Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts
Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts

অটোমেটিক রিসেন্ট পোস্টস স্লাইডার ফর ব্লগার


বন্ধুরা আশাকরি সবায় ভাল আছেন ও সুস্থ আছেন আজকে আমি আপনাদের জন্য সুন্দর একটি Latest Posts ওয়েডগেট নিয়ে হাজির হলাম এই পোস্টে স্টাইল এটাতে কোন ইমেজ শো করবে না এটা লিস্ট আকারে দেখাবে সঙ্গে একটা সুন্দর ইফেক্ট আছে আর সেটা হল এটা অটো এনিমেশন বলতে পারেন ডেমো দেখে আশাকরি বুজতে পেরে গেছেন যাই হোক বিস্তারিত নীচে থেকে দেখুন


  • আপনার ব্লগ লগ ইন করুন তারপর ড্যাশবোর্ড থেকে Layout এ ক্লিক করুন ।

  • এবার Add a gadget এ ক্লিক করুন তাহলে একটি পপ আপ বক্স আসবে সেখান থেকে HTML/Javascript ক্লিক করুন । নীচের চিত্রে দেখুন ..






  • Title ঘর ফাকা রেখে Content ঘরে নীচের কোড গুল কপি করে পেস্ট করুন । 

আমার ব্লগ কপি প্রটেক্ট তাই ডাউনলোড করে নিতে হবে


কোড এর ভিতরে দেখুন আমার ব্লগ এড্রেস দেয়া আছে এড্রেস রিপ্লেস করুন আপনার এড্রেস দিয়ে
  • এবার Save করুন আপনার কাজ শেষ এবার ব্লগে গিয়ে দেখুন আশা করি করতে পেরেছেন ।
কোন আসুবিধা হলে কমেন্ট জানাতে ভুলবেন না আমি হেল্প করবো আমি ব্লগার নিয়ে আরও ভাল ভাল পোস্ট নিয়ে আসব তাহলে আজকে এই পর্যন্ত ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ ।

না পারলে ভিডিও দেখুন




পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।

উইন্ডোজ ৮ রিফ্রেশ বা রিইনস্টল করবেন যে ভাবে

How to reinstall Windows 8 - we explain the new Refresh



উইন্ডোজের কোন সমস্যা হলে অনেক সময় উইন্ডোজ রিইনস্টল করার প্রয়োজন হয়। উইন্ডোজ ৮ এ রিফ্রেশ নামের একটি ফিচার আছে যার দ্বারা ডেক্সটপের ফইলসহ সেটিংসগুলো ঠিক রেখেই উইন্ডোজকে রিইনস্টল করা যায়। ফাইলসহ সেটিংসগুলো ঠিক থাকলেও ইনস্টল করা অনান্য সকল প্রোগ্রামগুলো থাকবে না, তবে কোন কোন প্রোগ্রাম ইনস্টল করা ছিলো তার একটা তালিকা Removed Apps নামে একটি এইচটিএমএল ফাইলে ডেক্সটপে থাকবে।


How to reinstall Windows 8 - we explain the new Refresh

রিফ্রেশ বা রিইনস্টল করতে Windows Key+C চাপুন অথবা ডেক্সপটের নিচের/উপরের ডান মাউস রাখুন।
এখানে Settings এ ক্লিক করে নিচের Change PC Settings এর ক্লিক করুন।


PC Settings এর বাম পাশের General এ ক্লিক করে ডানের Refresh your PC without affecting your files এর Get started বাটনে ক্লিক করে Next বাটনে করুন।


তাহলে কম্পিউটারে উইন্ডোজ নতুন করে ইনস্টল হবে এবং রিস্টার্ট হবে। পরবর্তিতে বেশ কিছু কনফিগার করতে হবে। যদি উইন্ডোজের কোন ফাইল নষ্ট বা মুছে যায় সেক্ষত্রে উইন্ডোজের ডিক্সটির প্রয়োজন হতে পারে।


উইন্ডোজর রিফ্রেশ হলে পুরাতন উইন্ডোজের কিছু থেকে যেতে পারে এর মধ্যে সি ড্রাইভের Windows.old অন্যতম।


পুরাতন ফাইল মুছে ফেলতে রানে গিয়ে cleanmgr.exe লিখে এন্টার করুন এবং ডিক্স ক্লিনআপে Ok করুন। 

এখানে Clean up System Files বাটনে ক্লিক করে আবারও Ok করুন।

এরপরে File to Delete এ Previous Windows installation(s) নির্বাচন করে Ok করুন এবং Delete Files বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Windows.old ফোল্ডারসহ পুরাতন উইন্ডোজের অপ্রয়োজনীয় সিস্টেম ফাইলগুলো মুছে যাবে।


পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।

উইন্ডোজ ৮ এর স্পীড বাড়ানোর জন্য ৮টি টিপস



আপনারা যারা উইন্ডোজ ৮ ব্যাবহার করছেন তারা দেখেছেন উইন্ডোজের অন্যান্য ভার্সনগুলো থেকে উইন্ডোজ ৮ এর বুট স্পীড অনেক দ্রুত করা হয়েছে এর Desktopটি অন্যান্য উইন্ডোজ ভার্সন থেকে আলাদা এবং এইটা দেখতে অনেক সুন্দর তবে এটা কিছু গ্রাফিক্যাল সুবিধা দেওয়ার কারণে কিছুটা স্লো মনে হতে পারে কিন্তু এর বিভিন্ন সেটিংস আছে যেটা দিয়ে আপনি খুব সহজে এর গতিকে  আরও অনেক বেশি দ্রুততর করতে পারবেন আমি এখানে  আপনাদের কিছু টিপস দিচ্ছি যেগুলো উইন্ডোজের গতি  বাড়াতে সাহায্য করবে।


অ্যানিমেশন Disable করুন

উইন্ডোজ ৮-এ আমরা যখন কোন উইন্ডো মিনিমাইজ, মেক্সিমাইজ, ওপেন বা ক্লোজ করি তখন বিভিন্ন অ্যানিমেশন দেখায় এই অ্যানিমেশগুলো আমাদের হয়তোবা চোখে দেখতে সুন্দর লাগতে পারে কিন্তু এগুলো আমাদের পিসিকে স্লো করে দেয় আপনি চাইলে এই অ্যানিমেশনগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন।


এই অ্যানিমেশনগুলো বন্ধ করতে হলে প্রথমে উইন্ডোজ বাটন ক্লিক করি তারপর SystemPerformanceProperties  টাইপ করে Enter  প্রেস করি। এই  “Animate windows when minimizing and maximizing” অপশনটি আনচেক করুন। আপনি চাইলে “Fade or slide menus into view” এবং “Fade or slide ToolTips into view” অপশনগুলো আনচেক করে দিতে পারেন। এতে করে menu এবং tooltipsগুলো অ্যানিমেশন ফেডিং ছাড়া দেখাবে।

উইন্ডোজ এর Securityপ্রোগ্রামগুলো ব্যাবহার করুন

আমরা উইন্ডোজের নিরাপত্তা জন্য বিভিন্ন রকম third-party সিকিউরিটি সফটওয়্যার বা অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করে থাকি, যেগুলো আমাদের পিসিকে স্লো করে দেয়। নতুন উইন্ডোজের built-in একটি সিকিউরিটি অ্যাপ্লিকেশান Windows Defender রয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা অ্যান্টিভাইরাসের এর মত কাজ করতে পারি।


উইন্ডোজ ৮-এর একটি নতুন ফিচার হচ্ছে SmartScreen, যার নিরাপদ ডাউনলোডর নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে। উইন্ডোজের পূর্ববর্তী ভার্সনগুলোর মত নতুন ভার্সনেও একটি ফায়ারওয়াল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা কম্পিউটারের সামগ্রিক নিরাপত্তা প্রদান করে। আপনি যদি এর চেয়ে ভাল নিরাপত্তা প্রয়োজন হয় তবে আপনাকে কোন ভাল অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ ব্যবহারকারী তাদের কম্পিউটারের নিরাপত্তার জন্য উইন্ডোজ ৮-এর built-in সিকিউরিটি অ্যাপ্লিকেশানটি বেছে নেয়।

Power Setting পরিবর্তন করুন

উইন্ডোজের পূর্ববর্তী ভার্সনগুলো মত উইন্ডোজ ৮-এ ও battery life (ল্যাপটপের জন্য) এবং performance কে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। আপনি যদি আপনার উইন্ডোজের power plan দেখতে চান তবে উইন্ডোজ বাটন ক্লিক করে Power Plan টাইপ করি, Settings -এ ক্লিক করি এবং Enter প্রেস করি।
উইন্ডোজ default মোডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে CPU-এর গতি কমিয়ে দেয় যতক্ষণ পর্যন্ত না গতি বাড়ানোর প্রয়োজন হয়। এভাবে আপনি কম্পিউটারের গতি বাড়াতে পারেন। হাই পারফরম্যান্স মোডে আপনার CPU-এর গতি কমে না। এটা পূর্ণ গতিতে সব সময় রান করে।
তবে, এটি কোন ভাল জিনিস না। আপনি যদি একটা হাই পারফরম্যান্স গেমিং পিসি শুধু ওয়েব ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহার করেন তবে এটি CPU-এর উপর কোন প্রভাব ফেলবে না বরং এর মাধ্যমে power waste হবে এবং অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন করবে যেটা আপনার CPU-এর জন্য ক্ষতিকর।


