Showing posts with label ইন্টারনেট টিপস. Show all posts
Showing posts with label ইন্টারনেট টিপস. Show all posts

Live Icc Cricket World Cup 2015 অনলাইনে সরাসরি দেখুন আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ক্রিকেট বিশ্বকাপের একাদশ আসরের শুরু হতে যাচ্ছে ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারীতে নিউজিল্যান্ডে বসছে আইসিসি ক্রিকেট ২০১৫ বিশ্বকাপের এর জমকালো আসর  আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ শেষ হবে ১৯ মার্চ ২০১৫ তে  এবার সাগর পারের দুই প্রতিবেশি দেশ নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ এর জমকালো আসর  সব গুলো অনলাইনে সরাসরি প্রচার করবে পিসি হেল্পলাইন বিডি ডটকম , আপনারা পিসি হেল্পলাইন বিডি ডটকম থেকেই অনলাইনে সবগুলো ম্যাচ সরাসরি (লাইভ) দেখতে পারবেন নিচের টিভি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সময় এবং খেলা চলাকালিন বিভিন্ন ধরনের এড আসতে পারে এই জন্য ছোট করে দেয়া [X] ক্রস বাটন চাপুন । ও প্রথমে Close Ad বাটন চাপুন ।




বি.দ্রঃ কপিরাইটজনিত সমস্যার কারণে সরাসরি লাইভ স্ট্রিমিং মাঝে মাঝে থেমে যেতে পারে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই একটু পর পর পেজ রিফ্রেশ করুন।

ফায়ার-ওয়াল: কি এবং কিভাবে কাজ করে?


ফায়ার-ওয়াল শব্দটির সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। এটি আপনার ডিভাইসের জন্য একধরনের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এখন, খুব সম্ভবত আপনি যদি না জেনে থাকেন তাহলে প্রশ্ন হতেই পারে

এটা আসলে কি এবং কিভাবে কাজ করে?

ফায়ার-ওয়াল কম্পিউটার (অথবা লোকাল নেটওয়ার্ক) এবং অন্য যেকোন নেটওয়ার্ক এর মাঝামাঝি থেকে ইনকামিং এবং আউট-গোইং ট্রাফিক বা ডাটা কন্ট্রোল করে। ফায়ার-ওয়াল ব্যতিত যেকোন ডিভাইসে যেকোন কিছু হতে পারে। অন্যদিকে ফায়ার-ওয়াল যুক্ত ডিভাইসগুলো তুলনা মুলক ভাবে বেশি সুরক্ষিত, কেননা সেসব ডিভাইসের ক্ষেত্রে ফায়ার-ওয়াল এর নিয়ম গুলোই আসলে নির্ধারন করে দেয় যে, কোন ট্রাফিক বা ডাটা গুলো আপনার ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে এবং কোনগুলো পারবে না।

কম্পিউটার গুলোতে যে কারনে ফায়ার-ওয়াল যুক্ত করা থাকে


অধিকাংশ মানুষই এখন তাদের ঘরে রাউটার ব্যবহার করে থাকে যাতে তারা তাদের বিভিন্ন ডিভাইসে ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারে। যাইহোক, আগে এমন একটা সময় ছিল যখন মানুষ ইন্টারনেট এ কানেক্ট হওয়ার জন্য তাদের ডিভাইসটিকে সরাসরি ইথারনেট ক্যবল অথবা DSL মডেম এর সাথে কানেক্ট করতে হত। কম্পিউটার যেগুলো কিনা ইন্টারনেট এর সাথে সরাসরি কানেক্টেড, তাদের সাধারনত publicly addressable IP থাকে অন্য কথায়, যেকোন মানুষ ইন্টারনেট থেকে ওইসব কম্পিউটার গুলোকে অ্যাক্সেস করতে পারবে। যে ধরনের নেটওয়ার্ক সার্ভিসই আপনি আপনার publicly addressable IP কম্পিউটারে ব্যবহার করেন না কেন যেমনঃ উইন্ডোজ এর ফাইল এবং প্রিন্টার শেয়ার সার্ভিস, রিমোট ডেস্কটপ এং অন্যান্য আরো সব ফিচার; এ সবই অন্য যেকোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ইন্টারনেট এর মাধ্যমে এক্সেস করতে পারবে।

