওয়্যার ইনস্টলেশন কিছু ঘটনা আপনার উইন্ডোজ পরিবর্তিত যে ঘটনা ফিরে এই কনফিগারেশন রাষ্ট্র প্রত্যাবর্তন করতে সক্ষম হবে 7 একটি খারাপ দশায় কনফিগারেশন.
অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখ্য,, উইন্ডোজ 7 স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূর্বে একটি সফ্টওয়্যার বা আপডেট ইনস্টলেশন নিজস্ব পুনরুদ্ধার পয়েন্ট তৈরি হবে. কিন্তু, সব না সফ্টওয়্যার ইনস্টলেশন একটি পুনরুদ্ধার বিন্দু একটি সৃষ্টি আরম্ভ হবে.
আপনি নিজে তৈরি করতে চান যখন একটি বিন্দু পুনঃস্থাপন জন্য নীচের পদক্ষেপ. পরীক্ষা নিরীক্ষা বা উইন্ডোজ সঙ্গে tweaking আগে এটি নিজে আপনার নিজস্ব পুনরুদ্ধার পয়েন্ট তৈরি করার জন্য একটি ভাল ধারণা হবে 7 কনফিগারেশন.
একটি বিন্দু পুনরুদ্ধার উল্লেখ্য, ব্যবহারকারীর তথ্য বা ফাইল একটি ব্যাকআপ একটি নয়. ব্যবহারকারী ফাইল এবং তথ্য সংরক্ষণ করা হয় না বিন্দু পুনরুদ্ধার. এটা শুধুমাত্র উইন্ডোজ সংরক্ষণ 7 সিস্টেম কনফিগারেশন.
একটি পুনরুদ্ধার পয়েন্ট তৈরি করার জন্য নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করুন …
1. নিয়ন্ত্রণ প্যানেলে যান …

2. দেখার জন্য ক্লিক করুন “সিস্টেম এবং নিরাপত্তাসহএবং

3. দেখার জন্য ক্লিক করুন “পদ্ধতি”

4. দেখার জন্য ক্লিক করুন “সিস্টেম সুরক্ষা” লিংক

5. দেখার জন্য ক্লিক করুন “তৈরি করুন…” অধীন বোতাম “সিস্টেম সুরক্ষা” ট্যাব.

6. আপনি আপনার মেশিন এই পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনুন এর সৃষ্টির সময় এ কি রাষ্ট্র মনে রাখতে সাহায্য পুনরুদ্ধার পয়েন্ট বিবরণ লিখুন. সময় ও তারিখ তথ্য ইতিমধ্যে বিন্দু পুনরুদ্ধার সঙ্গে যুক্ত করা হবে দয়া করে নোট, তাই এটি এই বিবরণ যে তথ্য রাখা প্রয়োজন হবে না (আপনি চান, যদি না).

7. এখানে আমরা দেখতে উইন্ডোজ 7 বিন্দু পুনঃস্থাপন একটি তৈরি করা হয়…

8. এবং এটা করা হয় যখন, এটা করবে না উইন্ডোজ 7 আপনি বলে একটি নিশ্চিতকরণ বার্তা দিতে হবে “পুনঃস্থাপন বিন্দু সফলভাবে তৈরি করা হয়েছে

9. এখন আপনি যাই হোক না কেন সেটিং এবং কনফিগারেশন পরিবর্তন করা এবং আপনি চান যে কোনো ড্রাইভার ও সফটওয়্যার ইনস্টল করতে পারেন, আপনি এই বর্তমান অবস্থায় ফিরে আপনার সিস্টেম পুনরুদ্ধার করতে পারেন

Windows 8 ফাইল বা ফোল্ডার মুছে দেয়ার নোটিফিকেশন চালু করুন



এবার আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম একটি ছোট টিপস যা আপনার পিসি পরিচালনার ক্ষেত্রে অগ্রধিকার ভূমিকা পালন করবে । আপনি যদি উইন্ডোজ ৮ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনি লক্ষ করবেন যে আপনার পিসি থেকে যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার মুছে ফেলার সময়ে  কোন নোটিফিকেশন (বিজ্ঞপ্তি) ছাড়ায় সেই ফাইলটি মুছে যায়।
*আজ আপনাদের দেখাব যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার মুছে ফেলার সময়ে নিশ্চিতকরণ নোটিফিকেশন বিজ্ঞপ্তি বক্স দেখাবে নিচের ছবির মত

যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার মুছে ফেলার সময়ে নিশ্চিতকরণ বিজ্ঞপ্তি চালু করার জন্য ডেক্সটপ এ অবস্থিত রিসাইকেল বিন (Recycle Bin) আইকন এর প্রোপার্টিজ (Properties) এ ক্লিক করুন।