আপনার কম্পিউটারকে Sleep করে রাখুন

উইন্ডোজ ৮-এর সবচেয়ে বিতর্কিত একটি বিষয় হল এর Shut Down অপশনটি লুকানো। মাইক্রোসফট চায় আপনি আপনার কম্পিউটারকে Shut Down করার পরিবর্তে Sleep মোডে নিয়ে যান। আপনি যখন Sleep মোডে যাবেন তখন আপনার কম্পিউটার খুব কম power ব্যবহার করে যেটা শুধুমাত্র আপনার প্রোগ্রাম এবং ফাইলগুলোর active রাখার জন্য প্রয়োজন। যখন আপনি আপনার কম্পিউটারে ফিরে আসবেন, খুব দ্রুত এটি পুনরায় কাজ শুরু করবে। Shut Down এর পরিবর্তে আপনি যদি Sleep মোডে ব্যবহার করেন তবে কম্পিউটার অনেক বেশি দ্রুত হবে।
Sleep অপশনটি খুঁজে পেতে হলে power button -এর Settings -এ যেতে হবে (প্রস Windows কী + C, ক্লিক Settings, ক্লিক Power এবং সিলেক্ট Sleep)। আপনার কম্পিউটারের পাওয়ার বাটন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে Sleep মোড কনফিগার করা যাবে। আপনি চাইলে Power Options থেকে power button এর কাজ পরিবর্তন করতে পারেন।


আপনার স্টার্টআপ প্রোগ্রামগুলো ম্যানেজ করুন

উইন্ডোজ ৮-এর নতুন Task Manager থেকে খুব সহজে প্রয়োজন নাই এমন স্টার্টআপ প্রোগ্রামগুলো Disable করতে পারেন। Task Manager থেকে Startup ট্যাব ক্লিক করে এই কাজ করতে  হবে। কোন প্রোগ্রাম স্টার্ট হতে এবং তার ইনফরমেশন ডিসপ্লে করতে কি পরিমাণ সময় লাগে তা Startup impact column-এ দেয়া থাকে। এখান থেকে কোন প্রোগ্রাম সিলেক্ট করে Disable বাটনে ক্লিক করলে সে প্রোগ্রাম উইন্ডোজ স্টার্ট হওয়ার সময় আর চালু হবে না। এতে করে আপনার উইন্ডোজের স্পীড বাড়বে বোই কমবে না।


বেশি Resource ব্যাবহার করে এমন টাস্কগুলো বন্ধ করুন

আপনার কম্পিউটারকে যে সকল প্রোগ্রাম স্লো করে উইন্ডোজ ৮-এর নতুন task manager সেগুলো দেখাবে। উইন্ডোজ ৮ এর dektop taskbar-এ right-click করে Task Manager ওপেন করুন। আপনি যদি সম্পূর্ণ interface দেখতে চান তবে More details-এ ক্লিক করুন। যে সকল Applications বেশি পরিমাণ কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে সেইসকল অ্যাপ্লিকেশানগুলো highlighted অবস্থায় দেখাবে। এখানে অ্যাপ্লিকেশানের একটা simplified লিস্ট দেখাবে, এতে আপনি খুব সহজে বুঝতে পারবেন কোনগুলো old-style লিস্ট (Details tab-এ old-style প্রোসেসগুলোর লিস্ট রয়েছে এগুলো অনেক ফাস্ট কাজ করে)।


আপনার Hard Drive টি Optimizeকরুন

সাধারনত উইন্ডোজ ৮-এ এক সপ্তাহ পর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ড্রাইভগুলো defragment হয়ে যায়। যদি আপনি অনেক বেশি ফাইল move করেন তবে আপনি চাইলে আপনার ড্রাইভকে নিজেই optimize করতে পারেন। উইন্ডোজের পূর্ববর্তী ভার্সনের মত Analyze বাটনে ক্লিক করে কিভাবে আপনার ফাইলগুলো optimize হচ্ছে তা দেখতে পারবেন।


নিয়ন্ত্রণ করুন Windows Indexing

উইন্ডোজ ইনডেক্সিং আপনার কম্পিউটারের ফাইলগুলো scan করে এবং monitor করে। এটি খুব দ্রুত search করতে পারে এতে CPU কিছু সময় নেয়। তাই এটি disable করে আপনি কিছু সময় সেভ করতে পারেন। ইনডেক্সিং আপনার search এর গতি বাড়ায় কিন্তু উইন্ডোজের গতি কামায়। আপনি যদি search feature ব্যাবহার করতে না চান তবেই শুধুমাত্র ইনডেক্সিং disable করুন। এটি disable করতে হলে প্রস Start, টাইপ করুন services.msc  এবং Enter প্রস করুন। তারপর লিস্ট থেকে Windows Search–এ right-click করে Properties সিলেক্ট করুন।

প্রথমে Startup type বক্সে Disabled সিলেক্ট করে বন্ধ করার জন্য Stopবাটন ক্লিক করুন এবং OK দিন।

