বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চই পরিবার পরিজন ভাল আছেন। আপনি কি আপনার পরিবার পরিজনের জন্ম নিবন্ধন করেছেন ? যদি না করে থাকেন তাহলে আজই জন্ম নিবন্ধন করে ফেলুন। কারন জন্ম নিবন্ধন সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই আজ আপনাদের দেখাব কিভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করবেন এবং নিবন্ধক কার্যালয় কিভাবে সার্টিফিকেট সম্পাদনা করে প্রিন্ট করেন। তাহলে আর দেরী কেন এখনই দেখে নিন কিভাবে নিবন্ধনের আবেদন করবেন।
Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts
বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চই পরিবার পরিজন ভাল আছেন। আপনি কি আপনার পরিবার পরিজনের জন্ম নিবন্ধন করেছেন ? যদি না করে থাকেন তাহলে আজই জন্ম নিবন্ধন করে ফেলুন। কারন জন্ম নিবন্ধন সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই আজ আপনাদের দেখাব কিভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করবেন এবং নিবন্ধক কার্যালয় কিভাবে সার্টিফিকেট সম্পাদনা করে প্রিন্ট করেন। তাহলে আর দেরী কেন এখনই দেখে নিন কিভাবে নিবন্ধনের আবেদন করবেন।
খুব লোভনীয় একটি কথা না? কিন্তু এটি যদি হয় আপনাকে ধরার একটি ফাঁদ, তখন কি করবেন? কিভাবে বাঁচবেন এই ভয়ানক জাল থেকে? জানা আছে কি আপনার? যদি না জেনে থাকেন তবে আজকের এই পোষ্টটি আপনারই জন্য।
স্বভাব সুলভ ভাবে বলুন আর জেভাবেই বলুন ফ্রি ওয়াইফাই পেলে কিন্তু সচরাচর আমরা সবাই কানেক্ট করে ব্রাউজ করা শুরু করি একটি বারও ভাবিনা এটির মাধ্যমে আমার কোন ক্ষতি বা আমি হ্যাকারদের শিকার হচ্ছি কিনা।
মনে রাখবেন আপনার স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য হাতিয়ে নেবার জন্য এটি অতি উত্তম একটি মাধ্যম। তবে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে কিন্তু খুব সহজেই আপনি হ্যাক হবার সম্ভাবনা থেকে মুক্ত হতে পারেন।
যেমন, এ নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-
## আমার মতে কফি শপ, লাইব্রেরি, বিশ্ববিদ্যালয়, সহ অন্যান্য যত পাবলিক প্লেসে আপনাকে ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করতে দিবে, চেষ্টা করুন এগুলো এড়িয়ে যাবার। তার কারণ এখানে যে নেটওয়ার্কটি ব্যবহার করা হচ্ছে সেটি সম্পূর্ণ অসুরক্ষিত অবস্থায় থাকে। আপনার পাসেই বসে থাকা হ্যাকার ঐ একই ওয়াইফাই কানেকশন ব্যবহার করে খুব সহজে আপনার ফোনের বা ল্যাপটপের তথ্য নিজেদের কব্জায় নিয়ে নিতে পারে। তারপরেও যদি আপনার ইচ্ছা করে ব্রাউজ করার তবে করুন। তখন এমন কোন সাইটে ধুকবেন না যেখান থেকে আপনার গোপন তথ্য চুরি যাবার ভয় থাকে যেমন, ফেসবুক, টুইটার, পেপাল, পেওনির, ইত্যাদি। মনে রাখবেন আপনার পিসি বা ফোন যতই বলুক যে এটা সিকিউর কানেকশন বা পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড তার মানে কিন্তু এই না যে এটি সিকিউর বা নিরাপদ।
## আপনি যদি অ্যাপলের ম্যাক বা উইন্ডোজ নির্ভর পিসি ব্যবহার করেন তবে নিরাপত্তার জন্য প্রতিটা ওএসএক্স বা উইন্ডোজের ইনবিল্ট নিরাপত্তার ব্যবস্থা দেয়া আছে। এটি চালু করতে হলে সিকিউরিটি সেটিংসে যেয়ে উইন্ডোজ ফায়ারওয়ালের সেটিংসে যাবেন তারপর ওখান থেকে ব্লক অল ইনকামিং ট্রাফিক অন করে দিবেন। এবার চেষ্টা করলেও আর আপনার পিসিতে কেউ সিগন্যাল পাঠাতে পারবে না।
## আমরা অনেকেই একটু অলস প্রকিতির মানুষ। কেমন সেটা বলি। মনে করে দেখেন যখনি আপনি ফেসবুক বা অন্যান্য প্রয়জনিয়া সাইটে ধুকছেন তখন আপনার ব্রাউজার স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনাকে “রিমেম্বার পাসওয়ার্ড” নামের একটি নোটিফিকেশন দিচ্ছে। এটি ইয়েস করে দেবার মানে হল পরবর্তীতে আপনি যখন এই একই ওয়েবসাইটে ধুকবেন তখন আর আপনাকে নতুন করে ইউজার নেম পাসওয়ার্ড দেয়া লাগবে না। আপনার ব্রাউজারই সেটি মনে রাখবে। এটি আমাদের খুবই মারাত্মক একটি ভুল। হ্যাকার রা অনেক সময় আপনার ব্রাউজার কে টার্গেট করে থাকে। এই ফিশিং থেকে বাঁচার জন্য মজিলা ফায়ারফক্সে মাস্টার পাসওয়ার্ড নামে একটি অপশন আছে সেটি অন করে নিবেন। তবে আমার মতে দরকারি ওয়েবসাইট গুলার পাস ব্রাউজারে সেভ না করাই বেষ্ট প্র্যাকটিস।