এবার নিচের ছবির মত আসলে চিহ্নিত (Display Delete confirmation dialog) স্থানে টিক দিয়ে দিন এবং OK (ওকে) বাটনে ক্লিক করে সংরক্ষন করুন।

এবার যেকোনো ফাইল মুছে ফেলার সময়ে ঠিক পুর্ববর্তি উইন্ডোজ সংস্করণ (উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা ও উইন্ডোজ 8) এর মত করেই ফাইল মুছে ফেলার নিশ্চিতকরণ  বিজ্ঞপ্তি দেক খাবে ঠিনিচের ছবির মত

আপনাকে ধন্যবাদ! এত কষ্ট করে এই ছোট টিউটোরিয়াল পড়ার জন্য । সামনে আবারও কিছু টিউটোরিয়াল নিয়ে হাজির হব ইনসাআল্লাহ! সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।


আপনার পিসি স্লো পারফর্ম করে ?


এই আধুনিক যুগে সার্বক্ষণিক প্রয়োজনে আমরা নির্ভরশীল আমাদের কম্পিউটারটির উপর – সকালে বা বিকালে, রাতে-বিরাতে, সময়ে কি অসময়ে! আর অপরিহার্য এই প্রয়োজন, এই কম্পিউটারটি যখন বেশ কিছু সময় ব্যবহারের ফলে বা কোন কারনে স্লো পারফর্ম করে, তা বিরক্তির কারন হয়ে দাড়ায় যে কারোই।


আবার দেখা যায়, ঠিক যে সময় খুব প্রয়োজনীয় একটি কাজ করছেন আপনার পিসিতে, বা কোন একটি প্রমান সাইজের প্রোগ্রাম রান করছেন তখন কম্পিউটার কমান্ড প্রসেস করতে অনেক সময় নিচ্ছে, অনেক ধীর হয়ে গেছে পিসি। এমন সমস্যার মুখে মেজাজ বা মাথা ঠাণ্ডা রাখা খুবই অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তাই মন-মর্জিকে শান্ত রাখতে হলে, আপনার পিসিকেও রাখতে হবে Healthy & Fast।
আর এ জন্যই প্রথমে জেনে নেয়া প্রয়োজন আপনার কম্পিউটারকে ধীর করে দেয়ার পিছনে সাধারনত কি কি কারণগুলো দায়ী :
  • দুর্বল Processor এবং অপর্যাপ্ত RAM
  • Bad Sector সহ হার্ডডিস্ক
  • অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করে RAM ও হার্ডড্রাইভ অতিরিক্ত ভারী করে রাখা
  • কম্পিউটার যদি ভাইরাস, ট্রোজান ও স্পাইওয়ার দ্বারা আক্রান্ত হয়
  • অ্যান্টি-ভাইরাস ও ভুল ডিভাইস ড্রাইভার ইন্সটল্ড থাকা
এই টিপিক্যাল কারণগুলো সচরাচর পিসিকে স্লো করে দেয়, তবে কিছু জটিলতর সমস্যাও এর জন্য দায়ী হতে পারে। তবে, এই সাধারন সমস্যাগুলো কিভাবে ডিল করবেন, কিভাবে সমাধান করে পিসিকে ফাস্ট করবেন তা জেনে নেওয়াটাও জরুরী। খুব অ্যাডভান্সড কোন উপায় নয়, কিছু সহজ উপায়ে কিভাবে পিসিকে আরও ফাস্ট করবেন তা জেনে নিন –

ডি-ক্লাটার

আগেই বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো হার্ডড্রাইভ ভারী করে রাখে, RAM কেও অপ্টিমাম পারফরম্যান্স দিতে বাঁধা দেয়। তাই যে প্রোগ্রামগুলো আপনি সচরাচর বা একদমই ব্যবহার করেন না সেগুলো নির্দ্বিধায় Windows এর Control Panel থেকে Program & Features লিস্ট থেকে একে একে Uninstall/Remove করুন।

Don’t Let TEMP Tempt You

পিসির Temporary Files গুলো ডিলিট করতে হবে। আপনার পিসির Run অ্যাপ্লিকেশন থেকে TEMP রান করুন। দেখবেন, এক গাঁদা ফাইল ভর্তি TEMP নামক একটি ফোল্ডার ওপেন হয়েছে। ফোল্ডারের ভিতরের সবগুলো ফাইল Ctrl+A দিয়ে সিলেক্ট করে Shift+Delete চেপে ডিলিট করুন। ফাইলগুলো আপনি পিসির My Computer থেকে C: Drive > Windows > Temp – ফোল্ডার থেকেও বের করে ডিলিট করতে পারেন। তবে ফোল্ডারটি ডিলিট করবেন না কিন্তু!