আপনি ইনডেক্সিং সম্পূর্ণরূপে disable না করতে চাইলে ফোল্ডার খোঁজোর ইনডেক্সসমূহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। By default ভাবে উইন্ডোজ Users folders কে ইনডেক্স করে। এই settings কে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে প্রস Windows কী, টাইপ করুন Indexing, ক্লিক Settings এবং Enter প্রস করুন।



আপনারা কে কে উইন্ডোজ ৮ ব্যবহার করেন এবং সুবিধা ও কিধরণের সমস্যায় পড়েছেন কমেন্ট এ আমাদের জানান।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।

কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট নিলে যা করবেন ভিডিও টিউটোরিয়াল

computer automatic reboot problem Solved

কম্পিউটারে জরুরী কোনো কাজ করার সময় যদি কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয় তাহলে বিরক্তির শেষ থাকে না আবার বারবার পিসি রিস্টার্ট নিলে পিসিতে কাজ করাও সম্ভব হয় না এর ফলে জরুরী ফাইল নষ্ট হয়েও যেতে পারে।
বারবার পিসি রিস্টার্ট নেবার কারণ না জানার চেষ্টা করে কিংবা সমস্যার সমাধান না করে জোর করে পিসি অন রাখার চেষ্টা করলে হার্ডওয়্যার পুড়ে যাওয়াসহ অনেক বড় ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। নিচে কিছু সম্ভাব্য সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।


  • কুলিং সিস্টেমে সমস্যা

প্রসেসরের কুলিং সিস্টেম যদি কাজ না করে কিংবা প্রসেসর প্রয়োজনমত ঠাণ্ডা না হয়ে ওভারহিট হলে পিসি রিস্টার্ট নেয় সেক্ষেত্রে কুলিং সিস্টেমটি পরিবর্তন করতে হবে।


  • পাওয়ার সিস্টেমে সমস্যা

পাওয়ার সিস্টেম হতে মেইনবোর্ডে প্রয়োজনীয় পাওয়ার বা বিদ্যুৎ না পেলে পিসি রিস্টার্ট নেয় এক্ষেত্রে আপনার পিসির পাওয়ার সিস্টেমটি পরিবর্তন করে দেখুন।


  • অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা

অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিলে বা অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করলে পিসি রিস্টার্ট নেয় এক্ষেত্রে মাই My Computer-এ ডান ক্লিক করে properties থেকে Advanced tab /Start up and Recovery /Settings অপশনে যেয়ে System Failure অপশনের অর্ন্তগত Automatically Restart অপশন থেকে টিক চিহ্ণ উঠিয়ে ok করুন।


  • ভাইরাসের আক্রমণ

ভাইরাসের কারণেও পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । এজন্য পিসিতে একটি ভালো মানের এ্যন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন এবং ব্যবহৃত এ্যন্টিভাইরাসটি সবসময় আপডেটেড রাখুন।


  • হার্ডওয়্যার সমস্যা

নতুন কোনো হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করলে এবং সেটি পিসির সাথে অসামাঞ্জস্য হলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে। পুরোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে ক্রুটি দেখা দিলে পিসি অহেতুক রিস্টার্ট নিতে পারে। এজন্য হার্ডওয়্যারের সংযোগ স্থান এবং হার্ডওয়্যার চেক করে দেখুন ঠিক আছে কি না।


  • নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টল

নতুন সফটওয়্যার, গেমস ইনস্টল করার কারণে পিসি রিস্টার্ট নেয়। পিসির কনফিগারেশনের সাথে যদি সফটওয়্যার বা গেমস সাম্যঞ্জস্যপূর্ন না হয় তাহলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রোগ্রাম ইনস্টল করার সময় ভালো করে দেখে নিন ঐ প্রোগ্রাম চালনার জন্য পিসির কি কনফিগারেশন প্রয়োজন।


  • হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর

হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর থাকলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে। ব্যাড সেক্টরের কারনে হার্ডডিস্ক ডাটা রিড করতে পারে না এর ফলে পিসি হ্যাং অথবা রিস্টার্ট হতে পারে। এজন্য হার্ডডিস্ক ইউটিলিটি দিয়ে ব্যাড সেক্টরজনিত সমস্যা দূর করতে পারেন।


  • মাদারবোর্ডে সমস্যা

যদি এর পরও পিসি রিস্টার্ট নিতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার পিসির মেইনবোর্ডে কোনো সমস্যা আছে। সেক্ষেত্রে দ্রুত আপনার পিসির মাদারবোর্ডটি পরিবর্তন করুন।

না পারলে ভিডিও দেখুন 



পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


কি ভাবে আপনার পিসির ওয়েলকাম স্ক্রীন পরিবর্তন করবেন ভিডিও টিউটোরিয়াল

how to change your computer welcome screen

সবাইকে আমার সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের পোস্ট সুরু করতে যাচ্ছি আশা করি সবাই ভালো আছেন আজকে কি নিয়ে আলোচনা করবো তা হয়তো নাম দেখেই বুঝে গেছেন। আমরা যারা পিসি চালাই তাদের বেশির ভাগ মানুষেই উইন্ডোজ চালাই।