## কোনও ওয়েবসাইট ব্যবহার করলে এইচটিটিপি (HTTP) আপনার কাজ সংকেত হিসেবে নেয়। তখন ওখানে যেটা করছেন সেটা কনফিডেনশিয়াল হয়ে যায়। তাই এইচটিটিপি এভরিহোয়্যার (HTTPS Everywhere) ইনস্টল করে নিন। বিভিন্ন জনপ্রিয় সাইটে আপনার ক্রিয়াকলাপ সংকেত হিসেবে পৌঁছাতে বাধ্য হবে।
## অনেক সময় দেখা গেছে হ্যাকাররা “ফ্রি ওয়াইফাই” বা অন্য নতুন নামে একটি ভুয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করে। সেক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হবে, আপনি যখনি নতুন কোন জায়গার ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করবেন তখন সেটি ব্যাবহার করার আগে অবশ্যই কর্তিপক্ষের কাছ থেকে উক্ত কানেকশনের নাম এবং পাসওয়ার্ড জেনে নিয়ে তারপর সেটি ব্যবহার করবেন।
## খুবই বেক্তিগত ব্যাবহার যেমন, অনলাইনে কেনাকাঁটা করা, ব্যাংক ট্রান্সফার, ইত্যাদি স্পর্শকাতর কাজগুলো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করে করবেন না। প্রয়োজনীয় কাজ গুলো আপনার বাসায় সেরে ফেলুন।
সর্বোপরি চেষ্টা করেন উপরের নির্দেশনা ঠিক মতো মেনে চলার। ও হ্যাঁ আরেকটি কথা সবসময় চেষ্টা করবেন একটি ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করতে। সেটা আপনার পিসিতেই হোক বা স্মার্টফোনে।
আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ক্রিকেট বিশ্বকাপের একাদশ আসরের শুরু হতে যাচ্ছে ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারীতে নিউজিল্যান্ডে বসছে আইসিসি ক্রিকেট ২০১৫ বিশ্বকাপের এর জমকালো আসর আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ শেষ হবে ১৯ মার্চ ২০১৫ তে এবার সাগর পারের দুই প্রতিবেশি দেশ নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ এর জমকালো আসর সব গুলো অনলাইনে সরাসরি প্রচার করবে পিসি হেল্পলাইন বিডি ডটকম , আপনারা পিসি হেল্পলাইন বিডি ডটকম থেকেই অনলাইনে সবগুলো ম্যাচ সরাসরি (লাইভ) দেখতে পারবেন নিচের টিভি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সময় এবং খেলা চলাকালিন বিভিন্ন ধরনের এড আসতে পারে এই জন্য ছোট করে দেয়া [X] ক্রস বাটন চাপুন । ও প্রথমে Close Ad বাটন চাপুন ।
বি.দ্রঃ কপিরাইটজনিত সমস্যার কারণে সরাসরি লাইভ স্ট্রিমিং মাঝে মাঝে থেমে যেতে পারে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই একটু পর পর পেজ রিফ্রেশ করুন।
অফিসে বসে কাজ ফাঁকি দিয়ে ফেসবুকে সময় কাটানোর দিন ফুরিয়ে এলো। স্মার্ট ঘড়ির মতো স্মার্ট রিস্ট ব্যান্ড বের করেছে আমেরিকার একটি প্রতিষ্ঠান। কাজ বাদ দিয়ে ফেসবুকে সময় কাটালে বা অন্য যেকোনো কাজ করতে গেলে শাস্তিস্বরূপ একটি ইলেকট্রিক শক দেবে এই ব্যান্ড। নতুন এই গ্যাজেটটির নাম 'পাভলক'। বলা হচ্ছে, কর্মীদের সময় নষ্ট করা কমাতে এবং উৎপাদশীলতা বাড়াতে হাতে পরার জন্য এই ব্যান্ডটি বানানো হয়েছে। একটি অ্যাপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে ব্যান্ডটি। আরো বেশি কাজ করতে চান? তাতেও সহায়তা করবে পাভলক। অতিরিক্ত সময় ফেসবুকে কাটিয়ে দিচ্ছেন? পাভলক একটা শক দেবে আপনাকে। ফেসবুকে লগ অন করতে গেলেই আপনার অনুভূতিতে একটা ধাক্কা দেবে ব্যান্ডটি। পাভলকের নিচের অংশে ধাতব পদার্থ রয়েছে। এর মাধ্যমে যে শকটি দেওয়া হবে তা আপনাকে নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এটি ক্ষতিসাধন করবে না। সকালে ঘুম থেকে ওঠার কাজটিও করে দেবে পাভলক।
পিসিতে গেম খেলতে কে না ভালবাসে বলুন। নিত্য নতুন গেম মানুষের জীবনে নিয়ে আশে অনাবিল আনন্দ। আমি নিজে ও গেম খেলতে প্রচণ্ড ভালবাসি। নতুন বের হওয়া উচ্চ গ্রাফিক্যাল গেম গুলো ছেলে বুড়ো সবারই পছন্দ।
গেমিং পিসি ও সাধারণ পিসির মাঝে রয়েছে বেশ পার্থক্য।
সাধারণ পিসিতে যেসব হার্ডওয়্যার ব্যাবহার হয় তার সবই গেমিং পিসি তে থাকে। হার্ডওয়্যার এর তালিকায় গেমিং পিসিতে যেসব হার্ডওয়্যার ব্যাবহার করা হয় তা সাধারণ পিসিতে ব্যাবহার করা হার্ডওয়্যার এর তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যক্ষম। তাই গেমার দের জন্য বেশ যাচাই বাছাই করে গেমিং পিসি কিনতে হয়। তা না হলে নতুন বের হওয়া গেম গুলোর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়।