হার্ডড্রাইভের ব্রিদীং স্পেইস

সবসময় চেষ্টা করবেন যাতে আপনার হার্ডড্রাইভ এর মোট স্পেস এর একটা প্রমান পরিমান ফ্রি থাকে – হার্ডড্রাইভ এর সাইজ অনুপাতে তা কম বেশী হতে পারে। তবে মিনিমাম ১০০ জিবি ফ্রি-স্পেস রাখলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়না। প্রয়োজনে নতুন হার্ডডিস্ক কিনুন, কিন্তু হার্ডড্রাইভ ওভারলোড করবেন না।

পরিষ্কার পিসি, ফাস্ট পিসি

কম্পিউটার এর প্রসেসর বা হিট সিঙ্ক ফ্যান যদি ধুলাবালি জমে ময়লা হয়ে যায়, তাহলে সিপিউ এর ভিতরে টেম্পারাচার কন্ট্রোল ডিস্টার্বড হয়। তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে প্রসেসর উত্তপ্ত হয়ে এর অপ্টিমাম পারফর্ম্যান্স ব্যহত হয়। তাই, পিসি যাতে ধীর না হয়ে যায় তার জন্য CPU Casing এর ভিতরের অংশ নিওমিত পরিষ্কার করে ধুলাবালি মুক্ত রাখুন।

Defragmentation of Disks

হার্ডড্রাইভ এর প্রতি সপ্তাহে Disk Defragment করা আবশ্যক। হার্ডড্রাইভ এর অবিন্যস্ত ফাইলগুলোকে ক্যাটাগোরাইজ করে সাজিয়ে ফ্রি স্পেস অপটিমাইজ করতে এই টুলটি খুব কার্যকরী। এই টুল ব্যবহার করতে প্রথমে My Computer এ Right Click করে Properties এ যেতে হবে। সেখানে Tools সেকশনটি সিলেক্ট করতে হবে। Tool List হতে “Defragment Now” বাটনটি ক্লিক করে যে ড্রাইভটি Defrag করতে চান সেই ড্রাইভটি সিলেক্ট করলেই কাজ সম্পন্ন!
এখন ঝটপট উপায়গুলো প্রয়োগ করে দেখুন, আপনার পিসি কতটা ফাস্ট হয়ে যায়।

জেনে নিন, কম গতির কম্পিউটারকে গতিশীল করার উপায় !


বর্তমান যুগে কম্পিউটার ব্যবহার করেনা এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। নিত্য-প্রয়োজনীয় এ কম্পিউটার যদি কাজের সময় অথবা অসময়ে স্লো হয়ে যায় তাহলে মেজাজ বিগড়ে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা অনেক সময় এমন সমস্যার মুখোমুখি হয়। যেমন ধীর গতির ফাইল-কপি অথবা যেকোনো প্রোগ্রাম লোড হতে অনেক বেশী সময় নেয়া ইত্যাদি। কম্পিউটার ধীর হয়ে যাবার পেছনে অনেক ধরনের কারণ থাকতে পারে। তবে নীচের কারণগুলোর জন্য বেশি হয়ে থাকে।
কম্পিউটারে ভাইরাস এবং ট্রোজান জাতীয় সফটওয়ার থাকা যা ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনার অগোচরে কাজ করে যেতে পারে।
স্পাইওয়ার এবং অপ্রয়োজনী সফটওয়ার ইন্স্টল করে রাখা যা কম্পিউটার স্টার্টাপের সময় লোড হয়ে যায় আর সারাক্ষন চলতে থাকে।
ব্যাকগ্রাউন্ডে অনবরত এন্টি-ভাইরাস সফটওয়ার চলতে থাকা।
হার্ডড্রাইভে Bad Sector থাকা।
অপর্যাপ্ত RAM।
অনেক সময় সঠিক ডিভাউস ড্রাইভার ইন্স্টল করা না থাকা।
এগুলো শুধু সচরাচর আমরা যা দেখে থাকি তাই। তবে আরো জটিল আকারের সমস্যাও থাকতে পারে। তো, কিভাবে আপনার ধীর গতির কম্পিউটারে একটু গতি আনবেন? তাই এজন্য আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে কম্পিউটারে, যা খুবই সহজ।
  • ১. অপ্রয়োজনী প্রোগ্রাম আন-ইন্সটল করে ফেলা

উইন্ডোজ সেভেনের কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে Programs & Features খুলে দেখবেন একটা লম্বা লিস্ট আছে। যে যে প্রোগ্রামগুলো আপনি ব্যবহার করেন না সেগুলো আন-ইন্সটল করে ফেলুন চোখ বন্ধ করে।
  • ২. Temporary Files ডিলিট করে ফেলা

কাজটি করা খুব সহজ! My Computer এ যান এরপর C: Drive > Windows > Temp এঅ ফোল্ডারের ভেতর যা আছে সব ডিলিট করে ফেলুন। ফোল্ডারটি ডিলিট করবেন না। Recycle Bin থেকেও ডিলিট করে ফেলুন।
  • ৩. হার্ডড্রাইভ