তাই সবাই এই উইন্ডোজ এর সাথে ভালো ভাবে পরিচিত আমাদের পিসি যখন ওপেন করি তখন উইন্ডোজ এর ডিফল্ট টেক্সট দেখতে পাই ওয়েলকাম আপনি চাইলে এটি পরিবর্তন করে আপনার নাম বা যেকোনো কিছু দিতে পারেন কি করে পরিবর্তন করবেন আজকে সেটাই নিয়ে আলোচনা করবো।

প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রান এ জান এরপর Regedit টাইপ করে এন্টার প্রেস করুন।

এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SOFTWARE > Microsoft > Windows NT > CurrentVersion > Winlogon এ ক্লিক করুন এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeCaption এ ডাবল ক্লিক করুন। মেসেজ এর Caption যা হবে তা টাইপ করুন।
এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeText এ ডাবল ক্লিক করুন। আপনি কি মেসেজ দিতে চান তা এর মধ্যে টাইপ করুন।

না পারলে ভিডিও দেখুন 



পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


নোটপ্যাড ব্যবহার করে 80% পার্সেন্ট গতি বাড়িয়ে নিন কম্পিউটারের

Speed Up Your Computer By 80% Using Notepad


আজ আমি আপনাদের ছোট টিপস আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি যা দিয়ে আপনি আপনার কম্পিউটারের র‍্যাম কে ক্লিন করে কম্পিউটারের গতিকে ধরে রাখতে পারবেন। এই জন্য আপনাকে দুইটি কাজ করতে হবে।

প্রথমে আপনি নোটপ্যাডের কাজ টি করার আগে নিচের এই টিপসটি অনুসরন করুন।
→ My Computer ওপেন করে Tools এ যান এবং Folder options এ ক্লিক করুন। এবার যে উইন্ডো আসবে তাতে View তে ক্লিক দিয়ে “Hide extension for known file type” টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Ok করুন।
→ এবার নোটপ্যাডের কাজ কিভাবে করতে হবে দেখে নিন —
→ প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে নোটপ্যাড ওপেন করুন
→ তাতে লিখুন mystring=(80000000) এবং ডেস্কটপে সেভ করুন RAM. Vbe নামে।

→ এবার আপনি যখনই সময় পাবেন RAM. Vbe নামের ফোল্ডার টি তে ক্লিক করে র‍্যাম কে ক্লিন করে প্রায় ৮০% গতি বৃদ্ধি করে নিন।

না পারলে ভিডিও দেখুন



পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


একটি জিমেইল আইডি দিয়ে লাখ লাখ ফেসবুক আইডি খুলুন


সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন, আশাকরি সকলে ভালো আছেন। gmail বর্তমান সময়ে সম্ভবত সব থেকে জনপ্রিয় ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডার । আমরা সবাই কম বেশী জিমেইল ব্যবহার করি বা করে থাকি। জিমেইল এর অনেক ফিচার এর পাশাপাশি এর সহজ ও সাবলীল উপস্থাপনাই এনে দিয়েছে এই বিপুল জনপ্রিয়তা। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব জিমেইল এর সহজ কিন্তু খুবই কার্যকরী ১ টা ট্রিক । এটা হচ্ছে আপনার একটাই জিমেইল আইডি কে আপনি কিভাবে মিলিয়ন – বিলিয়ন আইডি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
আসুন দেখে নেই কিভাবে
- See more at: http://techgolpo.com/archives/2370#.VS_6nvCf8pU
সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন, আশাকরি সকলে ভালো আছেন। gmail বর্তমান সময়ে সম্ভবত সব থেকে জনপ্রিয় ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডার আমরা সবাই কম বেশী জিমেইল ব্যবহার করি বা করে থাকি জিমেইল এর অনেক ফিচার এর পাশাপাশি এর সহজ ও সাবলীল উপস্থাপনাই এনে দিয়েছে এই বিপুল জনপ্রিয়তা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব জিমেইল এর সহজ কিন্তু খুবই কার্যকরী ১ টা ট্রিক এটা হচ্ছে আপনার একটাই জিমেইল আইডি কে আপনি কিভাবে মিলিয়ন – বিলিয়ন আইডি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

আসুন দেখে নেই কিভাবে 

১. ডোমেইন নাম চেঞ্জ করে

ধরুন আমার একটা জিমেইল আইডি আছে এবং সেটা হচ্ছে ‍bogracity24@gmail.com . এখন আমি ফেসবুক এ একটা আইডি খুললাম এই ইমেইল আইডি টি ব্যবহার করে আপনার কি মনে হয় আমি আবারো এক ই আইডি ব্যবহার করে আর আইডি খুলতে পারব ফেসবুক এ ? না , তাই না ? কিন্তু আসলে তা সম্ভব এই একই আইডি ব্যবহার করে যেমন আমি যদি ‍bogracity24@gmail.com এর জায়গায় লিখি ‍bogracity24@googlemail.com তাহলে এটা ফেসবুক এর সার্ভার এ দেখাবে ভিন্ন দুইটি আইডি হিসেবে কিন্তু আসলে এটা ওই আগের আইডি এর ই মিরর ! দুইটা আইডি এর ইনবক্স কিন্তু একটাই