গেমিং পিসি কেনার আগে কিছু যাচাই বাছাই এর প্রয়োজন।
কারন পিসির যন্ত্রাংশ এর মাঝে সামঞ্জস্য না থাকলে, তা পরে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। চাহিদা ও বাজেট অনুযায়ী থিক করতে হবে, কোন ধরনের পিসি কিনবেন? গেমিং পিসি বানাতে যে ধরনের যন্ত্রাংশ সাধারনত লাগে সেগুলো হলঃ উচ্চ ক্ষমতার প্রসেসর, প্রসেসর এর সাথে মানানসই গেমিং মাদারবোর্ড, উচ্চগতি ও বেশি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন র্যাম, উচ্চগতি ও বেশি ধারণক্ষমতার হার্ডডিস্ক, ভালমানের গ্রাফিক্স কার্ড, ভালো কুলিং সিস্টেমসহ কেসিং, ভালমানের বেশি ওয়াটযুক্ত পাওয়ার সাপ্লাই, বাজারের সেরা ডিভিডি রাইটার, গেমিং মনিটর, গেমিং কীবোর্ড ও গেমিং মাউস।
প্রসেসর কেনার সময় যেসব কথা মনে রাখা উচিতঃ
১. প্রসেসর এর ফ্রন্ট সাইড বাস স্পীড যত বেশি হবে, প্রসেসর এর পারফরমেন্সও তত ভালো হবে। তাই বেশি বাস স্পীড এর প্রসেসর কেনা উচিত।
২. ইন্টেল প্রসেসর এর ক্ষেত্রে হাইপার থ্রেডিং ও এএমডি প্রসেসর এর ক্ষেত্রে হাইপার ট্রান্সপোর্ট টেকনোলজি সম্পন্ন প্রসেসর কেনা উচিত।
৩. বেশি ক্যাশযুক্ত প্রসেসর বেশি ধ্রুত কাজ করতে সক্ষম, তাই কেনার আগে ক্যাশ মেমোরির পরিমান দেখে নিতে হবে।
৪. বেশি ক্লক স্পীড ও কম বাস স্পীড বা ক্যাশ স্পীড এর প্রসেসরের চেয়ে কম ক্লক স্পীড ও বেশি বাস স্পীড বা ক্যাশ স্পীড এর প্রসেসরের পারফরমান্স ভালো হয়। তাই কেনার সময় এ তিনটে বিষয়ের মাঝে সামঞ্জস্য রেখে প্রসেসর বাছাই করা উচিত।
৫. প্রসেসরের এর আর্কিটেকচার যত ক্ষুদ্র হবে, প্রসেসর তত কম বিদ্যুৎ ব্যয় করে। তাই অপেক্ষাকৃত ছোট প্রসেসর কেনা উচিত।
৬. গেমিং প্রসেসরে ভবিষ্যতে ওভার-ক্লকিং করতে হতে পারে, তাই ওভার-ক্লকিং সাপোর্ট করে এমন প্রসেসর বাছাই করা উচিত। বাজারে কিছু প্রসেসর আছে যেগুলো আগে থেকে ওভার-ক্লকিং করা থাকে। দাম একটু বেশি হলেও এই প্রসেসর গুলো ভালো মানের হয়ে থাকে।
মাদারবোর্ড কেনার সময় যে সব বিষয় জেনে রাখা উচিতঃ
১. প্রসেসরের সকেটের সাথে মাদারবোর্ডের সকেটের মিল আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে।
২. এমন মাদারবোর্ড বেছে নিতে হবে যাতে বেশি সংখ্যক সাটা-কানেক্টর(উচ্চ ডাটা ট্রান্সফার ক্ষমতা সম্পন্ন) রয়েছে।
৩. উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ডিডিআর-৩ র্যাম সাপোর্ট করে এমন মাদারবোর্ড বেছে নিতে হবে। বেশি র্যাম স্লট যুক্ত মাদারবোর্ড বাছাই করা উচিত। এতে পরবর্তীতে র্যাম বাড়ানোর সুযোগ থাকে।
৪. বেশি গ্রাফিক্স-কার্ড স্লট যুক্ত মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে একসাথে একাধিক গ্রাফিক্স-কার্ড সংযুক্ত করে দারুণ গ্রাফিক্স পারফরমেন্স পাওয়া যায়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রাফিক্স-কার্ড লাগানোর জন্য ২ টি বা ৪ টি পিসিআই স্লটসহ মাদারবোর্ড কিনতে হবে।
৫. পিসিআই এক্সপ্রেস নুন্যতম ১৬এক্স ক্ষমতা সম্পন্ন মাদারবোর্ড কিনা উচিত। এতে গ্রাফিক্স-কার্ড এর গতির পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।
৬. ডুয়াল চ্যানেল সাপোর্টএড স্লটের মাদারবোর্ড কিনা দেখে কিনুন। কারন ডুয়াল চ্যানেলে র্যাম এর কাজের গতি বেড়ে যাবে।
৭. বেশি সংখ্যক ইউএসবি, ফায়ারওয়্যার পোর্টসহ মাদারবোর্ড কেনা উচিত। এতে বেশি সংখ্যক ডিভাইস যোগ করা যায়।
৮. ডুয়াল বায়োসের মাদারবোর্ড কেনার চেষ্টা করা উচিত। কারন এতে একটি বায়োসের সমস্যা হলে অপর বায়োস টি পিসিকে সচল রাখে।
৯. মাদারবোর্ড এর সাথে ড্রাইভার সিডি, ম্যানুয়াল, ইউজার গাইড, আইডি ক্যাবল বা সাটা ক্যাবল দেয়া আছে কিনা দেখে নেওয়া উচিত।
কেসিং কেনার যা যা লক্ষ্য রাখবেনঃ
১. আকারে বড় কেসিং গুলো কেনার চেষ্টা করবেন। কারন এতে ভেতরের যন্ত্রাংশ বেশি গরম হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। বাজারে ছোট ব্রিফকেসের মতো কাসিং পাওয়া যায়, ভুলেও তা নিতে যাবেন না। এগুলোর কুলিং সিস্টেম ভালো হয় না।