আপনার হার্ডড্রাইভ যদি হয়ে থাকে ৫০০ গিগাবাইটের আর আপনার মোট ফাইল যদি হয়ে যায় ৪৫০ গিগাবাইট, তাহলে ধরে নিন আপনার নতুন হার্ডড্রাইভ কেনার সময় হয়েছে। কারন হার্ডড্রাইভ ভর্তি থাকলে আপনার কম্পিউটার ধীরগতির থাকবে। সবসময় চেষ্টা করবেন যেন অন্তত ১০০ গিগাবাইট ফ্রি-স্পেস থাকে।
  • ৪. Disk Defragment

এই টুলটি খুব উপকারী বিশেষ করে ধীর হয়ে যাওয়া হার্ডড্রাইভের ক্ষেত্রে। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার Disk Defragment করুন। এটি করতে My Computer এ Right Click করে Properties এ যান। এরপর Tools সেকশনের নীচে দেখবেন “Defragment Now”. এখানে ক্লিক করে আপনার ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন এবং Defrag করুন। এই প্রোগ্রামটি আপনার সমস্ত অবিন্যস্ত ফাইলগুলোকে সুন্দর করে সাজিয়ে আনবে এবং ফ্রি স্পেসকে অপটিমাইজ করবে।

  • ৫. সিপিইউ কেসিং
সিপিইউ কেসিং এর ভেতরের অংশটাকে ধুলাবালি মুক্ত রাখুন। যদি প্রসেসর বা হিট সিঙ্ক ফ্যানে ধুলা জমে যায় তাহলে প্রসেসর অনেক বেশী উত্তপ্ত হয়ে যায় আর তাপমাত্রা বেড়ে গেলে আপনার কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যেতে পারে। তাই, সিপিইউ এর ভেতরের অংশটিকে রীতিমত হাসপাতাল বানিয়ে রাখুন।

শ্রেষ্ঠ কম্পিউটার টিপস ও ট্রিকস যা প্রত্যেকেরই জানা দরকার ।


কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই তাদের কম্পিউটারের দক্ষতা উন্নত করার সর্বশেষ টিপস এবং ট্রিকস জানতে চান। কিছু ব্যবহারকারী আগ্রহ দেখান না কিন্তু এই সাধারণ ট্রিকস প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য খুবই সহায়ক। এই কৌশলগুলি আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করবেনা শুধুমাত্র নীচের টিপস ও ট্রিকস অনুসরণ করতে হবে।
God Mode: এটি উইন্ডোজ হিডেন ফোল্ডার, গড মোড ফোল্ডার আপনাকে ফোল্ডারের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ প্যানেল দেয় যেখান থেকে অপারেটিং সিস্টেম সেটিংস এবং VPN সেটিংস, ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে সবকিছু অপটিমাইজ করতে পারেন। এই ফোল্ডার তৈরি করতে
  • নতুন একটি ফোল্ডার তৈরি করে রিনেম করতে হবে God Mode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C} এটি দিয়ে।
  • স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোল্ডার এর কন্ট্রোল প্যানেল আইকন পরিবর্তন করবে।
  • এখন আপনি আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর যেকোন সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন।
Problems Step Recorder: সিস্টেম এরর রেকর্ড করার একটি হ্যান্ডি টুল হল স্টেপ রেকর্ডার। কোন সমস্যা হলে কারিগরি সহায়কের সঙ্গে পরামর্শ দরকার হলে প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার আপনার সমস্যার রেকর্ড রাখবে পিসিতে। সাহায্যের জন্য সকল সমস্যার স্ক্রিনশট রাখে এটি। সমস্যা সমাধানের জন্য সাহায্যকারী ব্যক্তির কাছে তথ্য পাঠাতে সাহায্য করবে এটি। প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে
  • উইন্ডোজ বাটনে ক্লিক করে run টাইপ করুন
  • রান বক্স ওপেন হলে psr টাইপ করতে হবে এবং ok বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • এবার প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে পারবেন।
সর্বাধিক পরিচিত কি-বোর্ড শর্টকাট: পিসি সহজে চালানোর জন্য ব্যবহারকারীকে বেশী বেশী কি-বোর্ড শর্টকাট জানা দরকার। এখানে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য কিছু আবশ্যক পরিচিত কীবোর্ড শর্টকাট দেয়া হল