উইন্ডোজ এর ক্ষেত্রে, অরিজিনাল উইন্ডোজ এক্সপিতে বিল্ট-ইন ফায়ার-ওয়াল ছিল না। লোকাল নেটয়ার্ক এর বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করার জন্য তখন উইন্ডোজ এক্সপিতে ছিল না কোন ফায়ার-ওয়াল এবং কম্পিউটার সরাসরিই ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্ট হতে পারত, যার ফলে সে সময় উইন্ডোজ এক্সপি উজার দেরকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখিন হতে হয়েছিল। ইন্টারনেট এ কানেক্ট হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই কমিউটার গুলো বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাসে আক্রান্ত হতে থাকে। যার পরিপ্রেক্ষিতে সুচনা হয় “The Windows Firewall” এর। এটি সর্বপ্রথম উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিসপ্যাক ২ এর সাথে বিল্ট ইন ভাবে রিলিজ হয়।

বিল্ট-ইন ফায়ার-ওয়াল এর মাধ্যমে ওইসব নেটওয়ার্ক সার্ভিসগুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং সব ধরনের ইন্টারনেট কানেকশন রিসিভ করার পরিবর্তে ফায়ার-ওয়াল সিস্টেম সব কানেকশন গুলো ড্রপ কিরতে শুরু করে যদিনা সেগুলো নির্দিষ্ট ভাবে রিসিভ করার ক্ষত্রে কনফিগার করা থাকে।

এটিই পরবর্তিতে অন্যান্য ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদেরকে আরেকজনের কম্পিউটারে অনিয়ন্ত্রিত এক্সেস প্রতিরোধ করতে থাকে। শুধু তাই নয় আপনার লোকাল নেটওয়ার্ক এর অন্যন্য কম্পিউটার থেকে আসা নেটওয়ার্ক সার্ভিসের এক্সেস ও কন্ট্রোল করে ফায়ার-ওয়াল। এর জন্যেই যখন আপনি অজ্ঞাত কোন একটা নেটওয়ার্ক এর সাথে কানেক্ট হন, এটি আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, এটা কোন ধরনের নেটওয়ার্ক? যদি আপনি হোম নেটওয়ার্ক এর সাথে কানেক্ট থাকেন তাহলে ফায়ার-ওয়াল ওই সব সার্ভিসের জন্য কম্পিউটার এক্সেস করার অনুমতি দিবে এবং যদি পাবলিক নেটওয়ার্ক এর সাথে কানেক্ট থাকেন তাহলে ফায়ার-ওয়াল ওই সব সার্ভিস গুলোকে কম্পিউটার এক্সেস করার অনুমতি দিবে না।

এমনকি যদি কোন নেটওয়ার্ক সার্ভিস ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্ট নাও থাকে তারপরও এটা সম্ভব যে সেই সার্ভিসের নিজের মধ্যেই কিছু সিকিউরিটি ত্রুটি রয়েছে এবং এধরনের ত্রুটির জন্য স্পেসালি ক্রাফটেড রিকয়েস্ট যে কোন ধরনের আক্রমন কারীকে আপনার কম্পিউটারে যত্রতত্র ধরনের কোড রান করাতে অনুমতি প্রদান করবে। ফায়ার-ওয়াল এধরনের ইনকামিং কানেকশন গুলোকে ওই সব সম্ভাব্য ভঙ্গুর সার্ভিস গুলোতে পৌঁছানোর হাত থেকে প্রতিরোধ করে।

আরো ফায়ার-ওয়াল ফাংশন


ফায়ার-ওয়াল একটা নেটওয়ার্ক ( যেমনঃ ইন্টারনেট ) এবং কম্পিউটার ( অথবা লোকাল নেটওয়ার্ক ) মাঝে থেকে কম্পিউটার ( অথবা লোকাল নেটওয়ার্ক ) গুলোকে যত্রতত্র এক্সেস এর হাত থেকে রক্ষা করে। হোম ব্যবহারকারীদের জন্য ফায়ার-ওয়াল এর প্রধান সিকিউরিটি উদ্দেশ্য হচ্ছে অপ্রত্যাশিত ইনকামিং নেটওয়ার্ক ট্রাফিক প্রতিরোধ করা। কিন্তু ফায়ার-ওয়াল এর থেকেও বেশি কিছু করতে সক্ষম। করন ফায়ার-ওয়াল দু’টি নেটওয়ার্কের মাঝে থেকে কাজ করে এবং সব ধরনের ইনকামিং এবং আউট-গোইং ট্রাফিক গুলোকে অ্যানালাইজ করতে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে এদের সাথে কি করতে হবে। যেমনঃ একটা ফায়ার-ওয়াল কে এভাবেও কনফিগার করা যায় যেখানে এটি শুধু মাত্র নির্দিষ্ট কিছু ধরনের আউট-গোইং ট্রাফিক ব্লোক করে রাখবে অথবা সন্দেহ জনক ট্রাফিক বা ডাটা গুলোকে কেটে বাদ দিয়ে দিবে।