২. কেসিং এর সাথে পাওয়ার সাপ্লাই ও কুলিং ফ্যান দেয়া থাকে। অনেকের আরো কুলিং ফ্যান লাগানোর দরকার হতে পারে। সেজন্য কেসিং এ আলাদা ফ্যান লাগানোর ব্যবস্থা আছে কিনা দেখে নেওয়া উচিত।
৩. দাম বেশি হলেও অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন পাওয়ার সাপ্লাই কিনে কেসিং এর সাথে যোগ করা উচিত। এতে ভালো পারফরমান্স পাওয়া যায়।
র্যাম কেনার সময় যে সব বিষয় মনে রাখা উচিতঃ
১. গেমারদের জন্য নুন্যতম ২ গিগাবাইট র্যাম প্রয়োজন। তবে আদর্শ গেমারদের জন্য ৬-৮ গিগাবাইট র্যাম থাকা উচিত।
২. মাদারবোর্ড যতটুকু পর্যন্ত র্যাম এর বাস স্পীড সাপোর্ট করে, ততটুকু বাস স্পীড সম্রিধ্য র্যাম কিনুন।
৩. কম ল্যাটেন্সির র্যাম কেনার চেষ্টা করুন। কারন ল্যাটেন্সি যত কম হবে, র্যাম এর কাজ করার দ্রুততা তত বেশি হবে। ল্যাটেন্সি হচ্ছে র্যাম এর ডাটা এক্সসেস করার সময়ের পরিমান।
গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে লক্ষ্য করুনঃ
১. কেসিং এর পাওয়ার সাপ্লাই এর কথা মাথায় রেখে গ্রাফিক্স-কার্ড কিনতে হবে। বেশি পাওয়ারের গ্রাফিক্স-কার্ড কিনতে চাইলে সে অনুযায়ী পাওয়ার সাপ্লাই থাকতে হবে।
২. ডাইরেক্ট এক্স ১০/১১ বা ওপেন জিএল ৩/৪ সমর্থিত কার্ড গেম খেলার জন্য বেশ ভালো।
৩. নুন্যতম পিক্সেল শেডার ৪.০ সাপোর্টএড গ্রাফিক্স-কার্ড কেনা উচিত।
৪. হার্ডকোর গেমাররা ডুয়েল কোর জিপিইউ সম্রিধ্য কার্ড কিনতে চেষ্টা করুন।
৫. কম বিদ্যুৎ খরচ করে এমন গ্রাফিক্স-কার্ড কেনার চেষ্টা করতে হবে। তা না হলে বিদ্যুৎ বিল দেয়ার সময় মোটা অঙ্কের টাকা গুনতে হবে।
ভালো মানের মনিটর কিনতে যা যা লক্ষণীয়ঃ
১. বড় মাপের মনিটর নিলে গ্রাফিক্স-কার্ড উচ্চ মানের হতে হবে।
২. যথা সম্ভব কম রেসপন্স রেট যুক্ত মনিটর বেছে নেওয়া উচিত।
৩. কম বিদ্যুৎ খরচ করে এমন মনিটর বাছাই করা উচিত। যাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে আইপিএস ব্যাকআপও চলতে সমস্যা না হয়।
মাউস আর কীবোর্ড কিনুন ভালো মানেরঃ
গেমিং মাউস আর কীবোর্ড অন্যান্য সাধারণ মাউস আর কীবোর্ড এর চেয়ে আলাদা মানের হয়ে থাকে। এগুলোর স্পীড অনেক বেশি এবং এতে গেম খেলার জন্য আলাদা কিছু বাটন থাকে। ভালো ব্রান্ড দেখে মাউস আর কীবোর্ড কেনা উচিত।
আজ আর নয় সবাই ভাল থাকবেন। দেখা হবে আগামী টিউনে।
সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। কিন্তু সবার জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কারণে এ ওয়েবসাইটে অপরাধী ও দুর্বৃত্তদের দৌরাত্ম্যও কম নয়। সম্প্রতি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান চালিয়ে দেখেছে, তাদের ১২৮ কোটি ব্যবহারকারীর মধ্যে ১০ কোটি অ্যাকাউন্টই ভুয়া। এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে পরিচয় গোপন করে অনেকে অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে। অনেক ব্যবহারকারী প্রতারিত হচ্ছে। তাই ভুয়া অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করার কৌশলটি জেনে নিন ঝটপট।
১. অ্যাকাউন্টের প্রেফাইল ছবিগুলো দেখুন। পুরো প্রোফাইলে যদি একটি মাত্র ছবি থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে ধরে নেবেন সেটা ভুয়া।
২. স্ট্যাটাস আপডেট, ওয়াল পোস্ট এবং কমেন্টগুলো ভালো করে দেখুন। যদি দেখেন দীর্ঘ সময় ওই অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস আপডেট করা হচ্ছে না, কোনো ওয়াল পোস্ট দেয়া হচ্ছে না বা কারো স্ট্যাটাসে মন্তব্যও করছে না তাহলে বুঝবেন এ অ্যাকাউন্ট ভুয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৩. সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড দেখুন। নির্বিচারে বন্ধু যোগ করছে এবং বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠাচ্ছে, কোনো পেজে বা গ্রুপে লাইক নেই- তাহলে বুঝবেন এ লোক শুধু বন্ধু বাড়ানোর ধান্দায় আছে। এটা তার ভুয়া অ্যাকাউন্ট।
৪. বন্ধু তালিকা ঘেঁটে দেখুন। দেখবেন বেশিরভাগ বন্ধু তার বিপরীত লিঙ্গের। তাহলে ধরে নিতে পারেন, অ্যাকাউন্টটি হয় মজা করার জন্য নয়ত নিত্যনতুন প্রেম করার জন্য খোলা হয়েছে।