  • স্ক্রিনশট নিতে Alt + print screen key শুধুমাত্র একটিভ উইন্ডো ক্লিপবোর্ডে কপি করে।
  • Alt + Tab চলমান প্রোগ্রামকে সার্কেল করে।
  • চলমান কোন প্রোগ্রাম কাজ না করলে Alt + Ctrl + Delete কী প্রোগ্রাম টাস্ক ম্যনেজারের মাধ্যমে বন্ধ করতে সাহায্য করে। সরাসরি টাস্ক ম্যানেজার কাজ করতে চাইলে Ctrl + Shift + Esc।
  • Windows + D সব উইন্ডো মিনিমাইজ করতে ব্যবহার করা হয়।
  • সিস্টেম ইনফরমেশন দেখতে Window + Pause/ Break
  • সেকেন্ড ডিসপ্লে অথবা প্রজেক্টর সেট করতে Windows + P ব্যবহার করতে হবে।
  • ফাইল নেম পরিবর্তন করতে আমরা রাইট ক্লিক করি কিন্তু F2 বাটন চেপে এই কাজ সরাসরি করা যায়।
  • Windows + L অন্য প্রোগ্রামের বিরক্তি থেকে বাঁচতে।
Run Programs On Infected Pc: ভাইরাসের কারণে কোন প্রোগ্রাম চালু না হলে নাম পরিবর্তন করে .exe দিলে চালু করা যাবে।
Private Browsing Window: ব্রাউজারে আপনি কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছেন তা গোপন করতে চাইলে
  • Ctrl + Shift + N নতুন প্রাইভেট উইন্ডো গুগল ক্রোম ব্রাউজারের জন্য।
  • Ctrl + Shift + P প্রাইভেট উইন্ডো মোজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য।

Computer Password ভুলে গেলে করণীয় কম্পিউটারের এ্যাডমিনিষ্ট্রেটর কিবাবে হবেন


সাধারণত বাসার কম্পিউটারে একাধিক ইউজার থাকে ফলে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ একাউন্ট ব্যবহার করতে হয় নিরাপত্তার জন্য। এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ একাউন্ট ব্যতিত কোন সফটওয়্যার যেমন ইনষ্টল করা যায় না তেমনই অনেককিছুই পরিবর্তন করা যায় না।

যদি কোন কারণে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড ভুলে যান তাহলে সেক্ষেত্রে বেশ বিপাকে পড়তে হয় হয়তোবা নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনষ্টল কারারও প্রয়োজন হতে পারে এমতবস্থায় আপনি যদি limited user ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সহজেই limited user এর মাধ্যমে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে বা নতুন ইউজার খুলতে অথবা বর্তমান লিমিটেড ইউজারকে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।


  • এজন্য কমান্ড প্রোম্পট খুলে (রানে গিয়ে Crtl+R চেপে cmd লিখে এন্টার করলে) নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন।
  • cd\ লিখে enter করুন
  • c: লিখে enter দিন
  • cd windows\system32 লিখে enter দিন
  • copy logon.scr logon.old লিখে enter দিন
  • copy cmd.exe logon.scr লিখে enter দিন


  • এছাড়াও সরাসরি উইন্ডোজের system32 ফোল্ডারে ঢুকে logon.scr ফাইলকে যেকোন নামে rename করে আবার cmd.exe ফাইলকে logon.scr নামে rename করতে পারেন।


এবার কম্পিউটার restart করুন এবং কম্পিউটার logon না করে অপেক্ষা করুন তাহলে নির্দিষ্ট সময় পরে স্ক্রিনসেভারের ওয়েট টাইম) স্ক্রিনসেভারের পরিবর্তে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে।

যদি এই পদ্ধতিতে কমান্ড প্রোম্পট না খোলে তাহলে বিকল্প হিসাবে কমান্ড প্রোম্পট খুলে নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন।

  • cd\ লিখে enter দিন,
  • c: লিখে enter দিন,
  • cd windows\system32 লিখে enter দিন,
  • copy sethc.exe sethc.old লিখে enter দিন,
  • copy cmd.exe sethc.exe লিখে enter দিন
  • এছাড়াও সরাসরি উইন্ডোজের system32 ফোল্ডারে ঢুকে sethc.exe ফাইলকে rename করে আবার cmd.exe ফাইলকে sethc.exe নামে রিনেম করুন।


এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং কম্পিউটার logon না করে শিফট (Shift) কী পাঁচবার চাপুন তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে।

এখন এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে net user administrator 2007 লিখুন তাহলে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়ে ২০০৭ হয়ে যাবে।

আর আপনি যদি পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে নতুন ইউজার খুলতে চান তাহলে net user Sohel /add লিখে এন্টার দিন তাহলে Sohel নামে নতুন একটি ইউজার তৈরী হবে।

এবার Sohel ইউজারকে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করতে হলে net localgroup administrator Sohel/add লিখুন এবং এন্টার দিন। তাহলে আপনার বর্তমান ইউজার (Sohel) এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।