একটি ফায়ার-ওয়াল এর বিভিন্ন ধরনের নিয়ম থাকতে পারে যেগুলো কিনা নির্দিষ্ট ধরনের কিছু ডাটা টাইপ বাইপাস করার অনুমতি দেবে অথবা অনুমতি দেবে না। উদাহরন সরুপঃ ফায়ার-ওয়ালটিকে এমন ভাবেও কনফিগার করা যেতে পারে যেখানে এটি শুধু মাত্র নির্দিষ্ট সার্ভার এ কানেকশনের অনুমতি পাবে এবং অন্যান্য কানেকশন রিকোয়েস্ট ড্রপ করবে।

এখন মজার বিষয়টা হচ্ছে ফায়ার-ওয়াল যেকোন কিছু হতে পারে। হতে পারে আপনার ল্যাপ্টপে রান হতে থাকা ছোট একটা সফটওয়্যার যেমন উইন্ডোজ ফায়ার-ওয়াল, আবার হতে পারে ডেডিকেটেড হার্ড-ওয়্যার ফায়ার-ওয়াল ( কর্পোরেট নেটওয়ার্ক এর ক্ষেত্রে )। এ ধরনের কর্পরেট ফায়ার-ওয়াল অয়াউট-গোইং সব ট্রাফিক অ্যানালাইজ করতে পারে যাতে নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে কোন ধরনের ম্যালওয়ার যোগাযোগ করতে না পারে এছাড়াও কর্মীদের জন্য বরাদ্য নেটওয়ার্ক মনিটর এবং ট্রাফিক ফিল্টার করার করার জন্যও এটি ব্যবহার করা হয়। যেমন ফায়ার-ওয়ালকে এমন ভাবেও কনফিগার করা যেতে পারে যাতে করে শুধু মাত্র ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যাবে, নো-ডাউনলোড, নো-ইন্টারনেট অ্যাপ্লিকেশান।

আপনিও যদি অধিকাংশ সাধারন এর মত হন তাহলে আপনার বাসায় ও রাউটার রয়েছে। রাউটারের NAT ( network address translation ) ফিচার এর কারনে এটি আসলে হার্ডোয়্যার ফায়ার-ওয়াল হিসেবে কাজ করে এবং অপ্রত্যাশিত কোন নেটওয়ার্ককে আপনার কম্পিউটার বা আপনার অন্য কোন ডিভাইসে ( যা আপনার রাউটার এর সাথে কানেক্টেড ) পৌছাতে দেয় না।
আশাকরি কিছুটা হলেও নতুন কিছু জানাতে পরেছি এবং আজকের এই টপিক সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থেকে থাকলে নির্দিধায় কমেন্ট করে জানিয়ে দিন। এবং সবসময়ের জন্য, ধন্যবাদ।