৫. অ্যাকাউন্টের তথ্য (info) যাচাই করুন। যদি দেখেন তার স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা কর্মস্থলের কোনো ঠিকানা বা ওয়েবসাইট লিঙ্ক দেয়া নেই এবং ব্যবহারকারী প্রেমিক/প্রেমিকা খুঁজে বেড়াচ্ছেন এবং তিনি পুরুষ ও স্ত্রী উভয় লিঙ্গের প্রতিই আগ্রহী- তাহলে বলতেই পারেন অ্যাকাউন্টটি ভুয়া হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
৬. জন্মতারিখ দেখুন। 1/1/XX…..অথবা……31/12/XX এই জন্মতারিখগুলো সাধারণত ভুয়া অ্যাকাউন্টে থাকে। কারণ এগুলো একেবারে ইউনিক এবং টাইপ করাও সহজ।
৭. নারী ব্যবহারকারীর ইনফোতে যদি সরাসরি যোগাযোগের সুস্পষ্ট মাধ্যম উল্লেখ থাকে যেমন মোবাইল নম্বর এবং তা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে, তাহলে বুঝবেন এটা ভুয়া অ্যাকাউন্ট না হয়ে পারে না।
৮. সাম্প্রতিক ওয়ালে যদি বিপুল সংখ্যক মানুষের ‘THANKS FOR THE ADD…. DO I KNOW YOU’ এই টাইপের কথা লেখা থাকে এবং অনেক দিন হলো সেগুলোর কোনো জবাব দেয়া হয়নি এমন হয়, তাহলে ধরেই নিতে হবে অ্যাকাউন্টটি ভুয়।
৯. ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সাধারণ প্রবণতা থাকে কিছু অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে সময় কাটানো যেমন: farm ville, pet society ইত্যাদি। কোনো ব্যবহারকারীর যদি এসবের ব্যাপারে কোনো আগ্রহ না দেখা যায় তাহলে বুঝে নিতে হবে অ্যাকাউন্টটি চরম ইনঅ্যাকটিভ অথবা ভুয়া।
১০. যদি আপনি নিশ্চিত হন যে অ্যাকাউন্টটি ভুয়া তাহলে এর প্রোফাইল ছবিটি নিয়ে গুগলে পিকচার সার্চ দিতে পারেন। ভুয়া হলে ছবিটি গুগলে সহজেই পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ ভুয়া ব্যবহারকারীরা সাধারণত গুগল থেকে ছবি নিয়ে প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহার করে।
ল্যাপটপ সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে- নেটবুক, নোটবুক। যারা হাল্কা কাজ বা অনলাইনে কাজ করে থাকেন তারা সাধারনত নেটবুক ব্যাবহার করে থাকেন। আর অপেক্ষাকৃত ভারী কাজ ও হাই গ্রাফিক্স এর গেমিং এর জন্য অনেকে নোটবুক কিনে থাকেন। শুধু ল্যাপটপ কিনে ব্যাবহার করলেই চলবে না। ব্যাবহার এর সাথে সাথে নিয়মিতভাবে এর যত্নও নিতে হবে। আপনার ল্যাপটপটি যাতে দীর্ঘদিন ঠিকভাবে সার্ভিস দিতে পারে সে জন্য কিছু টিপস মেনে চলা উচিত। এতে করে ল্যাপটপের পারফরমেন্স ভাল থাকবে।
ল্যাপটপ ব্যবহারের টিপসঃ


ল্যাপটপ ব্যবহারের টিপসঃ
- ব্যাটারি দিয়ে ল্যাপটপ চালানো না লাগলেও ২/৩ সপ্তাহে মাঝে মাঝে ব্যাটারি থেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারি আয়ু কমে যাবে।
- ব্যাটারিতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।
- মাঝে মাঝে ব্যাটারির কানেক্টর লাইন পরিষ্কার করুন।
- ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।
- দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন।
- হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারণ সিডি/ডিভিডি র্যাম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়।
- এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন ও সহজে বাতাস চলাচল করে এমনভাবে ল্যাপটপ রাখুন, সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না।
- শাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন।
- ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন।
- হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ-এর মেইনটেন্যান্সে কোনো কাজ করবেন না।
- অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন।
- মাঝে মাঝে মেমোরি ক্লিনের জন্য Ram Cleaner, Ram Optimi“er, Mem Monster, Free Up Ram, Super Ram নিয়মমাফিক ডিফ্রাগমেন্ট করুন।
- আপাতত দরকার নেই এমন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন।
- ল্যাপটপ এর উপর ময়লা পরলে তা পরিষ্কার করা যেই কাজটা আমরা অনেকেই করি না। আর অবশ্যই সঠিক পরিস্কারক দ্রব্য ব্যবহার করা উচিত।