একইভাবে বর্তমান ব্যবহার করা যে কোন লিমিটেড ইউজারকে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

login করার সময় কমান্ড প্রোম্পট আসেল control userpassword2 লিখে এন্টার করলে ইউজার একাউন্টস আসবে যেখান থেকে সহজেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা বা ইউজার তৈরী করা যাবে।

আর nusrmgr.cpl লিখে এন্টার করলে ইউজার একাউন্টস ম্যানেজমেন্ট আসবে এবং lusrmgr.msc লিখে এন্টার করলে লোকাল ইউজারস এন্ড গ্রুপ আসবে যেখান থেকেও ইউজার তৈরী বা পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা যাবে।
এছাড়াও কমান্ড প্রোম্পট শুধূ control লিখে এন্টার করলে ইউজার কনট্রোল প্যানেল খোলবে।

আশা করি বুঝতে সমস্যা হবে না কোন সমস্যা হইলে জানাবেন
খোদা হাফেজ 

Windows 8,8.1 এর activator সমস্যা এবং সমাধান


উইন্ডোজ ৮ এবং ৮.১ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই, মাইক্রোসফটের নতুন এই অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে কম বেশি সবাই জানি। গত বছর মাইক্রোসফট তাদের উইন্ডোজ এর নকশায় বড় ধরনের পরিবরতন করে উইন্ডোজ ৮ রিলিজ করে, এই নকশায় স্টার্ট বাটন থেকে শুরু করে ডট নেট ৩.৫ সহ আর অনেক কিছু বাদ দিয়ে দেয়া হয়, এবং সিকিউরিটি তে আনা হয় অনেক পরিবর্তন। স্টার্ট বাটন/মেন্যু আর ডট নেট ৩.৫ না থাকায়, ইন্টারফেস পরিবর্তনের কারনে কিছুটা জটিল অবকাঠামোর জন্য শুরুতে ইউজারদের কঠোর সমালোচনার মুখে পরতে হয় মাইক্রোসফট কে। তবে উইন্ডোজ ৮ এর শক্তিশালী সিকিউরিটি আর দুর্দান্ত পারফর্মেন্স এর কাছে সেসব সমালোচনা চাপা পরে যায়। জনপ্রিয় হয়ে ওঠে উইন্ডোজ ৮।এবছরের ১৭ অক্টোবর মাইক্রসফট উইন্ডোজ ৮ এর নতুন সংস্করণ৮.১ রিলিজ করে। নতুন ফিচারস,ইজি বুটিং, উন্নত সিকিউরিটি আর দ্রুত প্রসেসিং এর জন্য উইন্ডোজ ৮.১ বর্তমানে সবারই প্রিয়।



windows ৮/৮.১ এর আরও অনেক সুবিধা আছে যেগুলো আগের অপারেটিং সিস্টেম গুলোতে নাই। আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে এর ডিফল্ট এপ্স গুলো, অনেকের কাছে এটাকে ঝামেলা মনে হতে পারে। স্বাভাবিক , একেক জনের চয়েস একেক রকম হবে এটাই ভাল ।


এত ভাল গুনাবলি থাকার পরও এই নতুন অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে ঝামেলায় পরেন নি, এমন ইউজার খুব কম আছেন। আর এ সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে না পেরে অনেকেই চলে গেছেন আগের পুরোনো উইন্ডোজে ।


সমস্যা এবং সমাধানে যাওয়ার আগে বলে নেওয়া ভাল যে, উইন্ডোজের আগের ভার্সন গুলো যে কার্নেল উপর ভিত্তি করে করে নির্মাণ করা হয়েছিল, উইন্ডোজ ৮/৮.১ সম্পূর্ণ ভিন্ন কার্নেল ব্যাবহার করে নির্মাণ করা হয়েছে। তাই আপনাকে কিছুটা পরিবর্তন মানসিকতা নিয়ে এগুতে হবে।



সমস্যা নাম্বার একঃ windows activation:

সমাধানঃ


ফায়ার-ওয়াল: কি এবং কিভাবে কাজ করে?


ফায়ার-ওয়াল শব্দটির সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। এটি আপনার ডিভাইসের জন্য একধরনের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এখন, খুব সম্ভবত আপনি যদি না জেনে থাকেন তাহলে প্রশ্ন হতেই পারে

এটা আসলে কি এবং কিভাবে কাজ করে?