রবি সিম দিয়ে ২ জি এবং ৩জি তে ফুল স্পিড এ ফ্রী নেট চালান ।


আস্সালামু আলাইকুম ।
কেমন আছেন?
ভালো না থাকেও ভালো হয়ে জাবেন ।
আজকে দেখাবো কিভাবে রবি সিম এ অফিসিয়াল কনফিগ দিয়ে প্রক্সি ছারাই ফ্রী নেট ব্রাউস করবেন ।
Note: ফোনে কোন টাকা রাখবেন না।রাখলে টাকা কাটবে।
প্রথমে
*8444*0#
ডায়েল করে 500mb 0.facebook.com প্যাকটি কিনে নিন।।
তারপর রবির অসিয়াল সেটিং ব্যবহার করুন
Uses Robi Official Setting
]তাঁরপর অফিসিয়াল operamini দিয়ে আনলিমিটেড কোপাইতে থাকেন।
Tested in
Nokia c1
winmax w400
অফিসাল অপেরা না থাকলে নিছের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন
.star. Click Here
৫০০ এম্বি ব্যবহার করার পর আপনি আবার এই ৫০০ এম্বি পাকেজ টিই DeaccTive করুণ।Deacetive করতে
*8444#
ডায়েল করুন তারপর ২ সিলেক্ট করুন এবং Deacetive Select করুন।
আবার
*8444*0#
ডায়াল করে পাকেজটি পূনরায় একটিভ করুণ।
এইভাবে আনলিমিটেড ফ্রি।
এইটা যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই টার আগেই ডাউনলোড করে উরায়া ফেলেন ।

ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা



আমরা সবাই চাই ইন্টারনেট যদি নরমাল রেটে পাওয়া যেত! আমরা সবাই চাই ইন্টারনেটকে যদি ফ্রিতে ব্যবহার করা যেত! কিন্তু সেটা কোনদিনই সম্ভব নয়। তবে চুরি করা অন্য ব্যাপার।
ইদানিং প্রায়ই ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে বেশকিছু টিউন দেখা যাচ্ছে।আর তা দেখে সত্যিই আমরা খুব খুশিমনে সেই পোষ্টগুলো পড়ে অনুসরণের চেষ্টা করে থাকি।আমার কিছু অভিজ্ঞতার কথা আপনাদেরকে জানাতে চাই।
কয়েক দিন ধরে ফ্রি ইন্টারনেট চালাবো বলে সিদ্ধান্ত নেই। যেকরে হোক ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করতেই হবে এই চিন্তা মনে নিয়ে কনফিগারেশন শুরু করলাম। অনেকেরে অনেক টিউন ফলো করে যা পেলাম। তা হল সবাই প্রক্সি ব্যবহার করছে।  তো যাই হোক যথারীতি নিয়মানুযায়ী সবকিছু করলাম। এরপর দেখলাম সত্যিই ইন্টারনেট ফ্রিতে চলছে। ততক্ষনে আমার প্রায় ৩০ মিনিট চলে গেছে। তো আধা ঘন্টা অপচয় করলেও ফ্রিতে চলার পর সত্যিই ভাল অনুভব করলাম।
নিচে সমস্যাগুলো তুলে ধরা হল:
সময় অপচয়
অনেক দিন ফ্রি ইন্টারনেট সেট আপ করতে যেয়ে আজে বাজে টিউন পড়ে অনেক সময় নষ্ট করেছি কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আজকে সফল হলাম।
ইন্টারনেটের গতি নিয়ে সারাদিন খেলা করা:
১ দিন যেতে না যেতেই ইন্টারনেটের গতি জিরো হয়ে গেলো মাঝে মাঝে ওঠে আর মাঝে মাঝে জিরো। এই খেলা খেলতে খেলতে ২ দিন পার করলাম। সুতরাং মূল্যবান সময় নষ্ট করলাম।
যখন ইন্টারনেট ০/কেবি স্পিডে চলছিল তখন ভাবলাম হায় এই হলো ফ্রি ইন্টারনেট। কি লাভ হল? হিসেব করে দেখলাম। স্বাভাবিকভাবে কম্পিউটারে কাজ করতে গিয়ে যে পরিমান মেধা ও টেনশন কাজে লাগাই তার থেকে ৫ গুন টেনশন এই ২ দিনে আমারে ছিল।
কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হলোনা।
সবথেকে বড় কথা হলো এভাবে আপনি সবোর্চ্চ ২০০ মেগাবাইট খরচ করতে আপনি ২ দিন পাগলের মত খাটতে হবে।
এছাড়া কত ধরনের যে ঝামেলা রয়েছে তা একমাত্র তারাই জানে যারা এগুলো চালায়। যেমন: এইচটিটিপিএস সাইট, সফটওয়্যার কানেক্ট হয়না, স্লো গতি, মাঝে মাঝে স্পিড নাই। এবং এভাবে ১০ মিনিট, ২০ মিনিট এমনকি ঘন্টাও যায়। তাহলে কি হলো? বরং মাথা নষ্ট হল।
অনেক ঘাটাঘাটি করলাম ইন্টারনেটে এটাকে ভালভাবে চালানোর জন্য কিন্ত কি আর বলবো। যেই লাউ সেই কদু।
তাছাড়া কোন নিশ্চয়তায় আপনারা যার তার সেট করা সফট্ওয়্যার দেখার সাথে সাথেই ডাউনলোড করছেন।
পরিশেষে একটি কথা আপনাদের বলতে চাই দয়া করে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে আর সময় নষ্ট করবেন না। ফ্রিতে যা পাওয়া যায় তার চেয়ে বেশি কেড়ে নেয়। আপনার সময়কে ভাল একটা কাজে ব্যয় করুন। কিছু শিখুন। এগুলো করে কোন লাভ নেই। সবই লস।
আর মাত্র কয়েক দিন এর বেশী কেউ এগুলো চালাতে পারে না।কারন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডাররা এগুলো বন্ধ করে দেয়। তাই এভাবে না করে নিজের সময়কে বাচান। কিছু করুন, কিছু শিখুন।
এখনও ইচ্ছা করলে অনেকের মতো ইন্টারনেট সাথে ফ্রিতে খেলা করতে পারি। কিন্তু কোন লাভ নেই। যে নেটওয়ার্ক আর ভিখারীর মতো স্পিড পাওয়া যায় তা দেখলে প্রচন্ড রাগ সৃষ্টি হয়। তাই সবাইকে বলছি দয়া করে আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না।