- ল্যাপটপের কি বোর্ড ও মাউস এর পরিবর্তে এক্সটারনাল কি বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করা। এতে করে ল্যাপটপের কিবোর্ড এবং মাউস প্যাড ভাল থাকবে দীর্ঘ দিন।
- ল্যাপটপে বেশি গ্রাফিক্সের গেমস না খেলা, এতে করে ল্যাপটপ খুবই উত্তপ্ত হয়ে যায় যা ভেতরের অন্যান্য যন্ত্রপাতির জন্য ক্ষতিকারক।
- ল্যাপটপে যথা সম্ভব ছোট সাইজের সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত।
- ল্যাপটপ য়থা সম্ভব কম সময়ের জন্য চালানো উচিৎ।
- সরাসরি তাপ থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখা উচিত।
- ল্যাপটপ বেশিক্ষণ কোলের ওপর রেখে ব্যবহার করা উচিত নয়। কিছুদিন আগে একদল গবেষক ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর মাঝে এক জরিপ চালিয়ে দেখেছেন, যারা কোলের ওপর রেখে অনেকক্ষণ ল্যাপটপ ব্যবহার করেন তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
- ল্যাপটপে বিল্ট-ইন কিছু ডিভাইস আছে যেমন : ব্লু-টুথ, ওয়াই-ফাই, ইনফ্রারেড ইত্যাদি। প্রয়োজন না থাকলে ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় এসব ডিভাইস বন্ধ করে রাখুন। এতে ব্যাটারির শক্তি খরচ কম হবে।
- ল্যাপটপ বহনে ল্যাপটপের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করুন। এসব ব্যাগ ল্যাপটপকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়া ভ্রমণে ল্যাপটপ বহন করার জন্য কাঁধে ঝুলানোর সুবিধাযুক্ত ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে বহনে সুবিধার পাশাপাশি আরেকটি সুবিধা হলো, বাইরে থেকে বোঝাই যাবে না যে আপনি ল্যাপটপ বহন করছেন। তাই ছিনতাইকারীর দৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
- ল্যাপটপে গেম খেলা বা কোনো কিছু টাইপ করার জন্য এক্সটার্নাল কি-বোর্ড এবং মাউস ব্যবহার করুন। কারণ, এসব ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহারে ল্যাপটপের টাচ প্যাড এবং কি-বোর্ডের আয়ু কমে যেতে পারে।
- ঘরে বা বাইরে বিদ্যুত্ ব্যবহারের সুবিধা আছে এমন স্থানে সরাসরি বিদ্যুত্ ব্যবহারের মাধ্যমে ল্যাপটপ চালান। ল্যাপটপের ব্যাটারির একটি নির্দিষ্ট আয়ু আছে। একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বার চার্জ হওয়ার পর এই ব্যাটারিটি নষ্ট অর্থাত্ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়।
- ল্যাপটপের এয়ার ভেন্টটি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। কারণ এয়ার ভেন্ট বন্ধ হয়ে গেলে প্রচুর তাপ উত্পন্ন হবে, যা ল্যাপটপের জন্য ক্ষতিকর। খাবার ও পানীয় থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখুন। না হলে অসাবধানতাবশত ল্যাপটপের ওপর পানি পড়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
- ল্যাপটপ ডেস্কটপের মতো একটানা ব্যবহার করা ঠিক নয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা ব্যবহার করার পর ল্যাপটপ কিছু সময় বন্ধ রাখা উচিত। আপনার চোখের সুবিধার জন্য স্ক্রিনের লাইট আপনার চোখের সঙ্গে মানানসই করে রাখুন। মনে রাখবেন, এমন হাই কালার দিয়ে রাখবেন না যেটি আপনার চোখের সহ্যের বাইরে। প্রয়োজনে ঋষীঁ নামের একটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার দিয়ে এ কাজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারেন।
Tags :
কম্পিউটার ট্রাবলশুটিং
প্রযুক্তি
আপনাদের সাথে আজ একটি ছোট কিন্তু খুব উপকারী একটি সফটওয়্যার দেখাবো। সফটওয়্যারটি cnet.com এর 2011 এ সর্বাধিক ডাউনলোডকৃত সফটওয়্যার এর তালিকার 5 no. স্থান করে নিয়েছে। অনেকে YouTube থেকে video download করতে গিয়ে অনেক সমস্যায় পরেন। সফটওয়্যার তাদের জন্য। সফটওয়্যারটির নাম YouTube Downloader
১) প্রথমে সফটওয়্যারটি এই লিঙ্কে http://tinyurl.com/7sj543mক্লিক করে ডাউনলোড করুন।
২) তারপর সফটওয়্যারতী Install করুন।
৩) আপনি যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান সেটি আপনার ব্রাউজার এ ওপেন করুন অ্যান্ড video address টি কপি করুন।