ফায়ার-ওয়াল কম্পিউটার (অথবা লোকাল নেটওয়ার্ক) এবং অন্য যেকোন নেটওয়ার্ক এর মাঝামাঝি থেকে ইনকামিং এবং আউট-গোইং ট্রাফিক বা ডাটা কন্ট্রোল করে। ফায়ার-ওয়াল ব্যতিত যেকোন ডিভাইসে যেকোন কিছু হতে পারে। অন্যদিকে ফায়ার-ওয়াল যুক্ত ডিভাইসগুলো তুলনা মুলক ভাবে বেশি সুরক্ষিত, কেননা সেসব ডিভাইসের ক্ষেত্রে ফায়ার-ওয়াল এর নিয়ম গুলোই আসলে নির্ধারন করে দেয় যে, কোন ট্রাফিক বা ডাটা গুলো আপনার ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে এবং কোনগুলো পারবে না।

কম্পিউটার গুলোতে যে কারনে ফায়ার-ওয়াল যুক্ত করা থাকে


অধিকাংশ মানুষই এখন তাদের ঘরে রাউটার ব্যবহার করে থাকে যাতে তারা তাদের বিভিন্ন ডিভাইসে ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারে। যাইহোক, আগে এমন একটা সময় ছিল যখন মানুষ ইন্টারনেট এ কানেক্ট হওয়ার জন্য তাদের ডিভাইসটিকে সরাসরি ইথারনেট ক্যবল অথবা DSL মডেম এর সাথে কানেক্ট করতে হত। কম্পিউটার যেগুলো কিনা ইন্টারনেট এর সাথে সরাসরি কানেক্টেড, তাদের সাধারনত publicly addressable IP থাকে অন্য কথায়, যেকোন মানুষ ইন্টারনেট থেকে ওইসব কম্পিউটার গুলোকে অ্যাক্সেস করতে পারবে। যে ধরনের নেটওয়ার্ক সার্ভিসই আপনি আপনার publicly addressable IP কম্পিউটারে ব্যবহার করেন না কেন যেমনঃ উইন্ডোজ এর ফাইল এবং প্রিন্টার শেয়ার সার্ভিস, রিমোট ডেস্কটপ এং অন্যান্য আরো সব ফিচার; এ সবই অন্য যেকোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ইন্টারনেট এর মাধ্যমে এক্সেস করতে পারবে।

উইন্ডোজ এর ক্ষেত্রে, অরিজিনাল উইন্ডোজ এক্সপিতে বিল্ট-ইন ফায়ার-ওয়াল ছিল না। লোকাল নেটয়ার্ক এর বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করার জন্য তখন উইন্ডোজ এক্সপিতে ছিল না কোন ফায়ার-ওয়াল এবং কম্পিউটার সরাসরিই ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্ট হতে পারত, যার ফলে সে সময় উইন্ডোজ এক্সপি উজার দেরকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখিন হতে হয়েছিল। ইন্টারনেট এ কানেক্ট হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই কমিউটার গুলো বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাসে আক্রান্ত হতে থাকে। যার পরিপ্রেক্ষিতে সুচনা হয় “The Windows Firewall” এর। এটি সর্বপ্রথম উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিসপ্যাক ২ এর সাথে বিল্ট ইন ভাবে রিলিজ হয়।

বিল্ট-ইন ফায়ার-ওয়াল এর মাধ্যমে ওইসব নেটওয়ার্ক সার্ভিসগুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং সব ধরনের ইন্টারনেট কানেকশন রিসিভ করার পরিবর্তে ফায়ার-ওয়াল সিস্টেম সব কানেকশন গুলো ড্রপ কিরতে শুরু করে যদিনা সেগুলো নির্দিষ্ট ভাবে রিসিভ করার ক্ষত্রে কনফিগার করা থাকে।

এটিই পরবর্তিতে অন্যান্য ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদেরকে আরেকজনের কম্পিউটারে অনিয়ন্ত্রিত এক্সেস প্রতিরোধ করতে থাকে। শুধু তাই নয় আপনার লোকাল নেটওয়ার্ক এর অন্যন্য কম্পিউটার থেকে আসা নেটওয়ার্ক সার্ভিসের এক্সেস ও কন্ট্রোল করে ফায়ার-ওয়াল। এর জন্যেই যখন আপনি অজ্ঞাত কোন একটা নেটওয়ার্ক এর সাথে কানেক্ট হন, এটি আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, এটা কোন ধরনের নেটওয়ার্ক? যদি আপনি হোম নেটওয়ার্ক এর সাথে কানেক্ট থাকেন তাহলে ফায়ার-ওয়াল ওই সব সার্ভিসের জন্য কম্পিউটার এক্সেস করার অনুমতি দিবে এবং যদি পাবলিক নেটওয়ার্ক এর সাথে কানেক্ট থাকেন তাহলে ফায়ার-ওয়াল ওই সব সার্ভিস গুলোকে কম্পিউটার এক্সেস করার অনুমতি দিবে না।