2. + জুড়ে দিয়ে

জিমেইল এর আসল আইডি ‍bogracity24@gmail.com @ এর আগে এবং bogra এর পর আপনি যা ইচ্ছা তাই লেজুড় জুড়ে দিতে পারেন শুধু মাঝে একটা “+” চিহ্ন থাকতে হবে যেমন ধরুন bogra+my.city.na@gmail.com , bogra+city@gmail.com ইত্যাদি। আপনার যত ইচ্ছা আপনি তত গুলো আইডি এভাবে বানাতে পারেন শুধু + এবং লেজুড় জুড়ে দিয়ে । সব ই কিন্তু আসল আইডি ‍bogracity24@gmail.com মিরর হবে অর্থাৎ এর যেকোনো টার ই ইনবক্স হবে আসল আইডি এর ইনবক্স


3. (.) Dot চিহ্ন ব্যবহার করে

আসল আইডি ‍rejwanulhaq@gmail.com এর যে কোন জায়গায় যে কোন ভাবে ডট চিহ্ন (.) ব্যবহার করে ও আপনি তৈরি করতে পারেন মিলিয়ন বিলিয়ন মিরর আইডি যেমন ‍rejwanul.haq@gmail.com , ‍rej.wa.n.u.l.h.aq@gmail.com , এগুলর সবগুলই কিন্তু আপনার আসল আইডি এর মিরর আইডি হবে । অর্থাৎ এগুলর যেকোনো একটা তে যে কোন মেইল আসলে তা কিন্তু মূল আইডি ‍rejwanulhaq@gmail.com এর ইনবক্সেই পাওয়া যাবে কিন্তু যেকোনো সার্ভার এ এটাকে এক বলে চিনতে পারবে না  identical difference এর জন্য এগুলর প্রত্যেকটাকে একটা ভিন্ন আইডি হিসেবে গননা করবে যে কোন সার্ভার ! কিন্তু এখানে একটা কথা আছে,আপনি ডট ব্যবহার করে যে আইডি টি লেখবেন সেটি যদি অন্য কেউ আগে থেকেই ব্যবহার করতে থাকে তাহলে আর কাজ করবেনা কারন যেহেতু GMAIL ডট Allow করে তাই অন্য যে কারো ঐ নামেই অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে তাই ডট গুলো দেওয়ার সময় একটু সাবধানতা গ্রহন করবেন। এই ভাবেই আপনি আপনার জিমেইল আইডি থেকে কোন কষ্ট ছাড়াই সর্বাধিক ফায়দা নিতে পারেন


পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


১ মিনিটে লক করুন ব্যক্তিগত ফোল্ডার সফটওয়্যার ছারা


ব্যক্তিগত কম্পিউটারের ব্যবহারকারী একাধিক হলে অনেক ফোল্ডার লুকিয়ে রাখতে হয়। অাপনি চাইলে ফোল্ডারটি লক করে রাখতে পারেন। এখন এটি করা সম্ভব বেশ কিছু সফওয়্যারের সাহায্যে।

ধরা যাক, আপনার কম্পিউটার D ড্রাইভের একটি ফোল্ডার আপনি লক করে রাখতে চান। ধরি, এই ফোল্ডারটির নাম হলো work। এখন ফোল্ডারটির লক করার জন্য আপনাকে প্রথমে কম্পিউটারের ডেস্কটপে গিয়ে নোটপ্যাড খুলতে হবে।

এরপর নোটপ্যাডটিতে ren wfork wfork.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D} লিখে ফাইলটি lock.bat নামে সেভ করে রাখতে হবে। এবার তৈরি হয়ে গেল কাঙ্ক্ষিত ফোল্ডারের একটি লক ফাইল।

এখন আবার আরেকটি নোটপ্যাড ফাইল খুলে তাতে লিখুন ren work.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D} work। এবার এই নতুন ফাইলটি সেভ করুন key.bat নামে। এটি কাঙ্ক্ষিত ফোল্ডারের আনলক ফাইল হিসেবে কাজ করবে। এ দুটি ফাইল কাট করে পেস্ট করে দিন কাঙ্ক্ষিত ফোল্ডারটি যে ড্রাইভে রয়েছে, সেই ড্রাইভে।