৪) YouTube Downloader টি ওপেন করে address bar paste করুন অ্যান্ড Download বাটন এ ক্লিক করুন।
৫) Pro Version use করলে আপনি আপনার ভিডিওটি সরাসরি mobile device জন্য কনভার্ট করতে পারবেন।
৬)আপনি য্খন ডাউনলোড লিংকে ক্লিক করবেন তখন ডান পাশে দেখবেন ৫ সেকেন্ড পর skip add দেখায় ঐ খানে ক্লিক করলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে হয়ে যাবে।
আপনাদের সমস্যা হলে কমেন্টস এর মাধ্যমে জানান
Tags :
কম্পিউটার সফটওয়্যার
প্রযুক্তি
আমারা সবাই pd-proxy ব্যাবহার করে ফ্রী ইন্টারনেট চালাই কিন্ত এর একটি সমস্যা হচ্ছে একটি id দিয়ে ১০০ এমবি এর চেয়ে বেশি ব্যাবহার করা জায়না।
আজ আপনাদের একটি Trick দিব যেটা দিয়ে আপনারা একটি id দিয়ে একাধিক বার ফ্রি iNTERNET uSE করতে পারবেন।
প্রথম এ এখান থেকে PD PROXY dOWNLOAD koreb nin
http://pdproxy.com/ তারপর ৩-৪ টি ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলে নিন।।এবার ৫১ কেবি সাইজ এর আর ১ টি ফাইল(Click this link) ডাউনলোড করে নিন।
এবার ফাইল টি কপি করে Local disk c>>User>samsung এ past করুন
(apnar pc/laptop j brand er oi brand er nam dhekben)...এবার ফাইল টি Run as administator হিসেবে ওপেন করুন ।
এবার আপনার কম্পিউটার এর start menu তে যেয়ে cmd লিখে এন্টার দিন
তারপর c:লিখে এন্টার দিন।
তারপর c:লিখে এন্টার দিন।
আবার বরাবর এটা volumeID.exe c:1a23-1b45 লিখে এন্টার দিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।
তারপর apnar mozila fire fox এর options>Advanced>network>setting>use system proxy setting>click ......DONE!
এভাবে আপনি আবার use করতে পারবেন।তার ৫ টি id thakle apni daily ৪৫০ mb use করতে পারবেন। ৪৫০ mb বলায় অনেক এ হয়তো ভাবছেন আমি অংকে কাঁচা আসলে একটি id দিয়ে ৯০mb use করার পর R একটি আইডি কানেক্ট করতে হবে না হয় ওইদিন আর কোন আইডি কানেক্ট হবেনা।
ভালো স্পীড পাওয়ার জন্য p1 বাদ এ অন্ন যে
কোন প্যাকেজ বেবহার করুন
কোন প্যাকেজ বেবহার করুন
Tags :
প্রযুক্তি
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং
চিন্তার দিন শেষ! বনে, জলে জঙ্গলে লো কানেকটিভিট জায়গায় আপনি রয়েছেন, ইন্টারেনেট কোনও ভাবেই ব্যবহার করতে পারচ্ছেন না। এমন বিপদে পড়লে কী করবেন? এমন সদস্যার সমাধার নিয়ে এসেছে বি-বাউন্ড (Be-Bound) অ্যাপস। খবর জি নিউজের।
বি-বাউন্ড অ্যাপের নতুনত্ব হলো লো ব্যান্ডউইথ জায়াগায় আপনি এই অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। ওয়াইফাই, থ্রিজি নেটওয়ার্কের কোনও দরকার নেই। শুধু স্মার্টফোনে ডাউনলোড করুন বি-বাউন্ড অ্যাপসটি। অ্যাপ লোড করার পরই ইমেল, আবহাওয়া রিপোর্ট, নিউজ, স্টক সবকিছু আপনার হাতের মুঠোয়। এই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন সম্পূর্ণ ফ্রিতে। ইন্টারনেটের সাশ্রয়ও হবে
AVG Internet Security 2015:
AVG Internet Security অনেক ভাল এবং পপুলার অ্যান্টিভাইরাস। বেশি ভাগ মানুষেই এই অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করে। আপনি যদি এই অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করেন তা হলে আপনার পিসি ১০০% সুরক্ষিত থাকবে। পিসিতে খুব সহজে ভাইরাস ঢুকতে পারবে না। নিচে কিছু এর বৈশিষ্ট্য দিলাম,
বৈশিষ্ট্য:
- AVG Internet Security 2015 protection file server.
- It antivirus Protection of workstations.
- It antivirus Anti-Spam workstations.
- It antivirus Protect your mail server
- The necessary level of protection.
নিচের লিঙ্ক থেকেও সিরিয়াল ডাউনলোড করতে পারবেন। তাই র দেরি না করে এখনি নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করেন নিন।
File password: bogracity24
Tags :
অ্যান্টিভাইরাস
প্রযুক্তি
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। অনেক দিন টিউন করা হয়ে ওঠেনা একটু Easy কাজে Busy ছিলাম আর কি :p যাই হোক কথা আর বারাইলাম না। কাজের কথায় চলে যাই ।
আজ আপনাদের মাঝে এলাম উইন্ডোজ ১০ টেকনিক্যাল প্রিভিউ এর ওয়াটারমার্ক রিমুভার নিয়ে !!