এমনকি যদি কোন নেটওয়ার্ক সার্ভিস ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্ট নাও থাকে তারপরও এটা সম্ভব যে সেই সার্ভিসের নিজের মধ্যেই কিছু সিকিউরিটি ত্রুটি রয়েছে এবং এধরনের ত্রুটির জন্য স্পেসালি ক্রাফটেড রিকয়েস্ট যে কোন ধরনের আক্রমন কারীকে আপনার কম্পিউটারে যত্রতত্র ধরনের কোড রান করাতে অনুমতি প্রদান করবে। ফায়ার-ওয়াল এধরনের ইনকামিং কানেকশন গুলোকে ওই সব সম্ভাব্য ভঙ্গুর সার্ভিস গুলোতে পৌঁছানোর হাত থেকে প্রতিরোধ করে।

আরো ফায়ার-ওয়াল ফাংশন


ফায়ার-ওয়াল একটা নেটওয়ার্ক ( যেমনঃ ইন্টারনেট ) এবং কম্পিউটার ( অথবা লোকাল নেটওয়ার্ক ) মাঝে থেকে কম্পিউটার ( অথবা লোকাল নেটওয়ার্ক ) গুলোকে যত্রতত্র এক্সেস এর হাত থেকে রক্ষা করে। হোম ব্যবহারকারীদের জন্য ফায়ার-ওয়াল এর প্রধান সিকিউরিটি উদ্দেশ্য হচ্ছে অপ্রত্যাশিত ইনকামিং নেটওয়ার্ক ট্রাফিক প্রতিরোধ করা। কিন্তু ফায়ার-ওয়াল এর থেকেও বেশি কিছু করতে সক্ষম। করন ফায়ার-ওয়াল দু’টি নেটওয়ার্কের মাঝে থেকে কাজ করে এবং সব ধরনের ইনকামিং এবং আউট-গোইং ট্রাফিক গুলোকে অ্যানালাইজ করতে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে এদের সাথে কি করতে হবে। যেমনঃ একটা ফায়ার-ওয়াল কে এভাবেও কনফিগার করা যায় যেখানে এটি শুধু মাত্র নির্দিষ্ট কিছু ধরনের আউট-গোইং ট্রাফিক ব্লোক করে রাখবে অথবা সন্দেহ জনক ট্রাফিক বা ডাটা গুলোকে কেটে বাদ দিয়ে দিবে।

একটি ফায়ার-ওয়াল এর বিভিন্ন ধরনের নিয়ম থাকতে পারে যেগুলো কিনা নির্দিষ্ট ধরনের কিছু ডাটা টাইপ বাইপাস করার অনুমতি দেবে অথবা অনুমতি দেবে না। উদাহরন সরুপঃ ফায়ার-ওয়ালটিকে এমন ভাবেও কনফিগার করা যেতে পারে যেখানে এটি শুধু মাত্র নির্দিষ্ট সার্ভার এ কানেকশনের অনুমতি পাবে এবং অন্যান্য কানেকশন রিকোয়েস্ট ড্রপ করবে।

এখন মজার বিষয়টা হচ্ছে ফায়ার-ওয়াল যেকোন কিছু হতে পারে। হতে পারে আপনার ল্যাপ্টপে রান হতে থাকা ছোট একটা সফটওয়্যার যেমন উইন্ডোজ ফায়ার-ওয়াল, আবার হতে পারে ডেডিকেটেড হার্ড-ওয়্যার ফায়ার-ওয়াল ( কর্পোরেট নেটওয়ার্ক এর ক্ষেত্রে )। এ ধরনের কর্পরেট ফায়ার-ওয়াল অয়াউট-গোইং সব ট্রাফিক অ্যানালাইজ করতে পারে যাতে নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে কোন ধরনের ম্যালওয়ার যোগাযোগ করতে না পারে এছাড়াও কর্মীদের জন্য বরাদ্য নেটওয়ার্ক মনিটর এবং ট্রাফিক ফিল্টার করার করার জন্যও এটি ব্যবহার করা হয়। যেমন ফায়ার-ওয়ালকে এমন ভাবেও কনফিগার করা যেতে পারে যাতে করে শুধু মাত্র ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যাবে, নো-ডাউনলোড, নো-ইন্টারনেট অ্যাপ্লিকেশান।

আপনিও যদি অধিকাংশ সাধারন এর মত হন তাহলে আপনার বাসায় ও রাউটার রয়েছে। রাউটারের NAT ( network address translation ) ফিচার এর কারনে এটি আসলে হার্ডোয়্যার ফায়ার-ওয়াল হিসেবে কাজ করে এবং অপ্রত্যাশিত কোন নেটওয়ার্ককে আপনার কম্পিউটার বা আপনার অন্য কোন ডিভাইসে ( যা আপনার রাউটার এর সাথে কানেক্টেড ) পৌছাতে দেয় না।
আশাকরি কিছুটা হলেও নতুন কিছু জানাতে পরেছি এবং আজকের এই টপিক সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থেকে থাকলে নির্দিধায় কমেন্ট করে জানিয়ে দিন। এবং সবসময়ের জন্য, ধন্যবাদ।