এখন নামের ফাইলটিতে ক্লিক করলেই ফোল্ডারটি লক হয়ে যাবে। অর্থাৎ ফোল্ডারটি আর খোলা যাবে না। এখন ফোল্ডার যদি আবার আনলক করতে চান, তাহলে key.batনামক ফাইলটিতে ক্লিক করুন। তা হলে আবার আনলক হয়ে যাবে ফোল্ডারটি। 



পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


ফোল্ডার হিডেন সমোস্যা ও সমাধান ।

আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যবহারকারীই অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকেন। আর উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ভাইরাস। মূলতঃ ভাইরাস আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। ভাইরাস ছাড়া আপনি চলতেই পারবেন না। তাই ভাইরাস থেকে আপনাকে দূরে দূরে থাকতে হবে। কিন্তু আমরা যতই ভাইরাস থেকে দূরে থাকি, ভাইরাস তো আমাদের ছাড়ে না। অসাধানতার বশতঃ বা যে কোন কারণে ভাইরাস আমাদের কম্পিউটারে প্রবেশ করে। যাক এখন কাজে আসি, ভাইরাসের কারণে আপনার 

কম্পিউটারের ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেলে কী করবেন? ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেলে আমরা বেশ বিপাকে পড়ি। আবার দেখুন ভাইরাসের কারণে উক্ত হিডেন হওয়া ফাইল বা ফোল্ডারগুলো সার্চ করেও পাওয়া যায় না। কী উপায় ফিরিয়ে আনতে! কোন চিন্তাই নেই সমস্যা যেহেতু আছে, সমাধানও আছে।

নিচের উপায়গুলো দেখুনঃ

উপায় ১ : Control Panel >>> Folder Options এ যান। এখানে Tools মেনু ট্যাবে Show hidden files and folders এবং Hide protected operating system files আনচেক করুন। এবার Advanced Options >>> Search hidden files and folders চেক করুন। এখন দেখবেন হিডেন ফাইলগুলো দেখা যাবে।

 উপায় ১ ভিডিও


এবার আসুন ভাইরাসের কারণে হিডেন অপশন ডিজেবল হলে কী করবেন? তখন তো হিডেন অপশন কাজ করবে না। হিডেন অপশন এনাবল এবং আনচেক করতে পারবেন একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে। এর নাম এট্রিবিউট চেঞ্জার এবং এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে এর ইনস্টল করুন।


এখন যে ফোল্ডারের এট্রিবিউট পরিবর্তন করতে চান তার উপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করুন। এবার Change Attributes এ ক্লিক করুন। Folder Properties ট্যাব থেকে System, Hidden আনচেক করে Ok করুন। তাহলেই ফোল্ডার অপশন্সের হিডেন অপশন এনাবল হবে। এখন Show hidden files and folders এবং Hide protected operating system files চেক করুন এবং OK করে বেরিয়ে আসুন।

উপায় ২ : স্টার্ট মেনু থেকে রানে যান এবং লিখুন cmd. তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে। এখন আপনার ড্রাইভে প্রবেশ করুন। এজন্য যে ড্রাইভ উক্ত ড্রাইভের নামে লিখুন, যেমনঃ ড্রাইভ E হলে E: লিখে এন্টার দিন, তাহলে ড্রাইভে প্রবেশ করবে।

এবার attrib -s -r -h -a /s /d লিখে এন্টার করুন। তাহলে আপনার হিডেন হওয়া ফোল্ডার বা ফাইল ফিরে আসবে।
 
বিশ্লেশণঃ
attrib = attribute, s = system file, r = read only, h = hidden, a = archive,
/d = directory, /s = sub directory



পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


ধীর গতির পিসিতে স্টার্ট মেনুর গতি বৃদ্ধি করে নিন



উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ধীর গতির পিসিতে গতি বাড়ানোর জন্য অনেকে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন। আমরা বিশেষ কোন সফটওয়্যার ছাড়াও রেজিস্ট্রি থেকে কিছু পরিবর্তন করে পিসির গতি বাড়ানো সহ স্টার্ট মেনুর গতি বাড়াতে পারি আসুন দেখা যাক কিভাবে স্টার্ট মেনু সহ পিসির গতি বাড়ান যায়।

এজন্য নিচের ধাপটি লক্ষ্য করুন

১। windows menu+R প্রেস করে রান এ যান তারপর regedit লিখে OK করুন।

২। এবার দেখুন রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন হয়েছে এখান থেকে >>> HKEY_CURRENT_USER >>>Control Panel >>>>Desktop  >>>>MenuShowDelay যান।

৩। সাধারণত MenuShowDelay অপশনটিতে value ডিফল্ট 400 থাকে এটি 0 দিয়ে OK করে রেজিস্ট্রি এডিটর থেকে বের হয়ে আসুন।
এবার পিসি রিস্টার্ট দিয়ে দেখুন আপনার পিসির স্টার্ট-আপ গতি বৃদ্ধির সাথে সাথে স্টার্ট মেনুর গতি বৃদ্ধি পেয়েছে।