কেন ওয়াটারমার্ক রিমুভার লাগবে সেটা টিউন দেখলেই বুঝবেন আর উইন্ডোজ এর ওয়াটারমার্ক কি সেটাও অনেকেই জানেন তাই আর বিশদ আলোচনায় গেলাম না।
ডাউনলোড লিঙ্ক
উইন্ডোজ ১০ টেকনিক্যাল প্রিভিউ এর ওয়াটারমার্ক রিমুভার ডাউনলোড করতে [১৩১.৭ কেবি]এখানে ক্লিক করুন
যেভাবে ওয়াটারমার্ক রিমুভ করবেন
১. ZIP ফাইল টা ডাউনলোড করে Extract করুন। দুইটা ফাইল পাবেন Windows 10 Technical Preview Watermark Remover.exe এবং Instructions.txt২. Windows 10 Technical Preview Watermark Remover.exe ফাইল টি Run as Administrator Mode এ রান করুন। (অবশ্যই Run as Administrator দিবেন অন্যথায় কাজ করবেনা)
৩. নিচের মত দেখতে পাবেন :
৪. যে লেখা গুলা দেখা যাচ্ছে মানে Windows Technical Preview, %ws Build %ws ইত্যাদি মুছে ফেলুন এবং আপনার যদি কিছু লিখতে ইচ্ছা হয় লিখে দিন । কিন্তু কিছু না লিখে ফাকা রাখাটাই মনে হয় ভাল।
৫. Apply new sttings বাটন এ ক্লিক করুন। কাজ শেষ
ওয়াটারমার্ক রিমুভ করার আগে
ওয়াটারমার্ক রিমুভ করার পরে
আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে।
আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন।
Tags :
প্রযুক্তি

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন।
আজ আপনাদের মাঝে এলাম Windows 10 Technical Preview Editions ISO ডিরেক্ট এবং টরেন্ট ডাউনলোড লিঙ্ক নিয়ে!!
Windows 10 Technical Preview Editions ISO ডাউনলোড লিঙ্ক
Windows 10 PRO
Windows 10 PRO
| ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
Product keyPRO : NKJFK-GPHP7-G8C3J-P6JXR-HQRJR | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
Tags :
প্রযুক্তি
ডিভিডি রম এ সিডি রিড করতে পারছেন্না?? পেনড্রাইভের মাধ্যমে উইন্ডোজ ইনস্টল করে নিন!!USB পেনড্রাইভটি বুটেবল করে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা খুবই সহজ একটা প্রক্রিয়া । আপনার পিসি বা ল্যাপটপের ডিভিডি রম না থাকলে বা কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বুটেবল পেনড্রাইভ একটি ভালো সমাধান। কমপক্ষে ৪ গিগাবাইট অথবা তার চেয়ে অধিক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটা পেনড্রাইভ হতে হবে।
এটি করতে কম্পিউটার এর স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুণ। তারপর সার্চ বক্স এ cmd লিখলে যে প্রোগ্রামটি আসবে, তাতে রাইট বাটন ক্লিক করে Run as administrator ওপেন করুন। ইউজার অ্যাকাউন্ট কন্ট্রোল ডায়ালগ বক্স এলে ok/yes চাপুন। এবার কমান্ড প্রম্পট উইন্ডো চালু হলে তাতে diskpart লিখে এন্টার চাপুন। ডিস্কপার্ট অবস্থায় এলে list disk লিখে এন্টার চাপলে আপনার সিস্টেমে যেসব ড্রাইভ সংযুক্ত আছে, তার লিস্ট ও পাশেই সাইজ দেখাবে। এখানে একটা বিষয় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণত আপনার হার্ডডিস্ক হবে Disk 0, যার সাইজ গিগাবাইটে দেওয়া আছে। নিচেই পাবেন আপনার পেনড্রাইভ Disk 1 অথবা Disk 2 এ রকম, যার সাইজ মেগাবাইট আকারে পাবেন।
এখান থেকে আপনার পেনড্রাইভটি সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে। Disk 1 আপনার পেনড্রাইভ হলে select disk 1 অথবা Disk 2 হলে select disk 2 লিখে এন্টার চাপুন। এরপর clean লিখে এন্টার চাপতে হবে। তারপর create partition primary লিখে এন্টার চাপলে পার্টিশন তৈরি হবে। এবার ড্রাইভটি ফরমেট করতে হবে। লিখুন format fs=ntfs quick এবং এন্টার চাপুন। ফরমেট হতে সামান্য একটু সময় নেবে। এটাই শেষ ধাপ। active লিখে এন্টার চাপুন। তারপর exit লিখে বের হয়ে আসুন। বুটেবল পেনড্রাইভ তৈরি হয়ে গেল।
এখন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ভিডিডি (Windows Vista, 7, 8 অথবা 8.1) থেকে সব ফাইল কপি করে পেনড্রাইভে পেস্ট করে দিন। ইমেজ ফাইল বা ISO ফাইল থাকলে সেটাকে উইনরার, উইনজিপ অথবা সেভেন-জিপ—যেকোনো একটা দিয়ে এক্সট্রাক্ট করে পেনড্রাইভে কপি করতে হবে। যে কম্পিউটারে ওএস ইনস্টল করতে হবে, তাতে পেনড্রাইভ প্রবেশ করিয়ে মেশিন চালু করে বুট মেন্যু থেকে পেনড্রাইভ বা রিম্যুভেবল ডিস্ক নির্বাচন করে দিন। উইন্ডোজ ইনস্টলেশন শুরু হয়ে যাবে।
Tags :
প্রযুক্তি