Pc জিপি ফ্রি নেট



আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশাকরি ভালোই আছেন। অনেক দিন পরে আবার নিয়ে এলাম Pc জিপি ফ্রি নেট কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি।
প্রথমে আপনার সিম এ কোন ইন্টারনেট পেকেজ থাকলে তা Deactive করে নিন।
Deactive করার জন্য ডায়াল করুন *111*6*6# এবার আপনার সিম টা ১৫ মিনিট এর মত বন্ধ রাখুন। তারপর আপনার সিম এ ১২ টাকা রিচারজ করুন ।

এরপর Night time heave internet package active korun dial *500*30# যখন দেখাবে পেকেজ active হয়েছে সিম টা খুলে আবার মডেম এ লাগান । এখন gpwap প্রোফাইল বানিয়ে কানেকশন দেন।

XT181PP প্রক্সি সফটওয়্যার  ডাউনলোড করতে এই লিংকে গিয়ে 
একদম নিচে ডাউনলোড লিঙ্ক ক্লিক করেন
Full Version Software Download  করতে এই লিংকে যেতে পারেন
এবার XT181pp টা চালু করে listen এ ক্লিক করুন। এবার ব্রাউজার ও IDM এ প্রক্সি সেট করুন।
Gp modem setting,Mozilla proxy setting, IDM proxy setting না পারলে এই পোষ্টা দেখেন।

127.0.0.0 পোর্ট 8080। আর ১ টা কথা আপনি জেই পেকেজ টা অ্যাক্টিভ করছেন সেইটা দিয়ে প্রক্সি ছারাও রাত ১২ থেকে সকাল ১০ পর্যন্ত ফুল স্পীড এ ডাউনলোড করতে পারবেন। ২ জিবি পর্যন্ত ।

আর যদি নেট স্লও মনে হয় তাহলে রার ফাইল এর ভিতর Ashraful.html নামের ১ টা ফাইল আছে সেইটা ১ টা ট্যাব এ সব সময় ওপেন করে রাখবেন।
আর ১ টা কথা ৩জি না থাকলে স্পীড কম পাবেন। আর IDM এ যত বেশি ফাইল ডাউনলোড এ রাখবেন তত বেশি স্পীড পাবেন।

এবার ইচ্ছে মত বাশ দেন। কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন।

ব্লগটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমি চাই আপনি নিয়মিতো ব্লগটি ভিজিট করবেন এবং আমাকে উৎসাহ দিবেন আপনি যদি এরকম কিছু বিষয়ে পোস্ট চান যা এই ব্লগে নেই তাহলে দয়া করে কমেন্ট করুন আমার ব্লগপোস্টে মন্তব্য করে আপনি আমাকে উৎসাহ দিবেন। আপনার একটি মন্তব্য আমার কাছে অনেক মূল্যবান।ধন্যবাদ।