না পারলে নিচের ভিডিও দেখুন





পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


ফেসবুকে বেশি লাইক ও শেয়ার পাবার উপায়

How to Get More Likes, Shares on Facebook
ফেসবুকে পন্যের প্রসার এখন বড় বড় সব কোম্পানী ই করছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড কোকাকোলা তাদের ১৭% কাস্টমার ফেসবুকের মাধ্যমে আনছে । তাই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এখন প্রতিটা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের বিপননের অন্যতম অঙ্গ।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে আমরা বুঝি ফেসবুক, টুইটার, গুগল+ এ পন্য বা সেবার প্রচারনা ও গ্রাহকের চাহিদা বোঝা। আর এ জন্যে একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের থাকতে একটা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যেমন ফেসবুক পেইজ। আর এই ফেসবুক পেইজে তাদের লক্ষ থাকে যত বেশি লাইক বা সাবস্ক্রাইবার আনা যায় যাতে তাদের পন্যের প্রসার মানুষ ঘরে বসেই জানতে পারে। আর ফেসবুক পেইজে লাইক পাওয়ার জন্যে একটি ব্যাবসা বা ব্যাক্তি কে কিছু পদ্ধতী অনুসরন করতে হয়।
পদ্ধতী গুলো হতে পারে পেইজে পোস্টের ধরন, পোস্টের আকার, ছবি বা ভিডিও যেগুলো সবচেয়ে বেশি লাইক এবং শেয়ার হয়। ফেসবুকে মানুষ সেই সময়েই বসে যখন তাদের অবসর সময় আর এটা হল পিক আওয়ার মানে সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত। আর এই সময়েই ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি লাইক হয়।
ফেসবুকে কিভাবে সহজ পদ্ধতী অনুসরন করে বেশি লাইক ও শেয়ার পেতে পারেন তার একটি ধারনা দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া এক্সপার্ট ড্যান যারেলা। তার অনুসন্ধানি প্রতিবেদনে তিনি বেশ কয়েকটি সফল পদ্ধতীর অবতারনা করেছেন যা আপনাদের জন্যে নিম্নে তুলে ধরা হয়েছে :
  • পোস্টের ধরন

যারেলা অনুসন্ধান করে দেখেছেন ফেসবুক পেজে ছবিতেই সবচেয়ে বেশি লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার হয়। তবে এই ৩ টি কাজের মধ্যে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে যা নিচের চিত্রে দেখতে পাবেন।
  • পোস্টের আকার

ফেসবুক পেজে লিংক না দিয়ে পোস্ট দিলে সেটা সবচেইয়ে বেশি লাইক এবং শেয়ার হয়। এর মধ্যে যে পোস্ট গুলো সবচেয়ে বেশি লম্বা সেগুলো সবচেয়ে বেশি শেয়ার হয়।
  • নিজেকে সূত্র হিসেবে ব্যাবহার করা

পেইজে কোনো পোস্টে আপনি নিজেকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যাবহার করুন যেমন “আমি দেখেছি” বা “আমি বিশ্বাস করি” এরকম ভাবে। এই ধরনের পোস্টে গ্রাহকের আস্থা বাড়ে এবং বেশি বেশি শেয়ার হয়।
  • পোস্টের সেন্টিমেন্ট

যে পোস্ট গুলো নিরপেক্ষ ভাবে লেখা হয়, মানে হল যে পোস্ট গুলো সূস্পষ্ট ও নয় আবার অস্পষ্টও নয় এই ধরনের পোস্ট গুলো কম লাইক পায়। নেগেটিভ পোস্ট গুলো সবচেয়ে বেশি কমেন্ট পায় পজেটিভ পোস্ট গুলোর থেকে।
  • পোস্টের সময়

যে পোস্ট গুলো দিনের শেষে করা হয়, সেগুলো বেশি লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার পায় কারন এই সময়ে মানুষ কাজ শেষে বাড়িতে ফেরে এবং পার্সোনাল লাইফে প্রবেশ করে। এই সময়টাকে পিক আওয়ার বলে, সাধারনত সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ৮ তা পর্যন্ত।
  • পোস্টের দিন

যারেলার তথ্য মতে ছুটির দিনে তথা শনি এবং রবিবারে পোস্ট গুলোতে বেশি বেশি লাইক, শেয়ার এবং কমেন্ট হয়। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই সময়টা হবে শুক্র এবং শনিবার।
ফেসবুকে মার্কেটিং বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। ছোট ব্যাবসা থেকে শুরু করে বড় বড় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গুলো ফেসবুকে তাদের পন্যের প্রচারনা চালিয়ে সফল হচ্ছে। তবে এই মার্কেটিং এর জন্যেও পরাশোনা করতে হবে কারন আপনি আপনার ব্যাবসার জন্যে কাস্টমার খুজতে বের হয়েছেন।
লেখক: সুমন




পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।